
নাজমুল তারেক তুষার
———————–
যতদিন পর্যন্ত নির্বিচারে খুন, ধর্ষণ, লুট, মূল্যবোধহীনতা, সাম্যের সুষম বন্টন, এবং দুর্নীতির অবসান না ঘটবে ততদিন অবধি আমাদের কাছে প্রতিটি বছর, দিন, ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড’ই-
আধুনিক আইয়্যামে জাহেলিয়াত যুগ হিসেবেই প্রতীয়মান হবে। এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হবেই।
মানুষের বিজ্ঞানভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক মুক্তি না আসলে, মৈত্রী, ধর্ম, রাজনৈতিক, গনতান্ত্রিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাহিত্য-সাংস্কৃতিক মুক্তি আসবেনা।
আধ্যাত্মিক, জাগতিক, পারলৌকিক মুক্তির’ই যৌক্তিক সেতু মনস্তাত্ত্বিক মুক্তি।
দাসত্ববাদ, পুঁজিবাদ, আধিপত্যবাদের শিকলে বাঁধা মূলতঃ মোটামুটি গরীব রাষ্ট্রগুলো এবং রাজনীতি।
আত্মিক দেশপ্রেমের অভাবে আর লোভে, অভিযোগ আর অনুযোগের যোগ বিয়োগে বিভাজিত আজো আমাদের জাতিগত ঐক্য। পরশ্রীকাতরতার পরকীয়ায় হারিয়ে ফেলছি আমাদের জাতীয়তাবাদ স্বত্বা।
হিংসা, বিদ্বেষ দিয়ে দুর্বলকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হলে কখনো ন্যায় প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
যদি বিবেকের ভেতরে বসবাস বৈচিত্র্যময় অশরীরী বর্ণবাদ আর মনের মাটিতে রোপিত বৈষম্যের বিষবৃক্ষ এবং সন্দেহের ছায়ার অবস্থান থাকে?
তাহলে সুবিচার, সুশাসন, সাম্যের বিজয় অনিশ্চিত আর সেজন্যই বিজ্ঞানভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক এবং মানবিক মূল্যবোধ চর্চার কোনো বিকল্প নেই – নয়তো চলমান বছর ২০২৬ হোক অথবা ৪০৫২ সাল !! মূলতঃ সাধারন মানুষের মুক্তি নাই। দেশাত্মবোধক মনস্তাত্ত্বিক চরিত্রের মাধ্যমেই ঐক্যবদ্ধ দেশপ্রেম এখনই সময়ের দাবি একইসাথে সাম্য ও গনতন্ত্রের প্রতিষ্ঠায় বিজ্ঞানভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক চর্চাতেই মূল্যবোধের মুক্তি সম্ভব।
লেখক:
নাজমুল তারেক তুষার
কবিতার কৃষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট।