
স্টাফ রিপোর্টার, জগন্নাথপুর
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সামাজিক ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বহুল প্রচারিত জাতীয় সাপ্তাহিক আজকের জনকথা পত্রিকার উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, প্রবাসী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি রূপ নেয় স্থানীয় নেতৃত্ব ও নাগরিক ভাবনার এক গুরুত্বপূর্ণ মিলনমেলায়।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত ৮টায় জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টে মিতালী রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন বেলাল। তিনি বলেন, “গণমাধ্যম সমাজের বিবেক। সত্য, ন্যায় ও জনস্বার্থ রক্ষায় দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।” তিনি ঈদের চেতনায় বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।
সাপ্তাহিক আজকের জনকথা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আহমেদ হোসাইন ছানুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন
জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামীম আহমদ। তিনি বলেন, স্থানীয় উন্নয়ন, নাগরিক সেবা ও জনদুর্ভোগের বিষয়গুলো তুলে ধরতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং এই ধারা আরও শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথপুর বাজার তদারক কমিটির সম্ভাব্য সেক্রেটারি প্রার্থী ও ‘অল টাইম ক্লিন জগন্নাথপুর’-এর সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ শাহজাহান মিয়া পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত ও আধুনিক জগন্নাথপুর গঠনে সামাজিক উদ্যোগের পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম সারোয়ার, কয়েছ আহমেদ, বাবুল দাস, ডাঃ শাহিন আলম, মোঃ শাহারিয়া, মোহাম্মদ সুজন মিয়া, মোঃ আল আমিন এবং ইরাক প্রবাসী আবুল হোসেন ভূইয়াঁসহ স্থানীয় বিশিষ্টজনরা।
বক্তারা বলেন, ঈদ পুনর্মিলনী শুধু আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার বন্ধন দৃঢ় করার একটি কার্যকর উদ্যোগ। তারা স্থানীয় সমস্যা, উন্নয়ন সম্ভাবনা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ নিয়ে মুক্ত আলোচনা করেন।
ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়, মতবিনিময় সভা ও নৈশভোজের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান। অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন—এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে সাংবাদিকতা ও সামাজিক নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করবে এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।