সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিশ্বনাথের লামাকাজি ইউনিয়নে সোনাপুর চ‍্যারিটি গ্রুপের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটে ঝাড়ু হাতে সড়ক, হাসপাতাল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিস্কার করলেন সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাত ‎শোলাকিয়া ঈদগাহে ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাতের প্রস্তুতি সভায় সিদ্ধান্ত জামায়াত হবে সকাল ১০টায় ‎রাতের আঁধারে প্রবাসীর শতাধিক মেহগনি গাছ কেটে দিলো দুর্বৃত্তরা স্থানীয়দের ক্ষোভ পবিত্র মাহে রমজান মহাকাশ গবেষণায় বাংলাদেশের সাত শিক্ষার্থী প্রথম স্থান অর্জন করায় খুলনা আর্ট একাডেমির পক্ষ থেকে অভিনন্দন শাল্লায় অগণতান্ত্রিক শিক্ষক সমিতি গঠনের প্রতিবাদে প্রেস কনফারেন্স  শ্যামল বণিক অঞ্জন’র দুটি কবিতা সি ইউ সি সংগঠনের পক্ষ থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কোরআন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী, আলোচন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নিবন্ধঃ ইনকিলাব জিন্দাবাদ

কবিতা: একুশ কেন কাঁদে

Coder Boss
  • Update Time : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬ Time View

কলমে: শিরিনা আক্তার

একুশ আজও কাঁদে নীরবে নিভৃতে, দেখে অব্যক্ত মানবে
রক্তমাখা পথগুলো আজো প্রশ্ন রাখে ” তোমরা কি পরাধীন? দিয়েছে কি শৃঙ্খল কোন দানবে?
তবে কেন সেদিন ভাষার জন্য বুক চিরে ঝরেছিলো রক্তধারা,
কেন মায়ের কোলে আর ফিরল না সন্তানেরা আজো ভেবে হই সারা।

রাষ্ট্রের ঘোষণায় যখন ভাষা হলো বন্দী,
তখনই তো জেগে উঠেছিলো বাঙ্গালীর বুকের ভিতর আগুন,করেনি তারা কোন সন্ধি।
১৪৪ ধারা ভাঙা সেই পদধ্বনি আজও কাঁপায় ধরণী,
লাঠিচার্জ, গুলির শব্দ আজো—কাঁদে ঢাকার প্রতিটি ধূলিকণি।

সালাম, রফিক, জব্বার, বরকত—রক্তে লিখল নাম,
বাংলার বুকে জেগে ওঠা স্বাধীনতার প্রথম গান।
মায়ের ভাষা রক্ষার তরে জীবন দিল যারা হেসে,
তাদের রক্ত শুকায়নি আজও স্মৃতি হয়ে রয়েছে বুকে মিশে।

কিন্তু আজও কেন পথে পথে বিভেদের কালো দেয়াল?
কেন রাজপথে জ্বলে ওঠে হিংসার নিষ্ঠুর মশাল?
হে বাংলা মানব, একুশ শেখায়—ভাষা মানে সবার অধিকার,
ভালোবাসায় গড়ো সমাজ, হৃদয় করো একাকার।
শহীদেরা রক্ত দিয়ে লিখে গেছে একটাই বাণী—
মানুষ আগে, বিভেদ পরে;
ভুলে যাও সকল গ্লানি।

একুশ মানে শুধু ফুল নয়, নয় কেবল গান,
একুশ মানে বুকের ভিতর জমে থাকা শোকের বান।
একুশ মানে ইতিহাস জুড়ে লুকিয়ে থাকা আর্তনাদ,
যেখানে প্রতিটি অক্ষর ভেজা শহীদের রক্তস্নাত।

আজও দেখি মিনারের পায়ে মানুষের ঢল নামে,
কেউ ছবি তোলে, কেউ ব্যস্ত শুধু নিজেরই কামে।
তবু এক কোণে বসে থাকে কোনো নিঃশব্দ প্রাণ,
হাতে ধরা ফুল কাঁপে তার—চোখে অশ্রুর টান।

সে জানে রক্তের দামে কেনা এই ভাষার অধিকার,
সে জানে ইতিহাস মানে কেবল বইয়ের অক্ষর নয় আর।
তাই একুশ এলে বাতাস ভিজে ওঠে নীরব কান্নায়,
বাংলা মায়ের বুক আজও কাঁপে শহীদের স্মৃতিছায়ায়।

বল তো তবে, একুশ কেন কাঁদে প্রতি বছর ফিরে?
কারণ আমরা ভুলে যাচ্ছি রক্তের ঋণ ধীরে ধীরে।
তাই একুশ দাঁড়ায় মিনারের ধারে বিষণ্ন চোখ মেলে—
“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো দিন, ভুলে গেলে?”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102