নীল সাগরের ঢেউয়ে
ওই নীল সাগরের তীরে
ঢেউয়ে ঢেউয়ে।
বসে ভাবি তোমারই কথা।
এই ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাসে ।
এই শীতল পরশে।
দূরে থেকেও কাছে এলে তুমি।
সাগরের ফেনায় ফেনায়।
প্রেমের পরশ লাগে বুকে।
ওই নীল সাগরের তীরে।
স্বপনে মাখা মুখ খানি ওঠে ভেসে
দুজনে মিলায় সাগরে ।
পাখিরা মেলেছে ডানা,
ওই দূর নীলিমায়।
প্রেমের পরশ লাগে যে বুকে।
নুপুর পায়ে, যায় বালুকায় হারিয়ে।
ওই নীল সাগরের ঢেউয়ে ঢেউয়ে।
আমি মাধবীলতা
ও মাধবী ও মাধবী লতা গো।
তোমার সৌন্দর্যে মন করে আকর্ষণ।
কাউকে জড়িয়ে ধরে ফুটিয়ছো ফুল।
মনোরম ফুল ফোটাও ওগো মাধবী লতা।
আমি যে এক লতা তোমার মত।
কাউকে জড়িয়ে ধরতে পারি নাকো।
ওগো মাধবীলতা ও আমার মাধবীলতা।
ধুলার উপরে মাড়িয়ে যায়,
দেখেনা তো কেউ।
ফুল না ফুটিয়ে হয়েছি যে দুখী।
বেদনায় ভরা এ জীবন গাঁথা।
পাই না যে কিছুই ধরার,
কেমনে ফুটায় ফুল, ও
আমার মাধবীলতা।
দুঃখের তরণীতে ভেসে ভেসে।
চলেছি জীবন প্রান্তে।
তুমি ফুল ফোটাও দাও আনন্দ
আমার চোখে যে ঝরে জল।
শ্যামা মা
ওই যে মা দাঁড়িয়ে আছে।
অন্ধকারে আলোর দ্বীপে।
মা যে আমার স্নেহময়ী।
অসত্যকে করেন সংহার।
উগ্র অতি কঠিন মতি,
ভবের মাঝে তিনিই প্রকৃতি।
হৃদয় মাঝে আছেন তিনি।
ভয়ংকরী ভেবোনা তারে।
ভালোবাসায় বাঁধ প্রানে।
নুপুর পায়ে আলতা পরে,
লাল শাড়িতে অপরুপা।
ভালোবাসি ওই চরণ দলে।
ধরণী আজ মুখরিত
মা আসবেন ধরা তলে।
আলোয় আলোয় ভরবে ভুবন
অন্ধকার যাবে দূরে।
ঘুচিয়ে মনের কালিমা
জ্ঞানের আলো ফুটবে অন্তরে।
রং তুলিতে আঁকা বেত্রাবতী
বেত্রাবতী চলিয়াছেন বহিয়া একাকী।
নিঃশব্দে, নীরবে, সোনালী ঢেউয়ের
তালে তালে।
কল্লোলিনী শব্দে শব্দে মুখর।
কুলু কুলু বেনুর গীতে করিয়া আকর্ষণ।
রাস্তা চলেছে এঁকেবেঁকে পশ্চিমে।
নদীর বাঁকে, লাগুয়া ছোট ছোট বাড়ি।
কেয়া গাছ পড়েছে নুয়ে,
শুকনো কেয়াপাতা স্রোতে যাই ভেসে।
চাঁদা কাটা বনে হলুদ ফুলের হাসি।
ও পারেতে ডাকে শিয়াল হুক্কা হু
মেলে ঘাস, গোলপাতা গাছের সারি।
বেত্রাবতীর দু তীরে আস্তরণ পলি মাটির।
চরের ধানের পাশে দাঁড়িয়ে আলের উপর।
বই খাতা বুকে ছোট খুকু, দেয় হাক।
এই...... মাঝি এসো এদিকে,
আমাকে একটু নাও দেখি।
খুকু উঠিয়া নৌকা উপরি,
মনের পাতায় আঁকে বেত্রাবতীর ছবি।
রং তুলিতে আঁকা আমার বেত্রাবতী।