পড়তে হবে মন দিয়ে
পড়তে হবে মন দিয়ে,
গড়তে হবে দেশ।
দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে,
বাঁচতে হবে বেশ।
গুরুজন দের প্রতি কথা,
রাখতে হবে মনে।
তাদের কথা স্মৃতি ছবি,
রাখতে হবে সনে।
ভালো করে পড়লে পড়া,
হবে বড় অনেক।
ছড়িয়ে যাবে খ্যাতি তোমার,
চিনবে বহু জনেক।
করলে সেব্ দেশের দশের,
বাড়বে সুনাম তোমার।
আদর সোহাগ ভালোবাসা,
পাবে তুমি সবার।
হেমন্তের গান গায় কৃষক
শরৎ শেষে আসলো এবার,
সোনালী হেমন্ত।
গায়ে গায়ে দিচ্ছে কৃষক,
নতুন ধানের নেমন্ত।
শালিক পাখিরা উড়ে বেড়ায়,
পাকা ধানের ক্ষেতে।
চড়ুই বাবুই ফিঙে পাখিরা,
আনন্দে যায় মেতে।
মাঠে চলে কৃষক শ্রমিক,
খুশি মনে একসাথে।
শরৎ শেষে আসলো হেমন্ত,
আনন্দে তারা মাতে।
হেমন্তের গান গায় কৃষক,
পড়ে যায় সারা।
হেমন্তের গানে খোকা খুকু,
আনন্দে আত্মহারা।
শালিক পাখি
হেমন্তের ধানের ক্ষেতে এবার
এলো শালিক পাখি।
পাকা ধানের গন্ধে উঠে,
কিচিরমিচির ডাকি।
মনের সুখে নানা সুরে,
শালিক গান গায়।
হেমন্তের ঝরে পড়া ধান,
শালিক খুঁটে খায়।
সন্ধ্যা হলে শালিক পাখি,
আপন নীড়ে ফিরে।
সুখের গান গায় শালিক,
হেমন্তকে যেন ঘিরে।
শরৎ মানে নদীর কুল
শরৎ মানে নদীর কুল,
নরম ছোঁয়া কাশ ফুল।
শরৎ মানে হালকা হাওয়ায়,
দুলছে সব দুল দুল।
শরৎ মানে নীল আকাশে,
মেঘেরা সব দল বেঁধে।
হাওয়ায় হাওয়ায় চলছে যেন,
শূন্যতায় ভেসে ভেসে।
শনৎ মানে নদীর বুকে,
পাল তুলে নৌকা চলে।
দুরের গায়ে পারি জমায়,
মৃদু ঢেউয়ের ছলছলে।
শরৎ মানে হাসনা হেনা,
বকুল ফুলের সুবাস ছড়ায়।
শরৎ মানে নদীর কুলে,
গাঙচিলেরা মেলে ডানায়।
আদরের ছোট্ট খুকু
আদরের ছোট্ট খুকু তারে,
সবাই ভালো বাসে।
স্নেহ ভরে আদর করে,
কোলে নিতে আসে।
মলিন মুখে হাসির ঝলক,
বড় মিষ্টি লাগে।
সোনা মুখে হাসির ঝলক,
আলোর ছোঁয় জাগে।
হাসি খুশি নিত্য নতুন,
আনন্দের ঢেউ খেলে।
তাই না দেখে কে না হাসে,
এমন খুকুমণি পেলে।