রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ আমরা মাতৃভাষায় কথা বলছি: এমপি কয়ছর আহমেদ মোরেলগঞ্জে নবনির্বাচিত এমপি অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীমকে গণসংবর্ধনা, মাদক-সন্ত্রাসে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা কবিতাঃ কবির উপকরণ একুশের প্রথম প্রহরে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ সিলেটের বিশ্বনাথে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন ভালোবাসা চাই, ভালো বাসা চাই, ভালো ভাষা চাই একুশে ফেব্রুয়ারি: রক্তে লেখা মাতৃভাষার শপথ ডিমলায় ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে জামায়াতের দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ আবুল কালাম তালুকদার’র দুটি কবিতা

ড. ইউনূসের রাজত্ব কাল!

Coder Boss
  • Update Time : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২১ Time View

লেখক: ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম

বাংলাদেশ নামক “ব” দ্বীপটা ভালোই চলতে ছিলো, একবার আওয়ামীলীগ একবার বিএনপি!
গনতান্ত্রিক পদ্ধতি যতোটুকু ছিলো “আব্রাহাম লিংকন” অনেকটা অখুশি ছিলেন না কবরে শুয়ে! কখনও দু’দলের মতিভ্রম হয়েছে ক্ষমতা না ছাড়ার, চমৎকার তত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বিশ্বের একটা রোল মডেল ছিলো! ফখরুদ্দিন মঈনুদ্দিন গনতান্ত্রিক সরকারের বোকামিতে ক্ষমতায় এসে সুযোগ করে দিলো “তত্বাবধায়ক সরকার” পদ্ধতি বাতিল করে দিতে। যুক্তি মন্দ ছিলো না, অনির্বাচিত সরকার এসে কেন রাজনীতিকদের পিটিয়ে মাজা ভাঙবে! কে দায়ী, বেগম মরহুম খালেদা না-কি বর্তমান প্রবাসী শেখ হাসিনা! এসব চুল চেরা বিশ্লেষণ আমার বিষয় না!

প্রিয় পাঠক, অমুক্তিযোদ্ধা, দেশপ্রেমহীন একজন ডঃ ইউনূস অর্থ-বিত্তের জোরে বিদেশি লবিং করে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি কে ক্ষমতাসীন দলের ভিতর ঢুকিয়ে একদিন সর্বশরীরে হাজির হলেন বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদে! তিনি এলেন জয় করলেন এবং বিমান গতিতে চলয়মান বাংলাদেশ কে তলাবিহীন ঝুড়ি করে দিতে সমর্থ হলেন! তাকে ভিলেন বলেন, যত কুরুচিপূর্ণ অব্যয় আছে ব্যবহার করুন কিন্তু তিনি কৃতকার্য হয়েছেন! ১৯৭২ সালে “বঙ্গবন্ধুর” কাছে নিক্সন কিসিঞ্জার যা পান নাই, শেখ হাসিনা যা দেন নাই তা আমেরিকা পেয়েছে ডঃ ইউনূসের মাধ্যমে। ২০৩০ সালে উন্নত দেশের কাতারে যাওয়া দেশটা আজ ইথিয়পীয়া বা হাইতির বুরুন্ডির মত একটা দেশ এখন! যে দেশের প্রধানমন্ত্রীর গাড়ীর দরজা খুলে দিয়েছিলেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং সেই ১৯৭২ সালে, যে দেশের প্রধানমন্ত্রীর বসা চেয়ারের নিচে মেঝেতে হাটু গেড়ে বসে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেছিলেন, “শিখতে চাই এত দ্রুত কিভাবে বাংলাদেশ কে বিশ্ব কাতারে নিয়ে এলেন, আপনি বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল!”

