
সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতির পরিচয় দিয়ে ও প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিঁয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে আব্দুর রহিম কোম্পানীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনা নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় কয়েকদিন যাবৎ ব্যাপক তোলপাড় চলছে।
ভুক্তভোগী বলধারা ইউনিয়নের বেরুন্ডি এলাকার কেবিসি ইটভাটার ম্যানাজার মো.আবুল হোসেন অভিযোগ করে বলেন,বলধারা ইউনিয়নের মানিকদহ এলাকার এমএমসি ইটভাটার মালিক আব্দুর রহিম নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ইটভাটার মালিক সমিতির পরিচয় দিয়ে তার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।
জানাযায়,গত ৩০ মার্চ ইটভাটায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এসময় কেবিসির ২টি ইটভাটায় দেড় লাখ টাকা করে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী অভিযানের সময় উপস্থিত থেকে আব্দুর রহিম কোম্পানী ম্যানাজার আবুল হোসেনের কাছে ৫ লাখ টাকা জরিমানার কথা বলে । আবুল হোসেন তাৎক্ষনিক জরিমানার টাকা দিতে না পেরে একটু সময় নেয়। এর মধ্যে টাকা যোগার হলে ৩ লাখ পরিশোধ করে রশিদ সংগ্রহ করেন । পরবর্তীতে বাকি ২ লাখ টাকা আব্দুর রহিম সুকৌশলে ভুক্তভোগী আবুল হোসেনের কাছ থেকে নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
কেবিসি ইটভাটার মালিক মো.আকবর আলী বলেন,২ লাখ টাকা নেয়ার পর আবারও আমার ম্যানাজারের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে। পরে বিষয়টি ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মো.ইলিয়াস হোসেনকে জানানোর পর আব্দুর রহিম দুই লাখ টাকা ফেরৎ দেয়ার জন্য গোঁপনে লোক পাঠাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
সিংগাইর উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মো.ইলিয়াস হোসেন জানান,আব্দুর রহিম কমিটির কেউ না। নিজে নিজে সভাপতি দাবি করেন। টাকা নেয়ার বিষয়টি আমি ভুক্তভোগীদের কাছ শুনেছি।
এ ব্যাপারে আব্দুর রহিম মুঠোফোনে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করছে সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। ঘটনাটি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি অফিসার খায়রুন্নাহার(পপি) জানান, কেবিসি ইটভাটার ম্যানাজার আবুল হোসেনের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।