
লেখকঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট “বারাক ওবামা বলেছেন, ” ডোনাল্ড ট্রাম্প” পুরো বিশ্বের জন্য ভয়ঙ্কর! আসলে তার বলা উচিত ছিলো “মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্র” পুরা বিশ্বের জন্য ভয়ঙ্কর!
স্বয়ং বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শপথের পরপরই ইরাকের উপর বৃটেন কে সাথে নিয়ে সারা রাত বোম বিং করেছিলেন, আমার চোখে ভাসে সেই আগুনের ফুলকি! বুশ জুনিয়র থেকে আজ পর্যন্ত কেউ বিশ্বের ভালো চান নাই! মুসলিম দেশ গুলোর উপর নির্যাতন নিপিড়ন আমেরিকার একটা অলিখিত নীতি! তাদের তেলের উপর লোভ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আজীবন! তাই ডলার চুক্তি, ইরানের উপর ছয় হাজার নিষেধাজ্ঞা, অগণতান্ত্রিক ভাবে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো কে তুলে আনা! ইউক্রেন কে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ লাগিয়ে দেওয়া, ‘৫০ দশক থেকে আজ পর্যন্ত মার্কিন আগ্রাসনে গনতান্ত্রিক সরকার হত্যা, সামরিক সরকার ক্ষমতায় আনা, নিজ আধিপত্য বজায় রাখতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যত লোক জীবন দিয়েছে মার্কিন আগ্রাসন তত পরিমান প্রাণহানি ঘটিয়েছে !
প্রিয় পাঠক, আজ আফগান পাক জুড়ান লাইনে (সীমান্তে) যুদ্ধ চলছে! পাকিস্তান কাবুলে Air strike করেছে! আমাদের “এককালের জমজ ভাই পাকিস্তান” আজীবন ধর্মের নামে আস্তিনের নিচে খঞ্জর রাখা জাতি, আহাম্মক একই রকম।
ঘরে খাবার আটা চাল নাই, আমেরিকা যা বলে লাফিয়ে পড়ে! বেলুচিস্তান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে! পাকিস্তানের মোট ভূখন্ডে ৪০% বেলুচিস্তান, সে-ই কালাত প্রদেশ। তাদের তেল-গ্যাস আছে অথচ পূর্ব পাকিস্তানের মত তাদের উপর ও আজীবন বৈষম্য।
এই মুহূর্তে পাকিস্তানের দু’টো সেক্টরে যুদ্ধ করতে হচ্ছে, আফগান ও বেলুচিস্তান। বেলুচিস্তানের ২ লক্ষ লোক হত্যা করা হয়ে গেছে (বেলুচ নেত্রী) , ভারত সীমান্ত কি অরক্ষিত রাখতে পারবে পাকিস্তান? আমেরিকা যে পরিমাণ ঘুষ দিয়ে চলছে ভারত কে তাতে কখন বলে দিবে পাকিস্তান দখল করে নাও! কয় দিকে সামলাবে শােহবাজ সরকার? যদিও পুতুল সরকারের অনুমতি নেয় কিনা পাক সেনাপ্রধান তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
পাঠক, বলেছিলাম, ডোনাল্ড ট্রাম্প সাকসেসফুল। তার ইচ্ছে ছিলো সারা বিশ্ব অস্হির করা, ইরানের সরকার পরিবর্তন বা দখল! ভারত কে ডেকে নিয়ে ইসরায়েলের সাথে মহা ধুমধামে বন্ধুত্ব করায় ইরান আক্রমণ করার নির্দেশ দিলো ইসরায়েল কে এবং চীন রাশিয়ার সাথে ভারত যুক্ত না হয় সে ব্যবস্হা করে আটঘাট বেঁধে ইরান আক্রমণ করানো হয়েছে ইসরায়েল আমেরিকান জয়েন্ট ফোর্স দিয়ে!
বিশ্বযুদ্ধ বেঁধে গেলেও আমেরিকার আপত্তি নাই!
