শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
খুলনা আর্ট একাডেমির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি অর্জনে গর্বিত প্রতিষ্ঠান মানবিকতার আলোকবর্তিকা স্পেশাল ব্রাঞ্চের মানবিক সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে ক্লাসিক চেস্ ক্লাবের সম্মাননা কবিতাঃ জীবন কবিতা নিয়ামতপুরে সরস্বতী পূজা উদযাপিত জগন্নাথপুরে গণভোটের পক্ষে উৎসাহিত করলেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক গ্রেটার ইসরায়েল শখ মুছে গেলো! জগন্নাথপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের গণসংযোগ, ভোটারদের ব্যাপক সাড়া বিদ্যুৎ ফাউন্ডেশন: মানবতার আলোর পথে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহবান শোডাউনের মধ্যদিয়ে প্রচারণা শুরু করলেন তুহিন মোরেলগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত ভিপিকে গণসংবর্ধনা, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন- অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম

সাতকানিয়ায় নিমর্ম ভাবে হত্যাকান্ডের শিকার নেজাম উদ্দিনের সহধর্মিণীর আকুতি; আসামীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবী

Coder Boss
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫
  • ১০৮ Time View

মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

সাতকানিয়া উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের জামায়াত কর্মী নির্মমভাবে হত্যাকান্ডের শিকার হওয়া নেজাম উদ্দিনের সহধর্মিণীর আকুতি, অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর অপরাধে আমার স্বামীকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
গত ৩ মার্চ, মঙ্গলবার রাত ১০:৩০ মিনিটে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তাকে পাশের গ্রামে শালিশের নামে ডেকে হত্যা করা হয়। খুনিদের কাছে তার স্ত্রীর প্রশ্ন, কিসের অপরাধের কারণে আমার স্বামীকে এভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছো। আমার আড়াই বছরের সন্তানকে পিতার স্নেহ ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করেছ। আমার অনাগত আরেক সন্তানকে পিতার মুখ দেখতে দাওনি, তাদেরকে চিরতরে এতিম করে দিয়েছো, আমাকে করে দিয়েছো স্বামী হারা বিধবা। আমার স্বামী কোন অপরাধ করে থাকলে তাকে আইনের হাতে তুলে দিতে। এইভাবে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করার কি দরকার ছিল? আমার জানা মতো আমার স্বামী কোন অপরাধের সাথে জড়িত ছিলনা। তার অপরাধ হচ্ছে শুধু একটি সেটি হল অন্যায়ের প্রতিবাদ করা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো। এখন আমার আর আমার সন্তানদের দায়িত্বভার কে নিবে? এখন আমাদের মাথা গোঁজার মতো কোন ঠাঁই নাই। থাকার মতো কোন বাড়ি নাই। বর্তমানে আমরা আমার স্বামীর ভাইদের একটি ভাঙাচোরা ঘরের বারান্দায় কোন রকম জীবনযাপন করছি। আজ দুইদিন ধরে আমার ছেলেটা মুখে কোন খাবার নেইনি। শুধু বাবা বাবা বলে কান্নাকাটি করছে। ঘটনার দিন ইফতারের সময় আমার ছেলেটা তার বাবার সাথে শেষ খাবার খেয়েছিল। আজ বুধবার বিকালে সরেজমিনে নেজাম উদ্দিনের বাড়িতে গেলে এমন হৃদয় বিদারক কথাগুলো চোখের পানি ফেলে ফেলে বলছিলেন তার সহধর্মিণী।
প্রতিবেশীরা নেজাম উদ্দিনের সহপাঠীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ করেন, যদি সবাই মিলেমিশে সকলের একটু একটু সহযোগিতার মাধ্যমে নেজাম উদ্দিন ভাইয়ের পরিবারের পাশে দাড়িয়ে তাদের মাথা গোঁজার মতো একটি ঘর এবং তার ছেলেদের ভবিষ্যতের জন্য কিছু একটা করে দিতে পারেন তাহলে নেজাম উদ্দিনের আত্মার শান্তি মিলবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102