
বড্ড ভালোবাসি
কোথায় গেলে পাবো বলো
আমার চেনা মিষ্টি হাসি,
ফিসফিসিয়ে বলবো আবার
তোমায় বড্ড ভালোবাসি।
কতো খুঁজি পাইনি আমি
আমার চেনা দুটি চোখ,
এপার ওপার বেড়ায় ঘুরে
দেখিনা তো আপন মুখ।
চুল এলিয়ে গা দুলিয়ে
আরও মুচকি হাসি লয়ে,
কেমন করে ঘুরছি আমি
তোমার স্মৃতি মনে লয়ে।
ঘুমে কিংবা জাগরণে
তোমায় খুঁজি মনে মনে,
পাবো তোমায় আশা আমার
মিলবো আবার তোমার সনে।
শুভ্র দাঁতে খিলখিলিয়ে
মুক্তো ঝরে রাশি রাশি,
ধৈর্য্য রাখো দেখা হবে
ভাবছি এবার আমি আসি।
বাবা ছিলো
বাবা তুমি ছিলে যখন
নির্ভয়ে দিন চলতো তখন,
তুমি যখন প্রভুর নিকট
নির্ঘুমে রাত কাটে এখন।
ভয়ে ভয়ে দিন যাপন যে
করছি এবার সারাবেলা,
নির্ভয়ে আর পারছি না যে
নিজ বাড়িতে করতে খেলা।
তুমি ছিলে চারিদিকে
মোদের বিশাল বৃক্ষরাজি,
তোমার ছায়া পড়তো যেথায়
নিরাপদ তা ছিলো সাজি।
থাকতে তুমি চতুর্দিকে
ছিলো দেখছি অনেক ভালো,
হুড়মুড়িয়ে চলতো জীবন
ফুটেছিলো অনেক আলো।
চোখ বুজিলেই দেখি তোমার
মায়াভরা মুখের হাসি,
সবার চেয়ে বেশি যারে
আমি কেবল ভালোবাসি।
শালুক
কষ্ট করে শালুক তুললো
পাশের বাড়ির রেজি,
পেটের দায়ে বিক্রি করলো
আশি টাকা কেজি।
বরাবরই শালুক ওঠাই রেজি
কেজি ছয় সাত,
তাই দিয়ে সংসার চলে
কিনে ডাল ভাত।
শালুক বিক্রির টাকা দিয়েই
চলছে কিছু ঘর,
কত মানুষ শালুক তুলে
আপন এবং পর।
গরীব লোকের শালুক এখন
খোদার অশেষ দান,
খাদ্য,বস্ত্র ঔষধ কিনছে
চলছে দিন মান।
কেউ শালুক তুলে আনছে
কেউ আনছে কিনে,
শালুক এখন বিক্রি হচ্ছে
রাতে কিংবা দিনে।
হেই বাড়ির ভাবী
হেই বাড়ির ভাবীরে কইলাম
লাগে আমার ভালা,
শইল্যে গতরে ম্যালা সুন্দর
যদিও রংডা কালা।
না়ভীর নিচে যহন ভাবী
ফিন্দে লাল শাড়ি,
তহন ইতো মনডা আমার
নিলো ভাবী কাঁড়ি।
একদিন তারে না দেহিলে
পেটটা আমার পুরে,
ঘুমাইলে ভাবীর মুখটা
আমার সামনে ঘুরে।
পান খাইয়া ভাবী যহন
ঠোঁট টা করে লাল,
ভাবীর পানে চাইয়া আমার
মুহে লাগে ঝাল।
মনডা কয় খাইতে একটু
ভাবীর মুহের পান,
কইলজার ভিত্তে খালি বাজে
ভাবীর প্রেমের গান।
ভাবীও মোরে দেইখা দেইখা
মুচকি মুচকি হাসে,
তাঁর মানে একটাই কথা
মোরে ভালাবাসে।