বন্ধ হোক নেশা
বালকেরা শুরু করে
জুয়া তাস খেলা
নষ্ট করেছিল তারা
মূল্যবান সারাবেলা।
সেদিন বালকেরা করেছিল
নিজেদের সর্বনাশ
খুব খারাপ এই নেশা
ধ্বংস হয়ে যায় ভালোবাসা।
শেষ হয়ে যায় আত্মবিশ্বাস
জমে যায় বিষাক্ত নিঃশ্বাস।
আর যেন নষ্ট না হয় জীবন
মাদকে কেউ যেন আর
না হয় অচেতন।
আর যেন আমদানি না হয়
ইয়াবা আর হেরোইন
ন্যায়পথে চলি যেন সবাই
সৎপথের শুভেচ্ছা জানাই।
মায়ের মুখ
মায়ের শীতল কোলে
সন্তানেরা দু:খ ভুলে
যখন দেখি মায়ের মুখ
ভুলে যাই সব দুঃখ।
পিতা মাতা সন্তানদের
মাথার উপরে ছায়া
মনে তাদের সন্তানদের জন্য
কতই না মায়া।
মায়ের থেকে কখনো
দূরে যদি যাই
এত সোহাগ স্নেহ
কোথায় খুঁজে পাই।
মায়ের কথা যেন
চিরন্তন বাণী
ভালো লাগে দেখিলে
মায়ের আদরের মুখখানি।
থাকিতে বৃদ্ধকালে
করি না যতন
মরে গেলে সবই করি
বৃথাই রোদন।
মন আকাশে
তোমার মনের সীমানায়
হয়েছিলাম আপন তোমারি কবিতায়
জনমে জনমে তোমারি মায়ায়
হয়েছি কবিতা কাব্য কথায়।।
মনটা হারিয়ে যায় নদী
ভেসে যাওয়া যেত যদি
মাঝে মাঝে মনে পড়ে স্মৃতি
সময়ে স্মতে বিস্মৃতি
আমি রয়ে যাই কবিতায়,
সময় বয়ে যায়।
তেমার মনের সীমানায়
হয়েছি প্রেম মোহনায়।।
দেবীর আগমনে
কৈলাস থেকে দেবী দূর্গা
করলো আগমন,
খুব সুন্দর শুভেচ্ছা জানাই
আসছে পুজোর ক্ষণ ।।
দেবীপক্ষের সূচনা লগ্নে আনন্দের উদয়,
মা দুর্গার আরাধনায়
উলুধ্বনিতে নাচলো মন,
বাদ্যি বাজলো, মেলা সাজালো
মহালয়ার এই লগ্নে শেষে
পুজোর উৎসবের রেষে
শারদ উৎসব আয়োজন,
আনন্দ, আমেজ, খুশির ক্ষণ
মাতার বিদায় কাঁদে মন।
নতুন সময়
ভোর হোক অরুনিমাতে
ডুবে যাক কালো নিমিষে,
শান্তি আসুক শ্রাবণ ধারায়
মন ভরুক ফুলের জলসায়
নৃত্যের ছন্দে মন নাচবে
আকাশ জুড়ে পাখি উড়বে,
দূর হবে বিধ্বংসী ভীতি
হিংসা ভুলে সৃষ্টি প্রীতি
চলো করি আলোকিত প্রাণ
হোক জয় খুশি হোক মন।
পুতুল খেলা
আয়রে তোরা গাঁয়ের ছেলে মেয়ে
দিন কেটে যায় আনন্দে নেচে গেয়ে
প্রজাপতি আরটিয়ে ফরিং কই
খুশিতে টলমল করে ওই
দেখবে সার্কাস ওই মেলায়
সময় কাটায় হেলায় খেলায়
কিশোর বেলা মায়ের বকায়
আনন্দিত চড়ুইভাতি খেলায়
পুতুলের বিয়ে দেবে ডিঙি নৌকায় চড়ে
কুটুম বাড়ি আসবে মিনি গাড়ি ভরে।
খাবে নানা মিষ্টি পিঠা
মাংস পোলাও দই মিঠা,
অতিথি হবে বুলবুলি ময়না
পরবে গলায় সোনার গয়না।
পেলাম মুক্তি
স্বাধীনতা মানে মুক্তি
দেশ প্রেমের চুক্তি।
যোদ্ধারা ছিল বাংলার শক্তি,
তাইতো মনে তাঁদের জন্য ভক্তি।
তাইতো এদেশ রক্ষা পেল
শত্রুরা সব দেশ ছেড়ে পালালো।
যা ছিল না সহজ গল্প
যদি ও আমরা জানি অল্প
প্রবারণা
তিনমাস বর্ষাবাস শেষে
হয় কঠিন চীবরদান
সকলের সাধুবাদ দানে হয় শ্রেষ্ঠদান
কল্পতরু,ত্রিচীবর, অষ্টপরিষ্কার দানে
সমবেত হয় সকলে মুক্তির অন্বেষণে
জ্ঞান অর্জিত হয় মধুর ভাষণে
পবিত্র হয় মন শুভক্ষণে
যখন ফানুস উড়ে গগনে
ধর্মজ্ঞানে দূর হোক ভবতৃঞ্চা,অবিদ্যা
বুদ্ধের শাসন করি ভীষণ শ্রদ্ধা
মানব জীবন দুর্লভ
যদিও দুঃখময়
চীবরদানের দিন দূর হোক
সকল পাপরতি
বিহারে যাই দলে দলে
বয়ে শ্রদ্ধাতরী
রঙ্গীন ফানুস বাতির আলোতে
লোভ দ্বেষ ত্যাগের
চিন্তা হোক ভাবনাতে।