মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ঈদের সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে জগন্নাথপুরে ‘আজকের জনকথা’র পুনর্মিলনী সাংবাদিকতা, সমাজ ও উন্নয়ন ভাবনায় এক মঞ্চে স্থানীয় নেতৃত্ব এডমিন ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে সিংগাইরের শাহরিয়ার আবির নিয়ামতপুরে পুকুর দখল, মাছ চুরি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদে জগন্নাথপুরে গণসমাবেশ সিংগাইরে ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি পরিচয় দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সংবাদ প্রকাশের পর শসা খেত পরিদর্শনে কৃষি কর্মকর্তারা একাত্তর থেকে ২০২৬: ইতিহাসের দায়বদ্ধতা ও নতুন প্রজন্মের কাছে প্রত্যাশা জগন্নাথপুরে ১৫তম সাপ্তাহিক দাবা টুর্নামেন্ট ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ১০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে অকেজো জগন্নাথপুর বাজারের সিসি ক্যামেরা: বাড়ছে চুরি ও অপরাধের আতঙ্ক এসিপিবির সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মনোনীত হলেন শাহ্ মাহফুজুল করিম

সংবাদ প্রকাশের পর শসা খেত পরিদর্শনে কৃষি কর্মকর্তারা

Coder Boss
  • Update Time : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২ Time View

 

মো.রকিবুল হাসান বিশ্বাস, মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

শসা চাষে লোকসান ও কৃষকদের হতাশা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর মানিকগঞ্জের সিংগাইরে কৃষি বিভাগের তৎপরতা বেড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের খেত পরিদর্শনে মাঠে নেমেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলার সায়েস্তা ও জয়মন্টপ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে শসা খেত পরিদর্শন করেন জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার এ কে এম হাসিবুল হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুল বাশার চৌধুরী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অসীম কুমার তালুকদার ও মো. নুরুজ্জামান।
গত বৃহস্পতিবার( ২ এপ্রিল) বহুল প্রচারিত দৈনিক”আজকালের আলো”পত্রিকায় “শসা চাষে লোকসান, হতাশায় সিংগাইরের কৃষক” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিম্নমানের বীজ, কম ফলন এবং চাষিদের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি বিভাগের এ তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়।
পরিদর্শনকালে কর্মকর্তারা শসা খেত ঘুরে দেখেন ও ফলনের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন।
কৃষকরা জানান, গাছ দেখতে ভালো হলেও ফলন অত্যন্ত কম হয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে গাছ মাচায় ওঠার পরই হলুদ হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে, ফলে প্রত্যাশিত উৎপাদন পাওয়া যায়নি। তারা আরও বলেন, জমি প্রস্তুত, বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিক ব্যয়সহ উৎপাদন খরচ বেড়েছে। কিন্তু ফলন না হওয়ায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই খরচের অর্ধেকও ওঠেনি। কেউ কেউ লোকসান কমাতে আগাম গাছ কেটে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন।
একাধিক কৃষক জানান, বাজার ও অনলাইন থেকে কেনা বীজের নিম্নমানই এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী। চটকদার প্রচারণা ও বিক্রেতাদের আশ্বাসে বীজ কিনলেও ফলনে তার প্রতিফলন মেলেনি। অভিযোগ জানালেও বিক্রেতারা দায় এড়িয়ে যান বলে দাবি করেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুল বাশার চৌধুরী বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বীজের মান নিয়ে অভিযোগ থাকায় বীজ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102