
স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেলে তিস্তা অঞ্চলের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়ন করা হবে—ইনশাআল্লাহ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় নীলফামারীর ডিমলা ও লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার মধ্যবর্তী ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ সংলগ্ন হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বুড়িমারী থেকে রংপুর পর্যন্ত মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে। উত্তরাঞ্চল যেহেতু কৃষিনির্ভর, তাই এখানে কৃষিভিত্তিক শিল্প-কারখানা গড়ে তোলা হবে—যাতে স্থানীয় কৃষকের উৎপাদিত পণ্য সহজে দেশব্যাপী বাজারজাত করা যায়।”
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে তিনি বলেন, “অবৈধ উপার্জনের দিন শেষ। যারা সংশোধিত হয়ে ফিরে আসবে, তারা সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। আর যারা অপরাধে অটল থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা অপরাধের লেজ ধরে টান দেব না—কান ধরে টান দেব। মাথা ঠিক হলে শরীর ঠিক হয়। গত ৫৪ বছরে জনগণের সম্পদ লুটপাট হয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষ তার ন্যায্য প্রাপ্য পায়নি।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, তরুণদের নেতৃত্বে যে পরিবর্তনের আন্দোলন সফল হয়েছে, তারাই দেশকে নতুন পথে এগিয়ে নেবে। আমরা চাই দালালমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, মামলাবাজমুক্ত, ব্যাংক ডাকাতমুক্ত ও ঋণখেলাপিমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন,আমরা আগেই দেশের জনগণ গণভোটের পক্ষে ছিল, তবে অনেকে সেটা এখন বুঝে গত ভোটের পক্ষে প্রচার করতেছে, তাদের সুবুদ্ধি হয়েছে।