শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
খুলনা আর্ট একাডেমির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি অর্জনে গর্বিত প্রতিষ্ঠান মানবিকতার আলোকবর্তিকা স্পেশাল ব্রাঞ্চের মানবিক সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে ক্লাসিক চেস্ ক্লাবের সম্মাননা কবিতাঃ জীবন কবিতা নিয়ামতপুরে সরস্বতী পূজা উদযাপিত জগন্নাথপুরে গণভোটের পক্ষে উৎসাহিত করলেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক গ্রেটার ইসরায়েল শখ মুছে গেলো! জগন্নাথপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের গণসংযোগ, ভোটারদের ব্যাপক সাড়া বিদ্যুৎ ফাউন্ডেশন: মানবতার আলোর পথে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহবান শোডাউনের মধ্যদিয়ে প্রচারণা শুরু করলেন তুহিন মোরেলগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত ভিপিকে গণসংবর্ধনা, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন- অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম

আমতলীতে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত, বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ

Coder Boss
  • Update Time : সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫২ Time View

 

মাইনুল ইসলাম রাজু, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

 

বরগুনার আমতলীতে গত দুই দিন ধরে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন ।সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা।উপজেলার অনেক স্থানে দৃষ্টিসীমা ৬০ মিটারের নিচে নেমে এসেছে।সারা দিনেও সূর্যের দেখা মিলছে না।গ্রাম অঞ্চলের বাসা বাড়িতে দেখা গেছে শীতে কাবু মানুষরা শীত নিবারনের জন্য খড়কুটা জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছে।
ঘন কুয়াশার কারণে সড়কগুলো ভিজে পিচ্ছিল হয়ে গেছে।ফলে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে যানবাহন।সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতের তীব্রতা।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় আমতলীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২দশমিক ১০ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে কলাপাড়া আবহাওয়া অফিস।
তীব্র শীতওঘন কুয়াশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। জীবিকার তাগিদে বের হওয়া শ্রমিক ও যানবাহন চালকরা বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
দিনমজুর হাফিজ বলেন,এই দুই দিন যাবৎ কাজে যেতে পারছিনা।দুই দিন সূর্যের মুখ দেখতেপারিনি।কুয়াশায় কিছুই দেখা যায়না। আমার মতো অনেকেই কাজে যেতে পারছেনা।
উপজেলার চাওড়াইউনিয়নের চন্দ্রা গ্রামের হাসান মাদবর বলেন,এই ক’দিন ধরে প্রচুর শীত পড়ছে।একারনে আমাদের এলাকায় গলা ব্যাথা,কাশি,সর্দি বেড়ে গেছে।
ছুরিকাটা গ্রামের আবুল হোসেন বলেন,শীতে কারনে ঘরথেকে বের হতে পারছিনা।সবচেয়ে বড় বিপাদে পড়েছে গ্রামের কৃষকরা অনেক গৃহস্থলি বাড়ী ধান সিদ্ধ করেছে সারা বছরের চাল তৈরি করার জন্য । কিন্তু সূর্যেও দেখা না মিলায় ধানচাল নষ্ট হওয়ার পথে বসেছে।
আমগড়াগাছিয়ার টুনটুনি বেগম বলেন, শীত আর শীত ঠান্ডার কারনে ঘর থেকে বের হতে পারছিনা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102