শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

সৈয়দেনা মোবারক শাহ (রাঃ) এর ৬৪তম পবিত্র ওরশ মোবারক আজ

Coder Boss
  • Update Time : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৭ Time View

স্টাফ রিপোর্টার:
আজ ২৭ মার্চ ২০২৬ “পবিত্র ৭ই শাউয়াল”রোজ শুক্রবার রাত ৮.০০ ঘটিকায় বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ,আলেমেদ্বীন,সূফী সাধক,গাউছে জামান “হযরত সৈয়দি মাওলায়ী, মুর্শীদী সৈয়দেনা মোবারক শাহ (রাঃ)” পবিত্র ওরশ মোবারক,বিশেষ কুলশরীফ, ফাতেহা খানি,খাস দোয়ার মেহফিল বকশি বাজার খানকাহ শরীফ, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।
পবিত্র ওরশ মোবারকে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করবেন, বকশি বাজার দরবার শরীফের বর্তমান গদীনশীন পীর, বিশিষ্ট সমাজসেবক, সুফি স্কলার, শীর্ষ ব্যবসায়ী, দানবীর, ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার আল মোবারকী ক্বাদরী, চিশতি পীর কেবলা।
মেহফিলে সকল স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং খানকাহ শরীফের সকল মুরীদান ,অসংখ্য আশেকে রাসূল, বরেণ্য শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ঠ ব্যাবসায়ী, সরকারের উচ্চ পদস্থ’ কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ওলামা মাশায়েক ও ভক্তরা অংশ গ্রহন করবেন ।
বকশি বাজার খানকাহ শরীফ এর পীর সাহেব কেবলা সকল আশেকান, মুরিদ ও শুভানুধ্যায়ীদের আজকের পবিত্র ওরশ মোবারকে আন্তরিকভাবে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
“হযরত সৈয়দি মাওলায়ী, মুর্শীদী সৈয়দেনা মোবারক শাহ (রাঃ)” মাজার শরীফ পেশাওর পাকিস্তানে। উনি হলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, হাফেজে কুরআন, ফকির, মরমী কবি ও সাহিত্যিক, সুফি সাধক ও সমাজসেবক, পুরাতন ঢাকার কৃতি সন্তান “হযরত হাফেজ মোহাম্মদ জহুর হক মোবারকী” কাদেরীর পীর ও মুর্শেদ সৈয়দ।“হযরত হাফেজ মোহাম্মদ জহুর হক মোবারকী”, হুজুরের উল্লেখযোগ্য কালাম কোয়ী রু-বা সুয়ে কেবলা, কোয়ী রু-বা রুয়ে জাঁনা; ওহ নামাজে যাহেদানা, ইয়ে নামাজে আশেকানা। হযরত সুফি জহুরুল হক মোবারকী (রহ.) ছিলেন এক বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ব্যক্তিত্ব, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, ফকির, হাফেজে কুরআন, সুফি স্কলার, ফার্সি ও উর্দু কবি ও সাহিত্যিক। পুরাতন ঢাকার এই কৃতি সন্তান তাঁর জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নবীপ্রেমময় জীবনদর্শনে অসংখ্য মানুষের প্রেরণার উৎস হয়ে আছেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রথম বিখ্যাত দিওয়ান“গাযলানে হারাম” (১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দ) তাঁরই রচনা, যা বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে সুফি ভাবধারার এক উজ্জ্বল নিদর্শন। তিনি ছিলেন এক প্রতিষ্ঠান স্বরূপ ব্যক্তিত্ব ধর্ম, সাহিত্য ও সমাজসেবায় রেখেছেন অবিস্মরণীয় অবদান। একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবেও তিনি তাঁর উপার্জিত অর্থ খানকাহ শরীফ, মাদরাসা, দাতব্য ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে অকাতরে ব্যয় করতেন। তাঁর জীবন ছিল জ্ঞান, ভক্তি, মানবপ্রেম ও সেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
খানকাহ ফকির জহুর আল কাদরী,বকশি বাজার খানকাহ শরীফ, ঢাকার, বর্তমান গদ্দীনশীন হযরত শাহ সুফি সাঈদ আনওয়ার মোবারকী হুজুর কেবলা একজন সমাজ সেবক, দানবীর ও মোবারকী গ্রুপ অফ কোম্পানির প্রেসিডেন্ট ।
বকশিবাজার দরবার শরীফ শুধু একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্রই নয়, বরং সুফিবাদের আলোকে ইসলামি মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং আর্তমানবতার সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এ কারণে ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস এখানে বিশেষভাবে পালিত হয়।
শাহসূফী আল মোবারকী ক্বাদরী পরিচালিত খানকাহ্ ফকির জহুর আল ক্বাদরীতে প্রায় দীর্ঘ ৪ যুগের অধিক সময় ধরে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার বার দরূদ শরীফ ও খতমে খাঁজেগান এবং প্রতি আরবী মাসে চাঁন্দের ১১ তারিখ বাদে এশা এগারো শরীফের আমল, মিলাদ ও কেয়াম শরীফের বরকতী আমল, হামদ ও নাঁত শরীফ, শানে বেলায়াত, বুর্দায়ে বড়পীর আব্দুল কাদির জিলানী, কাসিদায়ে খাজা গারিবে নেওয়াজ ও আশিকী কালামের মজলিশ প্রচলন রয়েছে।
