
অপরাধী এখনও বুক ফুলিয়েই চলছে ;
কারণ কানুন অন্ধ.. আইন আছে ঠিকই..
তবে আইনের সঠিক প্রয়োগ মোটেও নেই!
বিচারপ্রার্থী দিনের পর দিন হয়রান হচ্ছে।
ন্যায়বিচার পাওয়া এখানে ঘোড়ার ডিম কিংবা
সোনার হরিণ সমতুল্য যেন অসাধ্য আজ।
তাই হাজারো অন্যায়-অত্যাচার করেও
নির্বিঘ্নে বিচারহীন পার পেয়ে যায় নরপিশাচ
খুনি অপরাধী ইবলিশ শয়তানের দল।
রক্ষকও ভক্ষক বটে.. বিচার পাবো কোথায়?
তবে কোথায় যাবো আর আমরা সাধারণ?
আইন বলে.. নিজের গতিতেই চলে.. তাহলে
যে আইন-কে চালায়; তবে আসলে সে.. কে?
তাই প্রশ্ন আমার কানুন কি নিজে নিজেই চলে?
আদালতে ঘুরে ঘুরে জুতো জোড়া শেষ!
দেশে দেখি আর বুঝি নাই ইনসাফ নাই।
ন্যায়বিচার চেয়ে, পাইলাম অবিচার,
মিথ্যার তেজে, সত্যের ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই।
মশা আর মাছি ফেঁসে যায় আইনের জালে,
বেরিয়ে যায় অনায়াসে.. অজগর সাপ যে..
সত্যের জয় কই? এ কেমন বিচার-ব্যবস্থা?
দুর্নীতিগ্রস্ত আমলা, দেশের করুণ দুরবস্থা!
ন্যায়-আইনের শাসন করে না তো প্রশাসন।
লিখে লিখে ভুক্তভোগী তাই আমি বলি;
আঙুল উঁচিয়ে আকাশে.. এখানে নয়—
ওখানে— ন্যায়বিচার পাওয়া যেতে পারে,
তবে তা দেরি আছে.. কিন্তু এখানে ইনসাফ
মোটেও আশা করো না.. আর কবি।।
১৭.০১.২০২৬