বিশেষ প্রতিনিধি:
সাভার থানার ভাকুর্তা ইউনিয়নের মুশুরীখোলায় ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মুশুরীখোলা সামসুল
হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম নজরুল ইসলাম সম্প্রতি বরখাস্ত হয়েছেন। তার
বিরুদ্ধে দূর্নীতি, স্কুলের অর্থ আর্থসাৎ, শিক্ষকদের ১৪ মাসের বেতন আতড়বসাৎ, মিনিষ্ট্রি অডিট
অমান্য করা, বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন এবং ১৭,৮৬,৯১৩ (সতেরো লক্ষ ছিয়াশি হাজার
নয়শত তেরো) টাকা আত্নসাৎ সহ নানা ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ে। গত ১৭/০৩/২০২৫ইং
তারিখ থেকে ১৬/১১/২০২৫ইং তারিখ পর্যন্ত বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি ৩ জন শিক্ষকের
মাধ্যমে বিদ্যালয়ের উনড়বয়নের জন্য অনেক গুলো সাব কমিটি গঠন করে প্রত্যেকটি কমিটিকে
বিদ্যালয়ের উন্নয়ন এর জন্য নানা ধরনের দায়িত্ব দেওয়া হয় যাহা রেজুলেশন এর মাধ্যমে
সভাতে এজেন্ডা আকারে সর্বসম্মতির মাধ্যমে করা হয়। কিন্তু এসএম নজরুল ইসলাম কমিটি গুলোকে চিঠি আকারে দায়িত্ব দিতে নানা ধরনের গড়িমসি করতে থাকে। তিনি জানান
শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করতে চায় না, সহযোগিতা করেন না, কথা শুনেন না ইত্যাদি নানা
ধরনের কথা বলেন। কমিটি বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ার জন্য শিক্ষকদের কাছে জানতে চাইলে
শিক্ষকরা জানান যে, প্রধান শিক্ষক সাহেব আমাদের কোন দাপ্তরিক পত্র দেয় না ফলে আমরা
কি ভাবে কাজ করবো? পরবর্তীতে কমিটি সভাকক্ষে বসেই শিক্ষকদের চিঠি দেওয়ার ব্যবস্থা
করেন। বিভিন্ন কমিটি যখন বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিবেদন (লিখিত) ম্যানেজিং কমিটির সভাতে
উপস্থাপন শুরু করেন তখন জনাব এসএম নজরুল ইসলাম সাহেবের নানা অনিয়ম, অসংগতী
দায়িত্বের অবহেলা, স্বেচ্চাচারিতা, ভাউচারে গড়মিল, শিক্ষকদের সাথে বনিবনা না থাকা,
শিক্ষার্থীদের অনাস্তা, বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি, কমিটির কাছে তথ্য গোপন, শিক্ষা মন্ত্রানালয়ের
নিরিক্ষা ও পরিদর্শন প্রতিবেদন ২০০৮ ও ২০১৬ সালের অডিট এর নির্দেশনা পালন না করা,
শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর স্মারক নম্বর
৩৭.১৭.০০০০.০০০.০০৬.০০১৯.২৫, ২১/১ (৬) তারিখ ২০/০২/২০২৫খ্রি. প্রতিবেদনে ১১
নং পাতার ৬নং কলামে ১৩ (থ-২) জনাব, এস.এম নজরুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক কর্তৃক গৃহিত
২,৩২,৬১১/- (দুই লক্ষ বত্রিশ হাজার ছয়শত এগারো) টাকা ফেরতের সুপারিশ ছিল।
সুপারিশটি ইচ্ছাকৃত ভাবে বাস্তবায়ন করেনি। বিদ্যালয়ের ভূমির নামজারি, খাজনা খারিজ না
করা, বিদ্যালয়ের ভূমি খাস খতিয়ানে রেকর্ড হওয়া সত্বেও সে বিষয়ে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ
না নেয়া এবং টাকা পয়সার হিসাবে নানা অসংগতি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে বনিবনা না
