সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কবিতাঃ পতি পরমেশ্বর ! জগন্নাথপুরে খেলাফত মজলিস প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদের গণসংযোগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ডিমলায় প্রিজাইডিং অফিসারদের সঙ্গে প্রশাসনের মত বিনিময় জয়কলস ইউনিয়নে এবি পার্টির প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলমের ঈগল প্রতীকের গণসংযোগে জনস্রোত জগন্নাথপুরে সর্বত্র গ্যাস সংকট, ফিলিং স্টেশনে অটোরিকশার দীর্ঘ লাইন আমিরাবাদ রিদুয়ান স্মৃতি ব্যাটমিন্টন টুর্নামেন্টর ফাইনাল খেলা সম্পন্ন পাহাড়ি মেয়ে-কবিতা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-র পক্ষে প্রচার চালাবে বিকল্পধারা বাংলাদেশ বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস উপলক্ষে ডিমলায় আলোচনা সভা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোটগত নির্বাচনে ঐক্যের ডাক, লোহাগাড়া এনসিপি- জামায়াতের মত- বিনিময়

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় শিক্ষার্থীর লাশ সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলন

Coder Boss
  • Update Time : শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫
  • ১০৮ Time View

 

সাইফ উল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় শিক্ষার্থীর লাশ সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়। শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের মুহাদরপুর গ্রামে মিজানুরের মামা আবুল হোসেন সংবাদ সম্মেলন করেন।
কলেজ ছাত্র মিজানুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার। আবুল হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, মিজানুরের আরেক মামা নূরুল ইসলামের মেয়ে সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি মেয়ের বাবা মা জানতে পেরে গত ১৯ মে মিজানুরকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে মারধর করে। পরে মিজানুর ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়। এর দুইদিন পর মিজানুর রহমানকে আসামি করে নূরুল ইসলাম ধর্মপাশা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। আর বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়ার জন্য মুদাহরপুর গ্রামের নূরুল ইসলাম, মেয়ের মামা দুলাল মিয়া সহ কয়েক জন ভয়ভীতি দেখিয়ে মিজানুরের পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করে। এ বিষয় আর অপমান সইতে না পেরে গত বৃহস্পতিবার রাতে মিজানুর কাউকে না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। পরে শুক্রবার সকালে নূরুল ইসলামের ঘরের বারান্দা থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আমাদের ধারনা মিজানুরকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়ের বাড়িতে ডেকে নেয় এবং মারধর করে মিজানুরকে হত্যা করে মেয়ের মায়ের শাড়ি দিয়ে মিজানুরকে ঝুলিয়ে রাখে। পরে তা আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হয়। পরে মিজানুরের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় হত্যা মামলা করতে চাইলে ধর্মপাশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আলী ফরিদ আহমেদ ও ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ এনামুল হক মামলা নেয়নি। এদিকে ময়নাতদন্তের পর শনিবার সংবাদ সম্মেলনের মিজানুরের লাশ তার নিজ গ্রামে দাফন করা হয়। আর লাশ উদ্ধার করার সময় মিজানুরের চিরকুট পাওয়া গেছে। যাতে তার মৃত্যুর জন্য জুলফিকার আলী ভুট্রো, নূরুল ইসলাম, বিউটি আক্তারসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ রয়েছে।
তবে অভিযুক্ত জুলফিকার আলী ভূট্টো বলেন, আমি কোনো টাকা দাবি করিনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। প্রতিহিংসাবশত আমার নাম জড়ানো হচ্ছে।
ধর্মপাশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আলী ফরিদ আহমেদ বলেন, এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এক বিষয়ে দুটি মামলা হয়না। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্টে হত্যা প্রমাণিত হলে মামলা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102