কলমেঃ কাকলি রানী ঘোষ
ভারতের জন্মকথা করি বিবরণ।
প্রাচীন সভ্যতা মানে সিন্ধু সভ্যতা।
রচিত হয়েছিল বেদ উপনিষদ মহাকাব্য।
যেথায় জন্ম বুদ্ধ মহাবীর সম্রাট অশোক।
চিন্তায় চেতনায় তারা ছিলেন অসামান্য।
সিন্ধু সভ্যতা থেকে আধুনিক সভ্যতা।
তাদেরই চিন্তা ধারায় চলেছে যুগ পর যুগ।
হাজার বছর আগে গড়ে ওঠে নগর সভ্যতা।
সিন্ধু সভ্যতার মানুষ জানত পরিষ্কার-পরিচ্ছনতা।
চাষ হত গম, জব, খেসারি তিল তুলা।
কৃষি ভিত্তি ছিল সিন্ধু সভ্যতার।
তুলো চাষ তারা করিত ব্যাপক।
শুরু হয় আধুনিক কাপড়ের ব্যবহার।
ছিল দক্ষ বণিক,
মেসোপটেমিয়ায় চলতো বাণিজ্য।
সোনার অলংকার মূল্যবান পাথর,
ছিল তাদের রপ্তানি পণ্য।
সীলমোহর এর মাধ্যমে হত সনাক্ত।
আজও মানুষের কাছে সেটাই বিস্ময়।
প্রকৃতির পূজারি ছিল করত মাতৃ আরাধনা।
পশু পূজো, শিবলিঙ্গ ও যোগাসন প্রথার সূচনা।
শিল্পাও ছিল অসাধারণ।
ব্রোঞ্জের নিত্যরত ভাস্কর্যটি,
এখনো মানব শিল্পের অনন্য নিদর্শন।
সোনার গহনা, পুঁথির মালা, মাটির পুতুল,
সবই উচ্চমানের শিল্প করে বহন।
মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠে এই আধুনিক সভ্যতা।
৫০০০ বছর আগে প্যারামিডে, পাথর হয়েছিল খোদায়।
নতুন সভ্যতা খুঁজে পান হরপ্পা মহেঞ্জোদারো।
প্রতন্নতত্ত্ববিদরা খুঁজে পান এই সভ্যতার।
এটা কেবল সভ্যতা নয়, বিস্তৃত সভ্যতার নিদর্শন।
১২ লক্ষ কিলোমিটার জুড়ে সিন্ধু সভ্যতা।
এটাই ছিল ভারতীয় শহরভিত্তিক সভ্যতা।
ধ্বংস হয় এই সভ্যতা,
নতুন সভ্যতার গল্প শুরু আর্যদের আগমন।