
মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ডাকাতদলের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২৯ মার্চ) গভীর রাতে ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ডালিয়া–জলঢাকা এবং ডিমলা–ডোমার সড়কের স্লুইসগেট এলাকায় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। পরে তারা চলন্ত ট্রাক, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে চালক ও যাত্রীদের জিম্মি করে ফেলে।
ডাকাতরা ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ৫০টি মোবাইল ফোন ও প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি নগদ অর্থ লুট করে নেয়। এ সময় তারা কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে এবং চালক-যাত্রীদের মারধর করে আহত করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যারা জানালা খুলতে দেরি করছিল তাদের ওপর ডাকাতরা আরও বেশি হামলা চালায়।
ঘটনার সময় রাত আড়াইটার দিকে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ডিমলা থানায় খবর দেন। পরে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে ডাকাতদের ধাওয়া করলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা ডিমলা থানা এবং র্যাব-১৩ সিপিসি-২, নীলফামারীতে অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে ডিমলা উপজেলার দক্ষিণ সোনাখুলি গ্রাম থেকে নুরল হকের ছেলে আ. মালেক (৩৫) কে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিমলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পরিতোষ রায় জানান, ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ডাকাতদলের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।