হওয়া শ্রেণীকক্ষে ক্লাস না নেয়া, কমর্চারীদের ও শিক্ষকদের বেতন ১৪ মাস না দেয়া এবং
পরবতীর্তে ও বেতন বন্ধ রাখা নিজের ইচ্ছে মতো দীর্ঘদিন হাজিরা খাতায় সহি স্বাক্ষর না করা
পাতা- ২
সত্ব্যেও শিক্ষকের বেতন দেয়া, দীঘ দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকা সত্ব্যেও সেই শিক্ষককে
বেতন প্রদান করা সহ শিক্ষকদের মাঝে নানা বৈষম্য তৈরী করা এবং অবহেলা করা সহ বিনা
অনুমতিতে বিদ্যালয়ের গাছ, কাটা, গাছের টাকা, বিদ্যালয়ের বিল্ডিং বিক্রীর টাকা, আইডি
কার্ডের টাকা, ব্যাবহারিক পরিক্ষার নামে টাকা তুলে সে টাকা এবং কেন্দ্র ফিয়ের টাকা এবং
বিভিন্ন বইয়ের নামে টাকা সহ বিদ্যালয়ের বিভিনড়ব খাতের টাকা আত্ন লসাৎ করেছে মর্মে শিক্ষকদের
প্রতিবেদন দেখা যায় এবং এডহক কমিটি দায়িত্ব পালন কালিন সময় বিভিনড়ব খরচের বিষয়ে
বিল ভাউচার উপস্থাপন করার জন্য বার বার তাগিদা দেয়া সত্যে¡ ও তিনি কোন বিল ভাউচার
সভাতে উপস্থাপন করেন নাই। সর্বদাই জনাব এসএম নজরুল ইসলাম সাহেব পাশ
কাটিয়েছেন। আজ দেবো কাল দেবো বলে সময় ক্ষেপন করেছেন। মুশুরীখোলা সামসুল হক
উচ্চ বিধ্যালয়কে নজরুল ইসলাম সাহেব নিজের আগ্রহে, নিজের স্বার্থের জন্য এবং নিজের
প্রধান শিক্ষকের চাকরীটাকে পাওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জনাব রুহুল আমিন
সাহেবকে উপজেলা অফিসে নিয়ে এসএম নজরুল ইসলামের বন্ধু ফ্যাসিস্ট উপজেলা
চেয়ারম্যান রাজিব এর মাধ্যমে ভয়ভিতি প্রদর্শন করে জনাব রুহুল আমিন সাহেবের ইচ্ছার
বিরুদ্ধে পদ ত্যাগপত্র লিখিয়ে তাকে সরিয়ে এসএম নজরুল ইসলাম অবৈধভাবে প্রধান শিক্ষক
হন এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন সরকারের পত্র ছাড়াই
ব্যক্তিগত স্বার্থ এর জন্য বহিস্কৃত প্রধান শিক্ষক এসএম নজরুল ইসলাম নিজে মুশুরীখোলা
সামসুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পাল্টিয়ে মুশুরীখোলা উচ্চ বিদ্যালয় নামকরণ করেন ফ্যাসিস্ট
সরকারের এডহক কমিটির মাধ্যমে। অথচ সামসুল হক এর বোন জামাই ভূমিদাতা জনাব
ইমান আলী যে শর্তে ভূমি দান করেছেন। সে ভূমি দানের ৭নং শর্ত মান্য করলে কোন
ভাবেই নাম পরিবতর্ন করা যায় না। ভূমি দাতার ১৫টি শর্তের কোন শর্তই এসএম নজরুল
ইসলাম পালন করেন নি এবং কোন দিন এই শর্ত যুক্ত দলিল কাউকে দেখাননি। এই
দলিল যদি কমিটি, শিক্ষক, অভিভাবক কিংবা কোন সচেতন ব্যক্তি যদি পড়তেন তাহলে জানতেন
কোন ভাবেই স্কুলের নাম পরিবর্তন করা যেতো না। সামসুল হক নাম পরিবর্তন রেজুলেশনে
এসএম নজরুল ইসলাম জনাব সামসুল হক যে ভাবে উপস্থাপন করেছেন তাতেও
তিনি ফৌজদারী ও দেওয়ানীর মতো অপরাধ করেছেন। সামসুল হক একজন সচিব,
বিএনপি মনোনিত এমপি, রাষ্ট্রদূত সহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দেশের সেবা করেছেন।
এমন একজন ব্যক্তিকে এসএম নজরুল ইসলাম কূ-রুচিপূর্ণ এবং জগন্য জগন্য ভাষায় লিখিত
রেজুলেশনে উপস্থাপন করে নাম পরির্বতন করেন। যাহা সম্পূর্ণ বে-আইনী এবং অপরাধ।
২০২৪এর ৫ই আগস্টের পর স্কুলের শিক্ষার্থী শিক্ষক এবং এলাকাবাসী এসএম নজরুল
