শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
খুলনা আর্ট একাডেমির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি অর্জনে গর্বিত প্রতিষ্ঠান মানবিকতার আলোকবর্তিকা স্পেশাল ব্রাঞ্চের মানবিক সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে ক্লাসিক চেস্ ক্লাবের সম্মাননা কবিতাঃ জীবন কবিতা নিয়ামতপুরে সরস্বতী পূজা উদযাপিত জগন্নাথপুরে গণভোটের পক্ষে উৎসাহিত করলেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক গ্রেটার ইসরায়েল শখ মুছে গেলো! জগন্নাথপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের গণসংযোগ, ভোটারদের ব্যাপক সাড়া বিদ্যুৎ ফাউন্ডেশন: মানবতার আলোর পথে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহবান শোডাউনের মধ্যদিয়ে প্রচারণা শুরু করলেন তুহিন মোরেলগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত ভিপিকে গণসংবর্ধনা, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন- অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম

ধর্ম অবমাননার প্রতিবাদ করায় কবি এম.কে. জাকির হোসাইন বিপ্লবীর ওপর বর্বর হামলা, হামলাকারীকে পাগল বলে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

Coder Boss
  • Update Time : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩১ Time View

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ধর্ম অবমাননার প্রতিবাদ করাই কি এখন অপরাধে পরিণত হয়েছে? নাকি অপরাধীদের রক্ষা করাই প্রশাসনের নীরব নীতিতে রূপ নিয়েছে? রাজধানীতে সংঘটিত এক ভয়াবহ ঘটনা আজ সেই প্রশ্নই সামনে এনে দিয়েছে।
গত ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকাল ১টা ৫০ মিনিটে পল্টন মেট্রোরেল স্টেশনের সিঁড়ির পাশে প্রকাশ্যে এক ব্যক্তি টুপি পদদলিত করে এবং ইসলাম ধর্মকে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কবি এম.কে. জাকির হোসাইন বিপ্লবী এই অন্যায়ের প্রতিবাদ জানান। পথচারীদের সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে কারণ জানতে চাইলে সে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
তদন্তের স্বার্থে কবি জাকির যখন স্মার্টফোন হাতে নেন, তখনই হামলাকারী তার ওপর হিংস্রভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রথম আঘাতে ফোন ছিটকে পড়ে যায়, দ্বিতীয় আঘাত লাগে সরাসরি চোখ ও মুখে। প্রকাশ্যে রক্তাক্ত হন একজন কবি—একজন সচেতন নাগরিক।
পথচারীরা বাধ্য হয়ে হামলাকারীকে সচিবালয়ের সামনে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু এখানেই ঘটে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা—আইনের মৃত্যু।
পুলিশ হামলাকারীকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ আখ্যা দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ আহত কবিকে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রশ্ন উঠছে—যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে ধর্ম অবমাননা করে, হামলা চালায় এবং একজন মানুষকে রক্তাক্ত করে, সে কীভাবে শাস্তির বাইরে থাকে?
জনতার প্রশ্ন স্পষ্ট— পাগল হলে চিকিৎসা নেই কেন? আর সুস্থ হলে গ্রেপ্তার নেই কেন? আইন কি কেবল ভুক্তভোগীর জন্য?
ঘটনার পর জনতার বিপ্লব ২৪ পত্রিকার উপদেষ্টা, অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট কাজী আলম বলেন, “এটি সন্ত্রাসী হামলা। হামলাকারীকে ছেড়ে দেওয়া মানে অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া। পুলিশকে এর জবাব দিতেই হবে।”
সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এই ঘটনা শুধু একজন কবির ওপর হামলা নয়—এটি ধর্মীয় মূল্যবোধ, মতপ্রকাশের অধিকার এবং আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত।
আজ এম.কে. জাকির হোসাইন বিপ্লবী আক্রান্ত, আগামীকাল যে কেউ হতে পারে।
এখনই প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহিতা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। নচেৎ ইতিহাস প্রশ্ন করবে—অপরাধ যখন রাজপথে দাঁড়িয়ে ছিল, তখন রাষ্ট্র কোথায় ছিল?

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102