উল্লেখ্য, আধ্যাতিক ও মানবতার অনন্য মূর্ত প্রতীক ফকির শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী, পীর, বকসিবাজার, খানকাহ্ শরীফ একজন সুফি স্কলার, শিল্পোদোক্তা ও মানবতার সেবক। “কেবল সেবা নয়, মানুষকে দাও তোমার হৃদয় এবং নি:স্বার্থ প্রেম। হৃদয়হীন সেবা নয়, তারা চায় তোমার অন্তরের স্পর্শ এরকম প্রেমের উক্তি যাঁর মুখেই কেবল সিমাবদ্ধ নয় ; যিনি আর্তমানবতার সেবায় মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে নিজকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন এবং নিজের উপার্জিত অর্থে প্রায় ৪ যুগ ধরে আধ্যাতিক ও মানবসেবার খেদমতে নিয়োজিত, চার তরিকার অনন্য মার্কাজ, খানকাহ ফকির জহুর আল কাদরী-এর বর্তমান পীরসাহেব কেবলা, ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী হাফিজাহুল্লাহ। সারাবিশ্বের অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, সুফি স্কলার, শীর্ষ ব্যবসায়ী, দানবীর, ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার আল মোবারকী ক্বাদরী পীর কেবলা। তিনি সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা অবহেলিত, বঞ্চিত, অনাথ, তাদেরই বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছেন এবং সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে গড়ে উঠেতে আর্থিক, মানুষিক ও আধ্যাতিক সব রকমের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। মানবিক সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে কিছু মানুষ আছেন যাঁরা গড়ে উঠেন মানবিকতা পূর্ণ সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে এবং কাজ করে যান নীরবে নিভৃতে। এমনই একজন বিরল মহামানব ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী হাফিজাহুল্লাহ। আত্মপ্রচার নয়, আত্মতৃপ্তিই যাঁর মূল উদ্দেশ্য। মানবতার কল্যাণে নিজেকে কিভাবে বিলিয়ে দেয়া যায় তার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত তিনি। কখনও ছুটে যান মাদরাসার এতিমদের পাশে আবার কখনও কোন দরিদ্র মানুষের ঘরে, পথে প্রান্তরে। প্রতিদিন ভাল কাজের পাশাপাশি অসংখ্য মেহমানকে সাথে নিয়ে খানা খাওয়া যাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস। মানুষকে ভালবাসা ও মেহমানদারী করা তাঁর পরম আনন্দ, মানুষের কল্যাণই তাঁর ব্রত। উনাকে বাংলার মানবতার পায়রা তথা শান্তির দূত বলে অভিহিত করা যেতে পারে। সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িয়ে জীবনে তৃপ্তি খোঁজেন দেশের শীর্ষ উদ্ভাবক ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, মানবতার ফেরিওয়ালা ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী হাফিজাহুল্লাহ। শত কর্মব্যস্ততার পাশাপাশি নতুন-নতুন উদ্ভাবন করেও থেমে থাকেন নি তিনি। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ, ছিন্নমূল পথশিশু ও রাস্তায় থাকা মানুষের বাসস্থান ও খাবারের ব্যবস্তা করতে থাকেন এই বাংলার মানবিক পীর সাহেব কেবলা। বহু বছর ধরে তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ড ও মানবসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় ইতোমধ্যে তাঁর ঝুলিতে জমা হয়েছে স্বর্ণপদকসহ অসংখ্য সম্মাননা স্মারক। করোনাকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড ওয়াশ, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণসহ ঘরে থাকা কর্মহীন মানুষ ও ভক্ত-মুরিদের জন্য প্রতিনিয়ত খাদ্য সরবরাহ করেছেন তিনি। ১ ঘন্টার জন্যও তাঁর খানকাহের মূল ফটক (মানুষের সমস্যা সমাধানে) বন্ধ করেন নি তিনি। ঢাকা আলীয়া মাদরাসা সংলগ্ন বকসিবাজার মোড়ে অবস্থি’ত ফকির শাহ্ সাঈদ আনওয়ার আল মোবারকী ক্বাদরী পরিচালিত খানকাহ্ ফকির জহুর আল ক্বাদরী।
পীর সাহেব কেবলা সেই দোয়া করেন যেন সকল মুরিদান নিজ নিজ সাধ্য অনুযায়ী অন্তরে মোহাব্বত, ইশক ও ভালোবাসা ভক্তি সহকারে এই পবিত্র ওরশ মোবারকে শরীক হওয়ার তৌফিক আল্লাহপাক সবাইকে এনায়েত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102