
ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ দেশের সংসদে প্রচুর চাপের মুখে ইসরায়েলের সাথে যৌথ যুদ্ধে জড়ানোর জন্য, কেন মার্কিন সন্তান মরবে ইসরায়েলের সাথে, কেন এত টাকার যুদ্ধ বিমানবাহী শীপ আব্রাহাম ধ্বংস হলো, কেন ইরাক সিরিয়া থেকে মার্কিন বাহিনী কে পালাতে হচ্ছে? কেন হাজার-হাজার তেলবাহী জাহাজ ভারত মহাসাগরে আটকা পড়োলো হরমুজ প্রণালী ইরান বন্ধ করার জন্য? কেন আজ অন্য দেশের সামরিক রসদ জোগাতে আমেরিকার ৩৪ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ?
প্রিয় পাঠক, যে সৌদি আরব বাহরাইন কুয়েত আমীরাত ইমরানকে হুমকি দিয়েছিলো পূনরায় আক্রমণ করলে তারা ইসরায়েলের পক্ষে যুদ্ধ করবে, তারা সবাই ভোল পাল্টে আমেরিকা কে বলছে যুদ্ধ বন্ধ করতে! ইরানের IRGC সেনারা এতোই আক্রমনাত্মক হয়েছে যে মধ্য প্রাচ্যের মার্কিন দালাল মুসলিম দেশ ছাড়া-ও ইউরোপ আফ্রিকান যে-সব দেশে মার্কিন ঘাটি আছে তা আক্রমণ করে গুড়িয়ে দিয়েছে। ইতিমধ্যে বৃটেন জার্মানি ফ্রান্স ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে অস্বীকার করেছে!
স্মর্তব্য, আমেরিকা বিশ্বের যে সব দেশ যখন মাথা তুলে উন্নয়নের রোড ম্যাপে উঠে গেছে তাকে আক্রমণ করে শত বছর পিছে ফেলে দিয়েছে, হয় হত্যা করেছে সেই দেশের রাষ্ট্র নায়ককে না হয় জনগণের ভিতর টাকা বন্টন করে গনবিরোধী সরকার প্রমান করার চেষ্টা করেছে অথবা সেনাবাহিনী কে ক্রয় করে সামরিক সরকার ক্ষমতায় এনেছে মার্কিন পদলেহী হিসাবে!
প্রথম হত্যা করেছে চিলির আলেন্দে বাংলার মুজিব ইরাকের সাদ্দাম লিবিয়ার গাদ্দাফি আক্রমণ করেছে উদীয়মান আফগানিস্তান আফ্রিকার সোমালিয়া সুদান নাইজেরিয়া!
ক্ষমতাচ্যুত করেছে পাকিস্তানের ইমরান শ্রীলঙ্কার রাজাকাপষ নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সিরিয়ার বাশার ! এক বাংলাদেশের উন্নয়ন দু’বার থামিয়ে দিয়েছে আমেরিকা, ১৯৭৫ সালে জাতিরজনক কে হত্যা করে ২য় শেখ হাসিনা কে ২৯ মিলিয়ন ছড়িয়ে দেশ ছাড়া করে!
চিলির যে সামরিক শাসক পিনাচট কে ক্ষমতায় বসিয়েছিল তিনি মাত্র ৬০ লক্ষ লোক হত্যা করেছিলেন ২০ বছর ক্ষমতায় থাকতে! ভিয়েতনামে ২০ বছরের যুদ্ধে আমেরিকার নারী নির্যাতন বিশ্ব আজ-ও মনে রেখেছে!
আমেরিকার সব শেষ থাবায় পতিত হলো ভেনিজুয়েলার মাদুরো ও হত্যা হলেন ধারাবাহিক ফিলিস্তিন কমান্ডার হারেরি, লেবাননের ৪ লাখ ফিলিস্তিন পন্হী কমান্ডার নসরুল্লাহ, ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসি এবং আলী খামেনি দি গ্রেট! তিনি এমন একজন মানুষ ছিলেন যার নিজস্ব লাইব্রেরিতে ৩০ হাজারের উপর বই আছে, তিনি ইউরোপীয় সাহিত্যিকদের বই বেশি পড়তেন! বিজ্ঞান আর ইসলাম সমন্বয়ে গড়ে তুলেছিলেন আধুনিক বিজ্ঞান প্রযুক্তির পরমাণু রিসার্চ যেখানে অন্য দেশের মুসলমানরা বিজ্ঞান প্রযুক্তির শিক্ষাকে হারাম বলে। তিনি আমেরিকার বিরুদ্ধে আঙুল তুলে ফিলিস্তিন মুসলমানদের পাশে দাড়িয়েছেন, তাকে এক মাত্র মুসলমান শাসক আমার মনে হয়! তিনি ফরাসি লেখকের বই পড়তেন। তিনি একজন সাহিত্য প্রেমীক ও ছিলেন! কট্টর ইসলাম পন্থায় কিছু নিষ্ঠুরতা বাদ দিলে তিনি বিশ্ব ইসলামের এক মাত্র ঝান্ডা বাহক কুরআনের মুসলমান!