
ভারত সংবাদদাতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরূপনগর ব্লকের গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক ও শিক্ষক গোবিন্দ পান্তি প্রয়াত হলেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। গত ১৬ই মার্চ রাত সাড়ে বারোটার সময় বারাসাত হাসপাতালে প্রয়াত হন। তাঁর মৃত্যুতে স্বরূপনগর ব্লকের গোবিন্দপুর অঞ্চলের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তাঁর মরদেহ সকাল দশটার দিকে নিজ বাসভবনে আসে। শ্রদ্ধেয় গোবিন্দ পান্তি আজীবন বামপন্থী রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। সকাল সাড়ে দশটায় স্বরূপনগর ব্লকের সিপিআইএম পার্টির পক্ষ থেকে লাল পতাকা ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন ও নীরবতা পালন করেন গোবিন্দপুর বর্ষীয়ান নেতা সন্তোষ গাইন, স্বরূপনগর এরিয়া কমিটির সম্পাদক কমরেড সফিকুল সরদার, আনছার সরদার, সরবত আলি মণ্ডল, সফিকুল ইসলাম, নিরাপদ সরকার, জামাত সরদার, জায়েদ আলি, বরুণ সরকার, রমেশ হালদার সহ আরও অনেক গুণিজন। সকাল এগারোটায় মরদেহ নিজ কর্মস্থল বালকী হাই স্কুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বর্তমান আড়াই হাজার ছাত্র ছাত্রীদের শোক জ্ঞাপন ও সারিবদ্ধভাবে মরদেহ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার পর ছুটি ঘোষণা করা হয়। অতঃপর বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকা এবং ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সহ প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন, সভাপতি ইউনুস হোসেন, মিয়ারাজ মণ্ডল, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গোবিন্দ পান্তির ছাত্র মাজিজুল মণ্ডল তাঁর স্যারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে সুমধুর জীবনী আলোচনা করেন। উপস্থিত শিক্ষক শিক্ষিকা মরদেহের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। যেহেতু তিনি গোবিন্দপুর সমবায় সমিতির প্রাক্তন সদস্য ছিলেন তাই বেলা সাড়ে এগারোটায় গোবিন্দপুর সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন আশিষ মুখার্জি সহ আরও অনেকে।
এদিন সকাল থেকেই গোবিন্দপুরে গোবিন্দ পান্তির বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন দূরদূরান্ত থেকে কবি, সাহিত্যিক ধীরাজ রায়, কাকলি রায়, জয়ন্ত মন্ডল, গোকুল মণ্ডল সহ আরও অনেকে। আলোর সন্ধানে পত্রিকা গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে অপূর্ব মণ্ডল, মাকফুর রহমান, আনারুল হক, সরবত আলি মণ্ডল, জয়দেব বিশ্বাস সহ শতাধিক গুণিতন। বেলা বারোটা দশ মিনিটে বাড়ি থেকে নিকট আত্মীয় তরণীপুর শ্মশানের উদ্দেশ্য গমন করেন গোবিন্দ পান্তির অন্তিম যাত্রার উদ্দেশ্যে।