
খুলনা অফিস:
খুলনা আর্ট একাডেমির ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ১৬তম ব্যাচের মেধাবী শিক্ষার্থী জয়দ্যূতি সরকার তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩৯তম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২য় এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫তম স্থান অর্জন করে। এই সাফল্য উপলক্ষে জয়দ্যূতি সরকার তার পিতা-মাতার সঙ্গে খুলনা আর্ট একাডেমিতে মিষ্টি নিয়ে উপস্থিত হয়।এ সময় প্রথমে জয়দ্যূতি সরকারের পিতা-মাতাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরবর্তীতে খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস জয়দ্যূতিকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা আর্ট একাডেমির সহকারী পরিচালক শিলা বিশ্বাস, শিশু শিল্পী সৌহার্দ্য বিশ্বাস এবং সম্প্রীতি বিশ্বাস।জয়দ্যূতি সরকারের পিতা সরকারি বাক ও শ্রবণ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্কুল, গোয়ালখালি, খুলনা-এর সহকারী শিক্ষক চিন্ময় সরকার এবং মাতা শশিভূষণ বিদ্যানিকেতন, দৌলতপুর, খুলনা-এর প্রধান শিক্ষিকা রাধারানি।উল্লেখ্য, জয়দ্যূতি সরকারের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে শিল্পচর্চার সঙ্গে যুক্ত। তার পিতা একজন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী এবং বাংলাদেশ বেতারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। পারিবারিক এই শিল্পধারার ধারাবাহিকতায় পিতা-মাতার আদর্শ অনুসরণ করে শিল্পসাধনায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার ফলেই জয়দ্যূতি এই সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলে তার পিতা-মাতা মত প্রকাশ করেন।এ সময় চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস সকলের সামনে বলেন,“জয়দ্যূতি একদিন একজন বড় শিল্পী হয়ে উঠবে এবং শিল্পজগতে নতুন কিছু সৃষ্টি করে দেশের সুনাম বয়ে আনবে।”তিনি সবার কাছে জয়দ্যূতির জন্য আশীর্বাদ কামনা করেন।সফলতার জন্য জয়দ্যূতির পিতা-মাতা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জয়দ্যূতিও চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাসের কাছ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ও দিকনির্দেশনার কথা স্মরণ করে এই সাফল্যের পেছনে যাঁদের অবদান রয়েছে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, বড় ভাই-বোন এবং খুলনা আর্ট একাডেমির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান এবং তাঁদের আশীর্বাদ কামনা করেন। সবশেষে চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস জয়দ্যূতিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “পিতা-মাতার আশীর্বাদ ও গুরুজনদের প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধা রেখে শিল্পসাধনায় এগিয়ে যাও। একজন গুণী শিল্পী হয়ে দেশের সুনাম বয়ে আনো এই আশীর্বাদ রইল।”