এশিয়ার তিনটা বৃহৎ শক্তি কে সে আলাদা করে ফেলেছে! রাশিয়া চীন ভারত এখন একত্রে নাই!
পরমাণু বোম ফেলতে রাশিয়া চীন ইরান দেরি করবে কিন্তু আমেরিকা নির্দয়, সবার আগে অনেকগুলো দেশে পরমাণু আক্রমণ করে ফেলবে, বিশ্ব তার একক হাতে চাই!
আমেরিকার লক্ষ্য ইরান কে পদানত করা, এমনিতে ৪৫ বছর ‘নিষেধাজ্ঞার পর নিষেধাজ্ঞায়’ থেকে ইরানের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড একদম শেষ হয়ে গেছে, দুর্ভিক্ষ অবস্থা দেশটায়, মুদ্রাস্ফীতি দারুন! অস্ত্র কেনা, তৈরি, আকাশ প্রতিরক্ষা তথা ইউরেনিয়াম মওজুদ, বহুত খরচ!
ঐদিকে বাংলাদেশের হাসিনা, সিরিয়ার বাশার আল আসাদ পতনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল দরজা খোলা হয়ে গেছে! বিশ্বযুদ্ধ হলে বাংলাদেশ ও সিরিয়া করিডর তার বোনাস পাওয়া! তার উপর ৭০ হাজার সৈন্য আরবীয় মুসলিম দেশগুলোতে আছে ১১ দেশ আধা আমেরিকা ভুখন্ড বলা যায়। সারা বিশ্বে ৮০০ ঘাঁটি আপনারা নিশ্চয়ই ভুলে যান নাই। মার্কিন সম্রাজ্যে সূর্য আর অস্ত যাবে না!
সব দেশের শিক্ষিত আহাম্মক রা জাতীয়তাবাদী সরকার কে তাদের শত্রু ভাবে। ইরাকের সাদ্দাম লিবিয়ার গাদ্দাফি সিরিয়ার বাশার মিশরের আনোয়ার সাদাত চিলির আলেন্দে বাংলাদেশের মুজিব পাকিস্তানের ইমরান খান বাংলার হাসিনা এমনি শতজনের পতনের পিছে মার্কিন হাত এবং ঐ দেশের শিক্ষিত আহাম্মকদের মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা!
আজ-ও কি বাংলাদেশের শিক্ষিত আহাম্মকরা বোঝেন বাংলাদেশ হিমালয় পর্বত থেকে নেমে ভূমধ্যসাগরের মারিয়ানা ট্রেন্সের ভিতর ঢুকে গেছে! শত বছরে ও আর বাংলাদেশ আগের জায়গায় আসবে না। অপরিনামদর্শী অসচেতন শেখ হাসিনার পতন যদি বিএনপির দ্বারা হতো সেই ১৯৯৬ সালে খালেদা জিয়াার মত, আজকের প্রধানমন্ত্রী এত বড় চ্যালেঞ্জে পড়তেন না! এমন বাংলাদেশের স্টিয়ারিং তিনি হাতে পেতেন, বিমানের মত ৩৩ হাজার ফিট উপরে যেমন বিমান চলে জেট ফুয়েলে, সফটওয়্যার কমেন্টে। পাইলট ঘুমালেও বিমান তার নির্দিষ্ট বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করে! বাংলাদেশ ও জনাব তারেক জিয়াার হাতে তেমন চলতো! কিন্তু ১৯৭৫ সালের পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পিতা মেজর জিয়া যেমন বাংলাদেশ পেয়েছিলেন বর্তমান বাংলাদেশ তার থেকে ও খারাপ পরিস্হিতে তিনি পেয়েছেন!
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন, সরকার কে সহযোগিতা করেন। অনেক নাটক মঞ্চায়ন হয়েছে বিগত দিনে, আরও হবে কারন আপনি নিজেই জানেন না কে কে ট্রাম্প কথিত ২৯ মিলিয়ন ডালারের অংশীদার! কে কে Swich over to ’71 এর “পূর্ব পাকিস্তান” চান?