কল্পজগতের এক গল্প
যা মনের অজান্তেই লেখা হয়ে গিয়েছিল।
আচমকা এক মুহূর্তে,
তাহার মুখমণ্ডলে পলক পড়িবার মাত্রই
যেন কোনো এক সমুদ্রে উত্তাল পাতাল ঢেউ উঠিয়া ছিল।
ইহাকে বোধহয় খানিকটা ভূমিকম্পের পূর্বসংকেতের মতোই বলা যায়।
মস্তিষ্ক তাহার ভাবনায় নিমগ্ন হইয়া পড়িল।
বড় সাধ জাগিল তাহার কর্ণযুগলে
ভালোবাসি কথাটি বলিবার।
তবে ইহার কি আর সাধ্য আছে?
বামন হইয়া চাঁদের আশা করিতে নেই যে।
আকাশের বুকে যে চন্দ্র, সেও কলুষিত
তবু সে আমার জগতে নিঃকলঙ্কিত চন্দ্র।
ভাবিতে কি আর কারণ থাকিতে হয়?
যাহাকে হৃদয়ে রাখা যায়,
তাহাকে লইয়া ভাবিতে সাত-পাঁচ ভাবিতে হয় না।
প্রহরের পর প্রহর কেটে যায়,
তাহাকে হৃদমন্দিরে আসিয়া
প্রেমভক্তি অর্পণ করার বার্তা
দিতে না পারার যন্ত্রণা
নিউরন মস্তিষ্ককে খুড়ে খুড়ে খায়।
মনে হয় এই বুঝি তাহার আগমন ঘটিল।
হৃদমন্দির দখলের আশায়
কত মানুষ ধ্বংসচুক্তি দেয়,
অথচ যাহার দখলে হৃদয় প্রেরিত হইতে চায়
তাহাকে কি এই জনমে মিলিবে, হায়!