খোকার নতুন বই
জানুয়ারির এক তারিখ খোকা,
পেল নতুন বই।
নতুন বই পেয়ে খোকা,
মহা খুশি অই।
নতুন বইয়ের ঘ্রাণ পেয়ে,
নাওয়া খাওয়া ভুলে।
সারা টা পড়ে খোকা,
নতুন বই পড়াখুলে।
নতুন বই খোকার মনে,
ইচ্ছে জাগায় খুব।
অনেক বড় হবো আমি,
থাকবো না আর চুপ।
লেখা পড়া শিখে আমি,
হবো জ্ঞানী গুণী।
দেশের কথা দশের কথা,
আমি যেন শুনি।
খোকা গভীর মনোযোগে
পড়ে নতুন বই।
খোকা দারুণ মানুষ হবে,
স্বপ্ন জাগে অই।
স্বাধীন দেশে থাকি আমি
স্বাধীন দেশে থাকি আমি,
স্বাধীন ভাবে চলি।
স্বাধীন ভাবে মনের কথা,
ইচ্ছে মতো বলি।
স্বাধীন ভাবে যেথায় খুশি,
সেথায় আমি ঘুরি।
স্বাধীন ভাবে নিরাপদে,
আমি বাড়ি ফিরি।
ন্যায়ের পক্ষে স্বাধীন ভাবে,
স্বাধীন লড়াই করি।
অন্যায়কে স্বাধীন ভাবে,
আমি তুলে ধরি।
স্বাধীন দেশে ঘুমাই আমি,
স্বাধীন আয়েশ করে।
স্বাধীন ভাবে স্মৃতি ছবি,
স্বাধীন ভাবে মনে পড়ে।
স্বাধীন ভাবে স্বপ্ন দেখি,
বড় হব অনেক।
স্বাধীন ভাবে দুঃখ গুলো,
ছুঁরে ফেলি ক্ষনেক।
শীত কাটে কতো কষ্টে
শীতে কাটে কতো কষ্টে,
গরীব দুঃখি মানুষের।
সারাদিন মান কুয়াশা ঢাকা,
যায় না দেখা সূর্যের।
কন কনে শীত পরছে খুব,
গাও কাপে থরথর।
চারি দিকে কুয়াশা ঘেরা,
শীত পরে যে দরদর।
গরম গরম নাই কাপড়,
নাই কম্বল চাদর।
হার কাঁপানো এই শীতে,
কেউ করে না আদর।
সূর্য মামা হয় গোসা,
দেয় না কোন রোদ,
কঠিন হয়ে থাকে মামা,
তাকিয়ে থাকে খোদ।
কতো কষ্টে দিন কাটে,
রাত কাটে ফির।
জামা কাপড় নাই তো আবার,
ভাঙা তার নীড়।
ময়না পাখি
খাঁচার ভেতর বন্দি আছে,
একটা ময়না পাখি।
একা একা থাকে সেথায়,
একলা উঠে ডাকি।
দিন রাত কেটে যায়,
একলা ঘরে বসে।
গভীর ভাবে ভাবে পাখি,
জীবনের হিসেব কষে।
ময়না পাখি বলে ডাকি,
তোমরা শোনো ভাই।
বন্দি খাঁচায় থাকি আমি,
সুখ কভু নাই পাই।
তার চেয়ে ভাই খাঁচার,
দোর দাও না খুলে।
বনের পাখি যাই বনে,
সকল দুঃখ ভুলে।
ময়না পাখির কথা শুনে,
দয়াল দিল পাখি ছেড়ে।
মনের সুখে উড়াল দিলো,
ডানা দুটি ঝাঁপটি মেরে।
বড় বাবু রবিউল
বড় বাবু রবিউল,
নামে যেন দুল দুল।
গায়ের গরন ফর্সা,
শরীর তার তুলতুল।
বড় বাবু রবিউল,
সেবাদানে মশগুল।
সততা নিষ্ঠাবান,
প্রশংসায় ভরপুর।
বড় বাবু রবিউল,
নামে সে দুল দুল।
নাম তার সঠিক যেন,
একদম ফুল ফুল।
বড় বাবু রবিউল,
কাজে থাকে ব্যস্ত।
তাঁর উপর অর্পিত,
অনেক কাজ ন্যাস্ত।
বড় বাবু রবিউল,
নামে যেন দুল দুল।
কর্তব্য পালনে তার,
নাই তো কোনো ভুল।