কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
এ ধরা বড়োই স্বার্থপর
স্বার্থ উদ্ধার হলে কেউ ধারে না কারো ধার!
প্রয়োজন শেষে কেউ কাউকে করেনা সন্মান
মনে রাখে ততক্ষণ, যতক্ষণ প্রয়োজন!
মা-বাবা বড়ভাই, যার শ্রমে মুখে ফোটে হাসি
দায় ফুরালে, হয়ে যায় সব সম্পর্ক বাসি!
জীবন যৌবন এ দেহ, যাদের জন্য করবেন ক্ষয়
তটিনী পার শেষে নাইয়া কারো আপন নয় !
সব ঘর ঠিকানা পায়না
সব শ্রম কৃতজ্ঞতায় মূল্য পায়না!
তবু কেউ দেয় শ্রম অকাতরে, অন্যরা ভালো থাকে
এজন্যই বিহগ বিহগী বাসা বাঁধে তরু শাখে!
অদ্ভুত নিয়মের বেড়াজালে মানুষ আবদ্ধ
মানবতা মনুষ্যত্ব কেউ দেখায়, প্রয়োজনে প্রিয় জন সদা অন্ধ !
মা-বাবা যায় বৃদ্ধাশ্রমে, বড়ভাই য়ের শ্রম সদা অস্বীকার
এ সমাজে এমন টাই মানুষের চিরাচরিত বিকার!
ঘাম ঝরানো সংসার গড়া মানুষ টা
ভেসে যায় অনেক দূরে যেন স্রোতে ভাসমান খড়কুটা!
প্রকৃতি তাকে মনে রাখে, কবরে ও যখন আপন জনের পড়ে না পদচিহ্ন
কবর চিতা সবুজ ঘাস ঢেকে দেয়, প্রকৃতির কৃতজ্ঞতা ভিন্ন !
কবরে শ্রদ্ধা জানায় আম-জাম কদম পত্র পল্লব বহুত আদরে
ভোমরা বোলতা বিহগ বিহগী গান শুনায় অতি কদরে,
সন্ধ্যায় ঝিঝি পোকা ডেকে সাহস দেয়, জোনাকি সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালায়
সন্ধ্যা তারা বলে আমি আছি, সপ্ত আসমানে সে অকৃতজ্ঞের বিরুদ্ধে ফরিয়াদ জানায়!