
তানিয়া রহমান, মহানগর প্রতিনিধি:
গত শুক্রবার মাহে রমজান উপলক্ষে বাংলাদেশ বিক্রয় পেশাজীবি এসোসিয়েশন এর উদ্দ্যোগে কেন্দ্রীয় অফিসে অনুষ্ঠিত হলো ইফতার ও আলোচনা সভা। উক্ত ইফতার ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিক্রয় পেশাজীবি এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক, জনতার বিপ্লব পএিকার নির্বাহী সম্পাদক সাংবাদিক মো: ওমর ফারুক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোট এর সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা সদস মো আরিফুর রহমান, বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোট এর সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো মিরাজ হোসেন। প্রধান আলোচক বাংলাদেশ দেশপ্রেম প্রজন্ম সংগঠনের আহবায়ক মো কাওসার আহম্মেদ মিয়াজী।বিশেষ আলোচক মো সাইদুর রহমান জি এম।
আরো উপস্থিত ছিলেন মো আলমগীর হোসেন আহবায়ক চট্টগ্রাম বিভাগ, মো মঞ্জুরুল হক সদস্য সচিব রংপুর বিভাগ,মো সোহাগ হোসেন যুগ্ন আহবায়ক কেন্দ্রীয় কমিটি, মো শাকিল হোসেন যুগ্ন আহবায়ক ঢাকা বিভাগ,মো খোরশেদ আলম সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় কমিটি, ইফতিয়ার হক যুগ্ন আহবায়ক ঢাকা বিভাগ, মো রিপন হোসেন সদস্য সচিব খুলনা,মো মোবারক হোসেন আহবায়ক ময়মনসিংহ বিভাগ, মো ফয়সাল ইবনে আমিন যুগ্ন আহবায়ক ঢাকা বিভাগ, মো জাহিদ হাসান যুগ্ন আহবায়ক কেন্দ্রীয় কমিটি, মো মিরাজ হোসেন, মো দুলাল হোসেন, মো ইমরান হোসেন, মো আলি বাবু সদস্য ঢাকা বিভাগ সহ আরো অনেক ব্যক্তিবর্গ।
প্রধান অতিথি বলেন,আমাদের অধিকার আমাদের ই আদায় করে নিতে হবে,ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকলে কাজ করুন,সংগঠনপর সদস্য হয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করুন।বিক্রয় পেশাজীবিদের জন্য কিছু করার চেষ্ঠা করুন।৬৪ জেলায় প্রসার করুন, এক যুগে সারা বাংলাদেশে মানব বন্ধন সহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করুন তাহলে সরকারের আলমে আসবে।কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক মো ওমর ফারুক বলেন,কোম্পানি গুলো বনে করেন শুক্রবার সেলস খোলা রাখলে তাদের সেলস বৃদ্ধি পায়, তাদের এই ধারনা সম্পূর্ণ ভুল।সাপ্তাহিক ছুটি না পেলে কাজের উদ্দিপনা,প্রফুল্লতা,আনন্দ থাকে না। এতে সেলস কখনও ভালো হয় না।বরংচ যদি সাপ্তাহিক শুক্রবার বন্ধ থাকে, এস আর গণ বিশ্রাম করে,পোশাক পরিষ্কার পরিছন্ন করতে পারে তাহে সপ্তাহের বাকী ৬ দিন আনন্দ মনে উৎসাহিত হয়ে অক্লান্ত মনে অর্ডার কারতে পারে প্রফুল্ল মনে দোকানের সাথে কথা বলতে পারে।এতে সেলস দ্বিগুন হবে।। তাছারা সংসার জীবনে পরিবার কে সাপ্তাহে একদিন সময় না দিতে পারায় বিক্রয় পেশাজীবি ভাইয়েরা ডিপ্রেশনে ভুগে।যার ফলে রোড এক্সিডেন্ট গঠে,স্ট্রোক করেন,জারন পরিবার হচ্ছে ক্লান্তির অবশানের স্থান।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট অনুরোধ বিক্রয় পেশাজীবি ভাইদের জন্য সু-নিদিষ্ট মন্ত্রণালয় নিধারন করে দিন।চাকুরীর সু-নিদিষ্ট নিতিমালা তৈরি করুন।দেশের শিক্ষায় মান ধরে রাখুন।এই পেশায় এইচ এস সি পাশের নিচে কেহ নেই।অথচ এই পেশার মুল্য নেই।সকল কিছুর মুল্য বৃদ্ধির ফলে ১৭/১৮ হাজার টাকায় একজন বিক্রয় পেশাজীবি কিছুই হয় না। রোড খরচ ৫/৬ হাজার খরচ হয়ে যায়।ঘর ভাড়া ৬ হাজার টাকা চলে যায়।বাকী ৬ হাজার টাকায় কিভাবে পরিবার ও নিজের খাবার ও চিকিৎসার খরচ বহন করিবে।কোম্পানি গুলোকে কঠোর নিতিমালায় আবদ্ধ করুন।কারন অনেক কোম্পানি কাজ করানোর পরে মজুরী দিচ্ছে না। এতে করে অনেক পরিবার পথে বসচ্ছে।অনেকে না খেয়ে কষ্ট করছে।এই সকল বাটপার কোম্পানিগুলোকে বিচারের আওতায় আনুন আমাদের ভুক্ত ভুগি ভাইদের পাওনা বুঝিয়ে দিন।সকল কোম্পানি গুলোকে বলবো কর্মীদের কে বেতন না দিতে পারলে কোম্পানি বন্ধ করে দিন।নিয়োগের ক্ষএে যাচাই বাছাই করে নিয়োগ দিন কম বেতনের বা না দেওয়ার চিন্তা মাথা থেকে বের করে দক্ষ ও সঠিক ব্যক্তিদের বেশি বেতনে চাকুরী দিন। তাদের ভালো সম্মান জনক বেতন সময় মতো অর্থাৎ মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যেই পে করুন। দেখবেন আপনার কোম্পানিতে চাকুরী করার জন্য লাইন লেগে যাবে।কোম্পানি অল্প সময়ে তিন গুন সেলস বৃদ্ধি পাবে।উভয়ের মঙ্গল বয়ে আনবে।আর যাহারা ফেইসবুক সেলস নিয়ে কন্টিন করেন তাহারা শুধু কোম্পানি কে খুশি করার জন্য কথা বলবেন না।কোম্পানি যেন সময় মতো টাকা পে করে সেটা নিয়ে ও কথা বলবেন।মনে রাখবেন দিন শেষে বিক্রয় পেশাজীবিরা আপনার সন্তান বা ভাই।তাদের পরিবার তাদের উপর নির্ভর করে।যদি কিছু করতে চান তাহলে টাকার বিনিময় নয় বিনামুল্যে ট্রেনিং করান।তাদেরকে দক্ষ বিক্রয় পেশাজীবি ও উদেক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ব্যবস্থা করুন, তাহলেই ভাববো আপনারা সত্যিকারের মানুষ। সত্যি কারের সেলস গুরু।