
ইঞ্জিঃ সিরাজুল ইসলাম
গত শুক্রবার কলকাতা বিমান বন্দরে আমেরিকান ভাড়াটিয়া সেনা ভারতের INA গ্রেফতার করেছে, সে সাথে দিল্লি ও লাখনৌ আরো ছয়জন ইউক্রেনের সেনা ধরা পড়েছে যারা জিজ্ঞেসাবাদে বলেছে তারা বিপুল পরিমাণ ড্রোন ও অস্ত্র এনে মিজোরাম ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কে দেয়ার ব্যবস্হায় ব্যস্হ যাতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার মিলে একটা খৃষ্টান রাষ্ট্র তৈরি মার্কিন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায় দ্রুত! খবরটা ভারতীয় পত্রিকা INDIA TOAY সহ অনেক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে!
প্রিয় পাঠক, এমন কথা তো বিগত পতিত নির্বোধ সরকার “শেখ হাসিনা” বলেছিলেন তার জোট ১৪ দলের মিটিং এ! ” তিনি বলেছিলেন, “একজন সাদা চামড়ার কূটনীতিক তাকে প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশের কিছু অংশ এবং মিয়ানমারের কিছু অংশ মিলে একটা খৃষ্টান রাষ্ট্র মেনে নিতে তা হলে “শেখ হাসিনা” নিশ্চিতে যতদিন ইচ্ছে ক্ষমতায় থাকতে পারেন, সচেতন অনেকেই পত্রিকায় পড়েছেন হয়তো।”
তাহলে আমেরিকার দক্ষিণ এশিয়ায় আর একটা “ইসরায়েল” প্রয়োজন যার বলির পাঠা “বাংলাদেশ”? আমাদের জানতে হবে বাংলাদেশের বড় শত্রু করা? বাংলাদেশের বড় শত্রু আমেরিকা ভারত ইসরায়েল না, বাংলাদেশের বড় শত্রু এই দেশের “শিক্ষিত অশিক্ষিত আহম্মক রা “! তারা ঘুসখোর, তারা গরীবের সম্পদ লুটকারী, তারা জনগণ কে মিস গাইডার, ধর্মীয় ভন্ড, তারা স্বাধীনতা কি তা বোঝে না, বিসিএস করা লোকের শত্রু যখন একজন সরকার শুধু, মার্কিন করিডর দেয়া নয়, আমেরিকা থেকে চাল, গোশ, খাদ্য আমদানি নয়, অপ্রয়োজনীয় বোয়িং কেনা নয়, চিটাগং পোর্ট মার্কিন বা পশ্চিমা হাতে তুলে দেয়া নয়, মিয়ানমারের কিছু অংশ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে খৃষ্টান রাষ্ট্র তৈরী নয়, “হাসিনা” নামক লোকটাকে তাড়ালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায়, ১৯৭১ এর স্বাধীনতা কোন স্বাধীনতা নয়!
সব জাতির জনক তারা মান্য করে, পাকিস্তানের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ভারতের গন্ধী, চীনের মাও সেতুং, আফগানিস্তানের জহির শাহ, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্নো, মালয়শিয়ার টুক্কু আঃ রহমান, শুধু ১৪ বছর জেল খেটে, সামরিক সরকারের অধীনে নির্বাচন করে, একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়ে, সশস্ত্র নয় মাস যুদ্ধ করে, ৭ ই মার্চ ১০ লক্ষ লোকের সামনে পরোক্ষ এবং ২৫ শে মার্চ লেট নাইট ইপিআর ওয়ারলেস এ স্বাধীনতা ঘোষণা করে স্বাধীনকরা বাংলাদেশের জনক মুজিব কে, তারা জাতির জনক মানে না, তারা সীতার অগ্নী পরীক্ষা নেয় মুজিব চিটা গাঙের ১০ কিলোমিটার রেঞ্জের রেডিওতে ঘোষণা দিলেন কিনা? ১০ কিলোমিটার রেঞ্জের রেডিও স্টেশন ঘোষণা কয় কিলোমিটার দূরে বসে শোনা যায় আমাদের দেশের শিক্ষিত অর্বাচীন রা তা-ও বোঝে না!
পাঠক, অন্য একটা বিষয় না বলে পারছি না, ভারতের সব ফুটানি শেষ! ইসরায়েল কে “ফাদার দেশ বলেও” রেহাই পেলো না কারন বাংলাদেশ আর মিয়ানমার ভূখন্ড মিলে খৃষ্টান রাষ্ট্র হলে ভারতের ঘাড় আগে মটকাবে তারপর ইরান চীন রাশিয়া যতদূর হাতে লাগল পায়! বঙ্গোপসাগর হবে বাহরাইনের মত বিশাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাটি!
বাংলাদেশ তো প্রশান্ত মহাসাগরের অতলের সে ১১ কিলোমিটার গভীর মারিয়ানা ট্রেন্সের নিচে চলে গেছে ৫ ই আগষ্ট ২০২৪ সালে, তার আর নতুন করে হারাবার কিছু নাই! বাংলাদেশ নিয়ে দূঃখ করার ও আর কিছু নাই! এদেশের ক্ষমতায় আসাও একটা বিপদ —-