সাবিত রিজওয়ান
খুব টেনশন হয় আমার। আমি মারা গেলে আপনারা কি আমার বাবা-মায়ের যত্ন নেবেন? আপনারা কি তাদের সন্তান হয়ে দাঁড়াবেন? কখনো কি তারা আপনাদের কাছে বোঝা বা আপদ মনে হবে?
আমি বুঝি আমার আর্তনাদ। বুঝি ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে থাকার যন্ত্রণা। বুঝি এই ভয়টা, যে আমি মরার দুদিন পরই যদি আমাকে ভুলে যান, যদি ভুলে যান আমার বাবা-মাকে, যদি ভাবেন “তাদের সেবা করে আমার লাভ কী।” আমি সরাসরি পা ধরে আবেদন করিনি, কিন্তু এই লেখাটার অনুভূতি ঠিক পা ধরার মতোই।
ভেতরে ভেতরে খুব কষ্ট হয়। তখন মনে হয় সবাই স্বার্থপর। তবু আবেদন করে যাই। হৃদয়টা ক্ষত হয়ে গেছে। কত অসুস্থতা ভোগ করতে হয়। মাঝরাতে ইচ্ছে করে গলায় দড়ি দিই। কাঁদতেও পারি না, কাঁদার সুযোগ খুঁজি।
জীবনটাই ব্যর্থ মনে হয়। গরীবের যেন কোনো স্বপ্ন নেই। হাসি কত আগেই হারিয়ে গেছে। বাবা-মায়ের যত্ন নিতে পারিনি, উল্টো তাদের অনেক কষ্ট দিয়েছি।