বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সি ইউ সি খুলনা কর্তৃক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঈদ বস্ত্র বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত খুলনা মেট্রোপলিটন শ্যুটিং ক্লাবের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়িদের পাশে সাত্তার ফাউন্ডেশন অবরোধ থেকে আলোর পথে নরসিংদীর শিবপুরে গনহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ডিমলায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা: তিস্তা থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ গোয়াইনঘাটে দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফায়ার সার্ভিসের মহড়া কবিতাঃ অগোছালো সংলাপ ভৈরবে দরিদ্র পরিবারের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন মো. শরিফুল আলম তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত আইন করার দাবিতে ২০ হাজার নাগরিকের আবেদন

ডিমলায় ঘন কুয়াশা ও হিমশীতল বাতাসে বিপর্যস্ত জনজীবন, তাপমাত্রা নেমেছে ১২ ডিগ্রিতে

Coder Boss
  • Update Time : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১১ Time View

 

মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী

ঘন কুয়াশা, হিমশীতল বাতাস আর কনকনে শীতে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় জনজীবন চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। পৌষ মাসের মাঝামাঝিতেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করায় শীতের তীব্রতা দিনে দিনে বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত থেকে সকাল পর্যন্ত শিশির পড়ছে বৃষ্টির ফোঁটার মতো। সকাল ৯টা পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকছে পুরো এলাকা। দিনের বেলাতেও সড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা যাচ্ছে।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় ডিমলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত এক সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে।
রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য কম থাকায় দিনের তুলনায় রাতে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। প্রচণ্ড ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে মানুষ খড়কুটো ও আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ। ঠান্ডা বাতাসে কাজে বের হয়ে বিপাকে পড়ছেন দিনমজুররা। বিশেষ করে চরাঞ্চলের মানুষেরা শীতের তীব্রতায় ঘরে থাকাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
সকালবেলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, সারারাতের কুয়াশায় পিচঢালা সড়ক ভিজে গেছে। গাছের পাতা, ফসলের ক্ষেত ও ঘাসের ওপর জমে থাকা শিশির বিন্দু টপটপ করে পড়ছে। কুয়াশার মধ্যে শীতবস্ত্র গায়ে জড়িয়ে জীবিকার সন্ধানে ছুটছেন কর্মজীবী মানুষ।
এক অটোভ্যান চালক জানান, সকালে গাড়ি নিয়ে বের হলেও তীব্র শীতের কারণে যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে এক কৃষক বলেন, প্রচণ্ড কুয়াশার কারণে ধানের বীজতলায় কিছুটা ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে তীব্র শীতের প্রভাবে শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ফলে উপজেলার হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে রোগীর চাপ বেড়েছে।
দিনের অধিকাংশ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় সূর্যের তাপ ঠিকমতো ছড়াতে পারছে না, এতে শীতের প্রকোপ আরও বেড়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। রাস্তাঘাট, বাজার ও শপিংমলে লোকজনের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। সরকারি ও বেসরকারি অফিসে উপস্থিতি থাকলেও কাজকর্মে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা।
ডিমলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর সবুর জানান, বর্তমানে শীতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। আগামী কয়েক দিনে কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102