
ঈদের খুশি ভারি মজা
উর্ধ্ব গগনে উঠলো ফুটে,
নতুন চাঁদের হাসি।
ঈদের খুশি ভারি মজা,
দারুণ ভালো বাসি।
ঈদের দিনে ভোর বেলাতে,
উঠবো ঘুম থেকে।
দাদা দাদীর ছেলে বুড়ো,
দেব তাদের ডেকে।
ওজু গোসল করবো মোরা
পরবো নতুন জামা।
ঈদের মাঠে খোদার কাছে,
চাইবো গুনাহ ক্ষমা।
ভেদাভেদ যাবো ভুলে আজি,
ঈদের খুশির এই দিনে।
গরিব দুঃখির দুঃখ কষ্ট সব,
নিবো সবে আজ কিনে।
বাড়ি ফিরে করবো দাওয়াত,
প্রতিবেশী স্বজন যত।
হাসি মুখে সুখের কথা আরো,
বলবো তাদের ততো।
তবেই মোদের পূর্ণ হবে,
ঈদের এই আয়োজন।
ঈদের খুশি ভারি মজা সে,
বুঝে আর কয় জন?
বউয়ের হাতে রান্না
বউয়ের হাতে রান্না বেশ,
ভালোই মজা লাগে।
টাকি মাছের ভর্তাটা যেন,
আজও জিভে জাগে।
ডাউল টা আবার দারুণ লাগে,
রসুন পোড়া গন্ধে।
বউয়ের হাতে রান্না খেতে,
হয় না পেতে দ্বন্দ্বে।
বউটা আমার ভীষণ রাধে,
ভিন্ন স্বাদের খাবার।
যতই খাই স্বাদ মিটে না,
চাই খেতে যে আবার।
বউটা বড় লক্ষ্মী আমার,
শান্ত শিষ্ট থাকে।
খাবার সময় আসলে আমায়,
আদর করে ডাকে।
স্বাধীনতার ডাক
অগ্নি ঝরা মার্চে আসে,
স্বাধীনতার ডাক।
তাই বাঙালিরা পায় ফিরে,
মুক্ত স্বাধীন বাক।
স্বাধীন দেশ পতাকা আসে,
এই অগ্নি ঝরা মার্চে।
বাংলা মায়ের বীর সেনারা,
অস্ত্র হাতে ধরেছে।
স্বাধীনতার মহান নেতা,
ডাকলেন দেশের স্বাধীনতা।
অনেক সয়েছি আর নয়’ত,
থাকবো না তো পরাধীনতা।
অগ্নি ঝরা মার্চ একাত্তর,
উঠলো গর্জে সবাই।
এসো বাঙালি এক হও
শত্রু সেনাকে খেদাই।
রাঙা ফাগুন
নানা রঙের রঙ ছড়িয়ে,
এলো রাঙা ফাগুন।
গাছে গাছে ডাকছে কোকিল,
লাগছে মনে আগুন।
লাল ষাদা হলুদ রঙে,
এলো রাঙা ফাগুন।
ণানা রঙে রঙ ছড়ালো,
প্রকৃতিতে দ্বিগুণ।
গাঙচিল উড়ে নদীর কুলে
রাঙা ফাগুন এলে।
মৌমাছিরা বেজায় খুশি,
রাঙা ফাগুন পেলে।
সবার সেরা বসন্ত ঋতু
সবার সেরা বসন্ত ঋতু
নানা ফুল ফুটে।
প্রকৃতি অপরুপ শোভায়,
জাগরিত হয়ে উঠে।
বনে বনে কোকিল ডাকে,
কুউহু কুউহু করে।
তাই না দেখে আর পাখিরা,
সুখের গান ধরে।
সবার সেরা বসন্ত ঋতু,
পলাশ শিমুল ফুটে।
কৃষ্ণচুড়াও সতেজ তাজা,
হয় লাল টুকটুকে।
হুতোম প্যাঁচার গভীর রাতে,
হুতোম হুতোম ডাকে।
সবার সেরা বসন্ত ঋতু
গুণ গুণ মৌমাছিরা হাঁকে।