এরশাদ সরকারের পর তত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচনে ১৯৯০ সালে “বেগম খালেদা জিয়া” ক্ষমতায় এসে মহা অর্থনৈতিক রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিলেন! আজ ও তার সন্তান “তারেক জিয়া” প্রধানমন্ত্রী হয়ে আর-ও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে! সম্ভাবত ২০০১ সালে খালেদা জিয়া সন্ত্রাসী নির্মূল করতে R A B গঠন করেন, শেখ হাসিনা সে-ই R A B সাথে নিয়ে নির্মূল করেছিলেন সন্ত্রাসী!
আজ সব সন্ত্রাসী ডঃ ইউনূস ছেড়ে দিয়ে গেছেন বাংলাদেশ নাম সবুজ দেশটাকে লাল করার জন্য! পাকিস্তান থেকে শীপ ভর্তি করে AID এর নামে যা কিছু এনেছেন, সে আগ্নেয় অস্ত্র বিব্রত করবে “প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার” দেশশাসন কালে সময়ে অসময়ে!

ডঃ ইউনূস সাহেব যে উপকার টা করে গেছেন তা আমি একজন ক্ষুদ্র লেখক হিসাবে অকৃতজ্ঞ হতে পারি না!
১. বাংলা ভারত কেনে না, ১৯৬৫ সালে অরক্ষিত পূর্ব পাকিস্তান তারা দখল করে নাই, ১৯৭২ সালে মুজিবের এক বাক্যে ইন্দিরা গান্ধী ভারতীয় সৈন্য ফেরত নিয়েছেন, বাংলাদেশ কেনার জন্য ১৯৭১ থেকে আমেরিকা ওঁৎ পেতে ছিলো সেই রাশিয়ার কাছ থেকে আল আকসা দ্বীপ কিনে স্বর্ন খনি পেয়েছিলো, বাংলাদেশে ও একই লোভে!
২. সবাই আমেরিকার কাছে বিক্রি হয়, শেখ মুজিব এবং তার বেটি কে কেনা যায় না। ২০০১ সালে ভারতের পক্ষে আমেরিকা ওকালতি করেও বিবিয়ানার গ্যাস ভারতে হাসিনা দেন নাই!
৩. আওয়ামীলীগ সরকারের প্রশাসনে কোনদিন সূক্ষ্ম মনিটরিং ছিলো না আভ্যাম্তরীন বা আন্তর্জাতিক, তা স্পষ্ট। সাংসদরা উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যানরা জনগণের রোষানলে পড়ছেন, জনগণ কে অতিষ্ঠ করে সরকারের বদনামি করছে, গ্রাস রুট পর্যন্ত সাংসদদের নজর রাখার দরকার, লাভাংশের ভাগ নেয়া নয়! তাই সাংসদরা সরকারের আসল অংশ! বৈদেশিক ষড়যন্ত্রের কোন মনিটরিং মোটেই ছিলো না, বাই ডেন স্যার এক সেলফি তুলেই বাজিমাৎ, পিটার হাস কি করছেন কেন করছেন তা মনিটরিং সেল নাই! গোয়েন্দা সংস্থা সরকারের না-কি আমেরিকার তা সরকার নিজেই জানতেন না!
৪. এদেশের জনগন বাংলাদেশের উন্নয়ন বোঝে এবং রাজনীতিবিদদের ভালোবাসে, কিন্তু শিক্ষিত এক শ্রেনী বিরাট আহম্মক। আমার ব্যাংক ম্যানেজার বন্ধু থেকে ডবল এমআরসিপি ডাক্তার ভাইয়ের চিন্তাধারা দেখে মনে হয়েছে তারা বাংলাদেশের মহা বোকা অথবা জ্ঞান পাপি। ডাঃ ভাই ফোন করে হন্তদন্ত, জিজ্ঞেস করলেন রাত গভীরে, “কি হবে, বিএনপি হ্যা ভোটের শপথ নিলো না!!” হ্যা ভোট মানে ১৯৭১ এর স্বাধীনতা, ‘৭২ ডঃ কামাল ব্যারিস্টার আমীর, বঙ্গবন্ধু ভাসানী মনিটরিং সংবিধান অস্বীকার, ১৯৭১ স্বাধীনতা অস্বীকার, ব্যাক টু পাকিস্তান, তা তিনি বঝেন না, এনজিও চালানো “বদিউলের” সংবিধান সংশোধন তার পছন্দ। আমার এমন প্রিয় ভাইটা, বন্ধু ব্যাংক ম্যানেজার বুঝেন না ইউনূসের উপদেষ্টা বলেছেন, গত সরকার দেশ ত্যাগের আগে বৈদেশিক লোন ছিলো, ২ লক্ষ কোটি টাকা, ১৮ মাসে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাড়িয়েছে ২৩ হাজার কোটি টাকা!