ইসলামকে এই সামসুল হক নাম বদলানোর জন্য এবং বিদ্যালয়ের নানা অনিয়মের কারণে
৪মাস বিদ্যালয়ে ঢুকতে দেননি। পরিশেষে মুচলেকা দিয়ে বিদ্যালয়ে যোগদানের সুযোগ পায়।
পাতা- ৩
কিন্তু তিনি বিদ্যালয়ে যোগদানের পর পূনরায় আগের চাইতেও ভয়ানক হয়ে ওঠেন। বিদ্যালয়ের
কোন নিয়ম কানুন মানেন না। আয়-ব্যায়ের কোন তোয়াক্কা করেন না। হিসাব রক্ষক সালা
উদ্দিন এর সাথে যোগ সাজগে অর্থনৈতিক অনিয়ম সহ শিক্ষক অসন্তোস ও শিক্ষার্থীরেদর
অসন্তোস দিন দিন বারতেই থাকে। এডহক কমিটির স্বল্প মেয়াদী সময়ের মধ্যে কমিটি নানা
চেষ্টা করেও জনাব এসএম নজরুল ইসলাম কে সঠিক নিয়মে আনতে পারেন নাই।
মিথ্যা, প্রতারণা, সত্য গোপন, দূর্ব্যবহার, খারাপ আচরণ মব সৃষ্টির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের
শিক্ষকদের দমনসহ নানা ধরনের ধংসসৃষ্টিকারী অন্যায় অনিয়ম এবং স্বেচ্চাচারিতার রূপ দিন
দিন প্রকাশ পায় ফলে একযোগে সকল শিক্ষকের অসন্তোস প্রকাশ পায় এবং শিক্ষার্থীদের ও
শিক্ষকদের লিখিত দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে এবং বিদ্যালয়কে রাহুর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য
সকলের দাবী ও সাব কমিটির সুপারিশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঠিক মঙ্গল এবং মারামারি হানাহানি
পরিহার ও শান্তি বজায় রাখার জন্য জনাব এসএম নজরুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা
হয়। বরখাস্তের পত্রে ৮টি কারণ ছিলো যাহা:
১। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রনালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের
২১/০৭/২০০৮এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন। প্রধান শিক্ষক নিয়োগ কালে এস.এম
নজরুল ইসলামের কাম্য অভিজ্ঞতা ছিল না। এস.এম নজরুল ইসলামের কাম্য অভিজ্ঞতা
না থাকায়, তাহার নিয়োগ বিধি সম্মত হয় নাই। প্রাপ্ত বেতন ভাতাদি সরকারী কোষাগারে
ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও অদ্যবদি ফেরত দেওয়া হয় নাই।
২। ২৭/০৭/২০১৬ইং তারিখে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের সুপারিশ অদ্যবধি বাস্তবায়ন
করা হয় নাই।
৩। ১৯/০২/২০২২ইং তারিখে একটি ফ্যাসিবাদী রেজুলেশনের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা
আলহাজ্ব সামসুল হক সাহেবের নাম মুশুরীখোলা সামসুল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সামসুল
হক বাদ দিয়ে মুশুরীখোলা উচ্চ বিদ্যালয় নামকরণ করেন। যা একটি একান্তই গর্হিত কাজ।
৪। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও ভূমিদাতা আলহাজ্ব মোঃ ইমান আলী সাহেবের দানকৃত দলিলে
১৫ (পনেরো) টি শর্ত বিদ্যমান আছে যা আপনার মাধ্যমে একটিও অনুসরণ হয় নাই। যা
দায়িত্ব হীনতার সামিল।
৫। বিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীন অডিট কমিটি বিগত ২১/০৯/২০২৫ইং তারিখে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে
