নাজমুল তারেক তুষার
খুলনায় নিজ খামার নামক এলাকায় ৭ মার্চ - মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশের বিশেষ অভিযানে সুমাইয়া পারভীন সুমি নামে এক মহিলার নিকট হতে ২টি বিদেশী রিভলবার,
৩ টি পিস্তল ও ৯৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
আমার বক্তব্যের মূল প্রসঙ্গ এখানে নয় - মূলতঃ কথা হলো- একশ্রেণির মহিলারা এমনই অবৈধ অস্ত্র, মাদক বেচা কেনা, নারী ও শিশু পাচার, ডাকাতি, চুরি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অবৈধ তদবির বানিজ্য,হসপিটাল ক্লিনিক, পাসপোর্ট অফিস, ভূমি অফিস, আদালত পারা সহ বিভিন্ন দপ্তরে দালালি, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, রুমাল ধরা পার্টি, মহিলা পকেট মার, মব ম্যানেজিং, পুলিশ ও কিছু সাংবাদিকের সোর্স নামধারী সুবিধাভোগী, মহিলা ছিনতাইকারী, কন্টাক্ট কিলারের সহযোগী, ব্লাক মেইল, ব্লাকার, মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানো, দেহ ব্যবসা ইত্যাদি অসংখ্য অনৈতিক,
অবৈধ কুকর্ম করে আসছে।
কিন্তু আইনগত জটিলতা, ও রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয় সুশাসন সুবিচারিক দুর্বলতার কারণে, সামাজিক সচেতনহীনতা প্রভৃতি কারণে তুলনামূলকভাবে তথাকথিত অপরাধী মহিলারা সুকৌশলে অপরাধ সংঘটিত করেই চলছে। এবং সেই সাথে একশ্রেণির কট্টর নারীবাদীদের একচোখা মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানের কারণে তথাকথিত নারী অপরাধীরা সমাজ, প্রশাসন ও রাষ্ট্রকে ধুলোপড়া দিয়েই চলছে।
অবশ্য অভাব, স্বভাব লোভ, পারিবারিক ও পারিপার্শ্বিকতা আর সিন্ডিকেটচক্র মিলেমিশে এই জাতীয় অবক্ষয় সৃষ্টির মৌলিক কারণ সমূহ হতে পারে বলে মনে করি। এখনই সময় - রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে অপরাধ বিজ্ঞান ভিত্তিক গবেষণায় এবং সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে প্রতিরোধ, প্রতিকার করা। নইলে সমস্যা আরও দৈনন্দিন জটিল হবে এবং সামাজিক অপরাধ ক্রমশ বৃদ্ধি পাবে বৈকি।
লেখক:
নাজমুল তারেক তুষার।
নির্বাহী সম্পাদক-
আজকের জনকথা।