
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
গাঢ় অন্ধকার নিশি বড়ই নির্দয় দগ্ধা শঙ্কার মুহূর্তগুলো
সারাবিশ্ব নিমগ্ন ডুবন্ত ঘুমের উর্মিমালার অতলে যখন,
তুমি, শুধু তুমি তখন বুকের ভেতর আগ্নেয়গিরির লাভা হয়ে বহমান
কয়েক সহস্র ডিগ্রি তাপে নিঃস্রব হও আমার কলিজায় তখন!
নিঝুম নিস্তব্ধ যামিনী ঘুমায়, আঁখির কপাট বেয়ে অশ্রু গড়ায়
ভেঁজে বালিশ যে নিরব সাক্ষী আমার হাহাকার অন্তরের অশ্রু বিন্দুর!
বসন্ত নিশীথের আলোকহীন প্রকৃতি, স্বর্গীয় সৌন্দর্যে মেঘের আড়ালে চাঁদ
বেদনার অনুভূতি হৃদয় নিংড়ানো রক্তস্নাত কষ্ট এতোই বিশাল যেন বিশাল সিন্ধু!
বেদনার তীব্রতা অন্ধকারে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে ম-ম মনে
বন্ধ দরজার ফাঁক গলিয়ে শ্মশানের লাশ খেকো কুকুরের ডাক তিমির ভেদি কানে আসে!
ক্ষপা যত গভীরে হামাগুড়ি দেয়, তোমার আনাগোনা তত ছায়া থেকে বাস্তবে রূপ নেয়
বদ্ধ ঘরেও গা ছমছমে ত্রাস কালো রাত্রি, শুধু কোলবালিশ আমার পাশে!
আমি অস্ফুট স্বরে ডুকরে উঠে ডাকি তোমার নাম ধরে, বাইরে নিঃশব্দ শহর
কোলাহল হীন শহরে, কষ্টের ফোয়ারা ঝর্ণা হয়ে ছোটে নক্ষত্রের সাথে!
বর্ষার ধারা যেমন ধরা পানে নামে, তোমার অপ্সরা আত্মা সিক্ত করে আমায়
মধুমতী জল কিনারায়, উজার করেছি যা ছিলো দেবার অভিমানী দেবি — আজ আর কিছু নাই হাতে!