
লেখক: এম, এ, মাসুদ মিঞা
অন্যায়কারী ও সহ্যকারী সমান অপরাধী হয়ে উঠে এবং বাঁধা না পেয়ে ক্রমশ,
সে সমাজের, প্রতিষ্ঠানের ও দেশর জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়।
সহিষ্ণুতা কিংবা ক্ষমা মহৎ গুন। তাই বলে অন্যায় কারীকে
অবাধে ক্ষমা করার মধ্যে কোন মহত্ত নেই আছে দূর্বলতা ও
ভীরুতা।
এ জন্য যারা সহিন্ঞুতা কিংবা ক্ষমার নামে অন্যায়কে সহ্য করে ও ইন্ধন দেয় তাদের অপরাধ অন্যায় কারীর চেয়ে কম
নয়।তারা উভয়ই সমান অপরাধী। কারন তারাই অন্যায় কারীকে ইন্ধন দিয়ে দুঃসাহসী করে তোলে।কিন্তু তারা যদি
অন্যায়কে সহ্য না করে প্রতিরোধ করতো তা হলে
অন্যায়কারী ভয়ে পিছিয়ে যেত। অন্যায় কারীর সকল স্পর্ধা
স্তব্ধ হয়ে যেত। এজন্য যারা অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় সমাজ তাদের ক্ষমা করতে পারে না।কারন তারাই অন্যায় কারীকে
প্রশ্রয় দিয়েই দুঃসাহসী করে তোলে। জার্মান দার্শনিক গ্যাটে
বলেছেন ”যখনই তোমার পাশে কোন অন্যায় অত্যাচার সংঘটিত হয় যদি তুমি সেই অন্যায়ের বিরোধিতা না কর
তা হলে তুমি তোমার কর্তব্যের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা
করলে।
ইসলাম ধর্মে অন্যায় অবিচারের প্রতিরোধে অবতীর্ণ হওয়াকে
ফরজ কাজ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ইসলাম শান্তি ও সহনশীলতার ধর্ম, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে জেহাদে অবতীর্ণ হওয়াকে ফরজ ঘোষণা করা হয়েছে।
যে ক্ষমা দূর্বলতার পরিচায়ক, সে ক্ষমা বান্ঞ্চনীয় নয়,তা
অন্যায়েরই নামান্তর। তাই যে অন্যায় করে এবং যে অন্যায়
সহ্য করে, অন্যায়কে উস্কে দেয় উভয়ই নিন্দিত , ঘৃনিত, ও
অপরাধী। উভয়কেই প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের মাধ্যমে রুখতে
হবে। তা হলেই সমাজ অন্যায় মুক্ত, প্রতিষ্ঠানের সুনাম, ব্যক্তির
যশ, সত্য ও সুন্দর হয়ে উঠবে। ইসলাম ধর্মে আছে ”যদি তুমি
কোনো অন্যায় করতে দেখো তুমি শক্তি দিয়ে বাঁধা দাও বাঁধা
দাও, যদি শক্তি না থাকে তাঁকে বুঝাও, তাও যদি না পারো মনে মনে ঘৃনা করো।