১৭,৮৬,৯১৩ (সতেরো লক্ষ ছিয়াশি হাজার নয়শত তেরো) টাকার অনিয়ম হিসেবে।
অভ্যন্তরীন অডিট কমিটি প্রতিবেদন ম্যানেজিং কমিটিতে প্রদান করেন যা বিদ্যালয়ের অর্থের
তসরূপ হিসেবে গন্য হয়।
৬। মুশুরীখোলা সামসুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের সামনে মূল্যবান গাছ বিক্রয়ের জন্য
উপজেলা নির্বাহী কমর্কর্তা ও বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া বিক্রয় করা হয়েছে। বিক্রয়কৃত
অর্থ বিদ্যালয়ের ক্যাশে জমা করা হয় নাই। যা আত্মসাৎ এর সামিল।
পাতা- ৪
৭। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের সাথে প্রধান শিক্ষক এসএম
নজরুল ইসলাম কর্তৃক অসৌজন্যমূলক আচরনের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিম্নগামী
হচ্ছে এবং শিক্ষার্থী দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। যাতে করে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের অপূরনীয় ক্ষতি
হচ্ছে।
৮। বিগত ০৭/০৩/২০২৫ইং তারিখে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের পর থেকে অদ্যবদী কোন আয়
ব্যায়ের হিসাব ম্যানেজিং কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয় নাই। যা বিদ্যালয়ের অর্থ
আত্মসাৎ এর সামিল।
এবং চেয়ারম্যান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকা বরাবরে বরখাস্তকৃত
প্রধান শিক্ষক এসএম নজরুল ইসলামের অর্থ আতড়বসাৎ ও দূর্ণীতি তদন্ত আবেদন
করা হয় যাহা তদন্তাধীন রয়েছে।
বহিষ্কারের পর থেকে নজরুল ইসলাম বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রেজুলেশন
বহি, দলিল দস্তাবেজ, চাবি ইত্যাদি চাওয়ার পরও বুঝিয়ে দেয় নি। এবং মব সৃষ্টি করে
বিদ্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করছে। জোড় পূর্বক হাজিরা খাতা স্বাক্ষর করেছে বিদ্যালয়ের ভর্তির
ব্যানার টানাতে বাধাদেয়। শিক্ষার্থী ভর্তিতে বাধা দেয়, শিক্ষকদের হুমকী প্রদান করে। তার
এই ধরনের সন্ত্রাসী মুলক কার্যকলাপে বিদ্যালয়ের পাঠদান ও সার্বিক কার্যকলাপে ব্যাঘাত ঘটছে।
রিজার্ভ ফান্ডের টাকা, বিদ্যালয়ের স্থায়ী সঞ্চয়ী হিসাবের আয়কৃত টাকা আত্মসাৎ করেন,
কোচিংয়ের টাকা আত্মসাৎ করেন, বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির টাকা বিদ্যালয়ের হিসাবে জমা না
দিয়ে আত্মসাৎ করেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন ফি, ফরমপূরণ ফি ইত্যাদি নানা
অনিয়মের কারণে বিদ্যালয়টি আজ একাডেমিক প্রশাসনিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি
ঢাকার সাভারে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুশুরীখোলা সামসুল উচ্চ বিদ্যালয় এর নাম
পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। নাম
পূর্ণ প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্থানীয় ভাবে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ হচ্ছে এবং স্কুল থেকে স্হায়ী
বহিস্কার ও অর্থ আত্মসাৎ এর বিচারের দাবী অব্যাহত রয়েছে।