
বর্ষার অন্তিম নিঃশ্বাসে শরৎ এসেছে ফিরে,
শুভ্র ফেনায় রঞ্জিত ঐ কাশবন মাঝে ঘিরে।
দখিনা বাতাস মৃদু মৃদু এসে
দিয়ে যায় তাতে দোলা,
আকাশে পেঁজা তুলো মেঘে
কত যে মধুর খেলা।
বনবিথী মাঝে শেফালীর পুষ্পিত সমাবেশ,
শালিক শ্যামার কুজনে কোকিল নিরুদ্দেশ।
দিকে দিকে আমনের ক্ষেত
শুধু সবুজের সমারোহে,
সকলের মনে হাসিখুশি কত
মাতৃ আগমনী অবরোহে।
বছর পরে আসবে মা পরিবার নিয়ে সাথে,
সিংহ বাহনে রণ সাজে,সেজে ত্রিশুল হাতে।
দশভুজা মাতা উগ্র চন্ডীকা
অসুরে করিবে নাশ,
দিকে দিকে তাঁর স্তুতি গান
শুধু তারই পূর্বাভাষ।
শারদ প্রাতে জ্যোতির্ময়ী মায়ের আবির্ভাবে
প্রানীকুলে কত সাড়া সাজ সাজ কত রবে।
বাজলো যেন আলোর বেণু
মাতলো এ ভুবন,
সেই সুরেতে সুর মিলিয়ে
ভরিয়ে দিয়েছে মন।
প্রকম্পিত শঙ্খ নিনাদ শুনি দুর্জয় হুঙ্কার ,
কাড়া নাকাড়া রণভেরী বাজে ওই বারবার।
ত্রিশুলে ভেদী দুষ্ট দমন অশুভ বিনাশ তরে,
শিষ্ট পালনে আবির্ভূতা বরাভয় দানি করে।
অনাচার দূর করো মাগো কলুস সংহারিনী
দাও মোক্ষ পুরাও অভিলাষ দুর্গতিনাশিনী।