আমার মৃত্যু বাবাকে ধন্যবাদ দিলাম তিনি আমাকে ডবল এমআরসিপি করান নাই, দেশকে ভালোবাসতে তো শিখিয়েছেন!
৫. ডঃ ইউনূস একটা নির্বাচন দিয়ে দেখিয়েছেন, এদেশে ধর্মীয় দলগুলো কিভাবে ক্ষমতায় যেতে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করতে পারে! কোন ধর্মীয় দল এদেশে আছে কি নাই তা ভাআার সময় এসেছে ?
৬. স্বাধীনতার কয়েক ডজন ঘোষক বেরিয়েছে, কর্নেল অলি সহ কয়েকজন মাওলানা ও!
৭. বাংলাদেশে ভারতের ২৬ লক্ষ লোক চাকুরী করে তা মিথ্যা ছিলো, কয়েকশত অবৈধ চুক্তি ভারতের সাথে তা মিথ্যা, আসিফ নজরুল দের মত মিথ্যা রটনাকারী কে সরকার চ্যালেঞ্জ কেন করেন নাই তা আজ-ও প্রশ্ন রয়ে যায়! ইলিশ পাঠানো বন্ধ হয় নাই বরং ডবল হয়েছে, বিদ্যুৎ আদানি গোষ্ঠীর থেকে দ্বিগুণ দামে কিনলেন ডঃ ইউনূস, ট্রান্সশিপমেন্ট, শিপ মেন্ট ভারত রুট মোটেই অবৈধ ছিলো না!
৮. জনগণ বুঝতে পেরেছে রাজনৈতিক সরকার ই আসল দেশপ্রেমিক!
৯. আমেরিকার ১৯৭৫ সালে খন্দকার মোশতাক কে নির্ভয়ে দিয়েছিলো, প্রাইভেট বিমান পাঠানো হবে RESCUE করার জন্য, আমেরিকান এ্যাবেসিও তার নিরাপত্তা দিবে সেখানে আশ্রয় নিলে! ডঃ ইউনূস সাহেব কি এমন মার্কিন আশ্বাসের বাইরে?
১০. গত ১৮/১৯ মাস বাংলাদেশে বেইলি রোডের নাটক মঞ্চায়নের মত কয়েক শত নাটক মঞ্চায়ন হয়েছে জনগন কে ধাঁধায় রাখার জন্য। ডঃ ইউনূস যা বলছেন তার পরিষদ তার বিরুদ্ধে বলছেন, মাননীয় সেনাপ্রধান যা বলেছেন তাতে আশ্বাসের ঝর্ণা বয়ে গেলেও প্রতিফলন আসে নাই।

ডঃ ইউনূস আওয়ামীলীগ কে শিখিয়ে গেলো রাজাকে রাজনীতি জানলে হয় না, কূটনীতিক হতে হয়, এমন সাধারণ সম্পাদক দলে নিতে হয় যিনি টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পায়ে হেটে যেতে পারেন।

মনিটরিং রাখতে হয় গ্রাস রুট থেকে আন্তর্জাতিক ভাবে, সাংসদরা জনগণের সুখদূখ দেখবে ঠিকাদারের সাথে ইউপি চেয়ারম্যানদর লুটপাট টাকা ভাগ খাবে না! ছাত্র নেতারা পয়সায় স্বাধীনতা বিরোধী ঢুকানোর দায় কার? বুয়েট ছাত্র আবরা হত্যা, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শত ছাত্র অনিচ্ছায় দেহদানে বাধ্য, কার দেখার দায়িত্ব, খেলা হবে “কোন রাজনৈতিক ভদ্র শ্লোগান ” এসব মনিটরিং না থাকা ইউনূস চোখে আঙুল দিয়ে “মব রাজত্ব”করে শিখিয়ে গেছেন!

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102