
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
কতোবার তোমার প্রেমে পড়েছি
তোমাকে নিজহাতে নিজের করে গড়েছি!
রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতার “অমিত” ভেবেছি
লাবণ্য হয়ে বিচ্ছেদের কথা ভেবে প্রমোদ গুনেছি!
তুমি শান্ত এক গম্ভীর, উচ্চাভিলাষী লোমশ বক্ষের নর
সঞ্চিতা পাতা খুললে তোমায় পাই, তুমি আপন হয়েও করে দাও পর!
বছর ঘুরে কোন শিশির ভেজা হেমন্তে, হয় যদি দেখা তোমার সনে
অগ্রহায়ণী কোন ধানকাটা মৌসুমে, পড়বে কি আমায় মনে ?
হেমন্তের না ফোটা প্রসূন কুড়ির অকাল মৃত্যু আমায় ব্যথিত করে
সে উত্কলিকা পায়ে দললে ব্যথিত করতে, থরে থরে!
তোমার থেকে অবাঞ্ছিত হয়ে ঝরে যাবো, ভাবিনি কোন কালে
ইচ্ছে ছিলো মরবো শেষ জীবনে, মাথা রেখে তোমার কোলে!
সমুদ্রের বুকে আছড়ে পড়া জোছনায়, ঘুরেছি কত হাত ধরে
মানসিক সুখ পেতে নিজের কবর নিজেই খুঁড়েছি অগোচরে!
তোমাকে আঁচলে জড়িয়ে কি ভুল করেছিলাম
মনে হয় আজ, ভুলের মাসুল জীবনভর দিলাম!
তোমার হৃদয় দুর্ভেদ্য দূর্গ আমি ভাঙতে পারি নাই, শত কারিগরি আয়োজনে
আমি ব্যবহৃত হলাম শুধু তোমার, স্বার্থের প্রয়োজনে !
সময়ের আবর্তনে বদলে গেলো তোমার প্রণয় প্রতিশ্রুতি সব
থেমে গেলো জীবন বসন্তে, কোকিল কুটুম পাখীর সব কলরব !