
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
জীবনের গোধূলিলগ্নে এসে, সন্যাসীর বেশে
তোমার সাথে হয় যদি দেখা অবশেষে?
সেই খরস্রোতা পয়স্বিনী মধুমতির পাড়ে
যদি সেথা দেখি জটা ধারী এক নারী , তাকায় আড়ে আড়ে!
গোঁফদাড়ি ঝাকড়া চুল, যেন, এ-যুগের রবি নজরুল, ধনচে ক্ষেতের পাশে
পলি বাহী ঘোলা জলের ঢেউ ভাঙা ভাদ্র মাসে!
কাশবন হোগলা ক্ষেত দুপাড়ে ডুবুডুবু জোয়ারে
ভাটায় কাঁদার সর মাখা সাদা পলাশ, আবার জেগে ওঠে বাহারে!
গাঙচিল ছো মেরে মাছ ধরে অবিরাম নিরন্তর
তুমি-আমি হারিয়েছি জীবন থেকে জীবন জোয়ারে, অনেক বছর!
এখন ও কি ঘরবাঁধা র আছে সময়, মধুমতির কূলে
আজ-ও কি আছে সে সমাজ পতি, চিনবে তারা তোমা আমা ভূলে?
আবার ওকি চুলের মুঠি ধরে নিয়ে যাবে তোমায়, নিজ ঘরে
আমার হাড্ডি গুলো গুড়ো করে মৃত্যু ভেবে ফেলে যাবে শৈবলিনী র চরে?
রাতের আঁধারে, নদী পাড়ে মাছধরা জেলে, পায়ে ঠেলে ফেলে দেবে জলে
জল আমায় আবার জীবন দিবে কৌতুহলের ছলে !
আজ-ও কি বিশ্বাস শেখের বংশ লড়াই আছে, তোমার আমার গায়
তাই তো মাঝি সেজে এতবছর ভেসে ভেসে, কাটালাম নায়!
যৌবন কাল গেছে চলে, দীর্ঘ জীবন করেছি একাকিত্বে পার
তবু ও মধুমতির সে ঘাট ছাড়িনি, মনে আশা, এ ঘাটে পাই আমি তোমায় আবার ?