স্টাফ রিপোর্টার:
সমাজের অগ্রযাত্রায় কিছু মানুষ নীরবে কিন্তু দৃঢ়ভাবে আলোর দিশা দেখান। তাঁদের মানবিকতা, সততা ও দায়িত্ববোধ কেবল পেশাগত সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকে না—তা ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের জীবন ও বিশ্বাসের গভীরে। তেমনই এক অনন্য মানবিক ব্যক্তিত্ব হলেন স্পেশাল ব্রাঞ্চ, জগন্নাথপুর জোনে কর্মরত সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, যিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক আচরণ ও ন্যায়নিষ্ঠতার মাধ্যমে সমাজে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।
মানবিকতা ও সততার এই ব্যতিক্রমী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে সম্মাননা প্রদান করেছে ক্লাসিক চেস্ ক্লাব। ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা শাহ্ মাহফুজুল করিম এবং পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে লাল গোলাপ ও আন্তরিক শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাঁর প্রতি জানানো হয় গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। এটি কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং একজন আদর্শ রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তার প্রতি সমাজের পক্ষ থেকে নীরব সম্মান প্রদর্শনের প্রতীক।
মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন তাঁর কর্মজীবনে দায়িত্বের বাইরে গিয়েও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন অসংখ্যবার। সাধারণ মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ, ন্যায়ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মানবিক মূল্যবোধের নিরব চর্চা তাঁকে সবার কাছে একজন বিশ্বাসযোগ্য ও শ্রদ্ধাভাজন কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। প্রশাসনিক কঠোরতার ভিড়েও তিনি মানবিকতার যে দীপ্ত উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন, তা আজ সমাজে আলোচনার বিষয়।
তাঁর ব্যক্তিত্বে দৃঢ়তা ও কোমলতার এক অনন্য সমন্বয় স্পষ্ট। দায়িত্ব পালনে তিনি আপসহীন, আবার মানবিক প্রশ্নে সংবেদনশীল—এই ভারসাম্যই তাঁকে একজন আদর্শ রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তার পরিচয়ে আলাদা করে তুলেছে।
ক্লাসিক চেস্ ক্লাব মনে করে, রাষ্ট্র ও সমাজের প্রকৃত অগ্রগতি তখনই সম্ভব, যখন দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকা মানুষরা নৈতিকতা ও মানবিকতার আলোয় পথচলা নিশ্চিত করেন। মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সেই আলোকবর্তিকারই প্রতিচ্ছবি, যিনি নীরবে কিন্তু দৃঢ়ভাবে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
এই সম্মাননা তাঁর ভবিষ্যৎ পথচলায় আরও সাহস ও প্রেরণা জোগাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত জীবনে আরও সাফল্য দান করেন—এই কামনায় ক্লাসিক চেস্ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা শাহ্ মাহফুজুল করিম ও পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে পুনরায় জানানো হয় আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।