
নিজস্ব প্রতিবেদক
আগ্রাসন প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক আন্দোলন এর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলা শওকত আমীন বলেছেন,
ইরানের উপর ইহুদি-মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাহকে সোচ্চার হতে হবে। ইরান প্রথমে আক্রমণ করেনি। ইরানের উপর হামলা করে আয়াতুল্লাহ খামেনীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করে ইহুদি-মার্কিন সন্ত্রাসী গোষ্ঠি ভেবেছিল ইরানের শাসক গোষ্ঠী পরিবর্তন করতে পারবে। ইরানকে পরাজিত করে তাবেদার সরকার প্রতিষ্ঠা করে ফেলবে। কিন্তু এই যুদ্ধ আমেরিকার জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবিলম্বে জাতিসংঘসহ বিশ্ব সংস্থাগুলোকে ইরানের ওপর মার্কিন ইসরাইলি সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।
ইরানের শক্তিশালি শাসকগোষ্ঠির কাছে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার হয়ে আমেরিকা এখন যুদ্ধ শেষ করতে চাইলেও ইরান এখন আর যুদ্ধ শেষ করতে রাজি নয়। ইরান অনবরত আমেরিকা ও ইসরাইলে সামরিক স্থাপনাসমূহ ক্ষতিগ্রস্থ করে চলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে আক্রমনের কোন সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারেননি। আসলে একমাত্র কারণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়া আমেরিকার দালাল ইসরাইলকে টিকিয়ে রাখা।
ইরানের উপর ইহুদী-মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিবাদে “আগ্রাসন প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক আন্দোলনের” উদ্যোগে শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা বায়তুল মোকাররমের উত্তর বারান্দায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে
সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা শওকত আমীন একথা বলেন।। বিক্ষেভ সমাবেশে বক্তাগণ মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান ও ইসরাইলি, মার্কিন, বৃটিশ, ইটালী, ভারতীয় ও কাদিয়ানী পণ্যসহ সকল শত্রু পণ্য বর্জন করে মুসলিম পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করার আহবান জানান।
আগ্রাসন প্রতিরোধ আর্ন্তজাতিক আন্দোলনের আহবায়ক ও ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা শওকত আমীনের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সদস্য সচিব ইলিয়াস রেজার পরিচালনায় এতে আরো গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ইসলামী বুদ্ধিজীবী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল হান্নান আল হাদী,
মুভমেন্ট ফর ফ্রী প্যালেস্টাইনের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান, আধিপত্যবাদ বিরোধী জনতার মঞ্চ এর প্রধান সমন্বয়ক মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, মাওলানা বেলায়েত আল ফিরোজী, নেজামে ইসলামির চেয়ারম্যান মাওলানা ওবাইদুল হক, মুফতী জসীমুদ্দিন ইয়াসিন, মাওলানা বরকত উল্লাহ, শান রায়হান, খায়রুল ইসলাম, হাফেজ শাহ আলম।