শিউলি ফুলের দেশে
শরত রাণী আসলো ছুটে,
শিউলি ফুলের দেশে।
নদীর কুলে শরত রাণী,
দুলছে হেসে হেসে।
হাত ছানি দিয়ে ডাকছে আমায়
এসো আমার দেশে।
সাদা শাড়ি পরে যাই হারিয়ে,
শিউলি ফুলের বেশে।
গাঙ চিলেরা বলছে ডেকে,
ওগো শরত রাণী।
শিউলি ফুলের দেশে তোমায,
লাগছে দারুণ জানি।
প্রজাপতি আর ফুল পাখিরা,
আসলো উড়ে শেষে।
বলছে তারা আবার এসো,
শিউলি ফুলের দেশে।
গীতের ভাপার মেলা
শীতকালে খুব ভোরে মা,
বানায় ভাপা পিঠা।
খেজুর গুড়ের গরম ভাপা,
খেতে দারণ মিঠা।
খোকা খুকু খুব ভোরে
ঘুম থেকে উঠে।
ফুল বাগানের ফুলগুলো সব
রঙিন হয়ে ফুটে।
সুর্য মামা রোদ বিলিয়ে,
আপন মনে হাসে।
দাদু ভাই সুর্য মামাকে,
বেজায় ভালো বাসে।
চারিদিকে কুয়াশা ঘেরা
গীতের সকাল বেলা।
খেজুর গুড় চালের কুড়ো,
শীতের ভাপার মেলা।
টুনটুনি ডাকে টুনটুন
ডাালিম গাছে পাতার ফাঁকে,
টুনটুনি ডাকে টুনটুন।
ভোমরা গুলো বেড়ায় উড়ে,
গেয়ে গান গুনগুন।
দোয়েল পাখি আসলো উড়ে,
ডালিম গাছের ডালে।
টুনটুনি আর দোয়েল মিলে,
নাচছে তালে তালে।
প্রজাপতিরা আসলো এবার,
নানা রঙের ডানা মেলে।
ডালিম গাছের ফুলে ফুলে,
বেড়ায় যেন হেসে খেলে।
ডালিম গাছে পাতার ফাঁকে
টুনটুনি ডাকে টুনটুন।
ছোট্ট খুকু তা-ই না দেখে,
ধরেছে গান গুনগুন।
চারি দিকে জ্বলছে আগুন
চারি দিকে জ্বলছে আগুন,
চলছে আগুনের খেলা।
ঘরে বাহিরে জ্বলছে আগুন,
আগুনের আজব মেলা।
মাঠে আগুন ঘাটে আগুন,
ক্ষেত খামারে আগুন।
শহর বন্দর জ্বলছে আগুন,
জ্বলছে তার দ্বিগুণ।
জ্বলছে আগুন জ্বলছে বাড়ি,
জ্বলছে আজ ঘর।
জ্বলছে আগুন জ্বলছে বেড়া,
জ্বলছে আরও ডোর।
জ্বলছে আগুন ঝলসে মানুষ
জ্বলছে পশু পাখি।
জ্বলছে আগুন চারিদিকে সব,
দেখছে শুধু আঁখি।
প্রতিবাদ করছে না কেউ,
বলছে না তো ফেউ।
প্রতিবাদ করতে গেলে ভাই,
উল্টো তেড়ে ঘেউ।