
মোঃ জাবেদুল ইসলাম
রমনীগঞ্জ, বড়খাতা, হাতীবান্ধা,
লালমনিরহাট, বাংলাদেশ।
আশ্বিন মাসের ত্রিশ তারিখে,
শিয়াল পণ্ডিতের বিয়ে।
ভাবছে বসে শিয়াল পণ্ডিত,
দারুণ খুশি ভাব নিয়ে।
শরতের শেষ সময়ে শিয়াল,
পন্ডিত ইচ্ছে পোষণ করে.
খেক শিয়ালকে করবে বিয়ে,
মহাখুশি অনেক ধরে।
একদিন হঠাৎ ডাকলো সভা,
গহিন বনের ভেতর।
বনের যতো পশুপাখি সবাই,
হচ্ছে আজি সচেতন।
বাঘ মামা, সিংহ মামা,
আসলো সভায় ছুটে।
শয়না টিয়া বাবুই চড়ুই,
আসলো তারা উঠে।
সভাপতি সিংহ মামা তবে,
করলো সভা শুরু।
শিয়াল পণ্ডিতের এই সভায়,
সিংহ মামাই গুড়ু।
মিটিং ফিটিং করে সবাই,
হলো ঐক্য মত।
আসবে সবাই এই বিয়েত,
বনের পশুপাখি যত।
কেউ বা খাবে কোর্মা পোলাও,
কেউ বা খাবে ভাত।
কেউ বা খাবে রুটি গোস্তো,
কেউ বা চাটবে হাত।
সবার মতামত নিয়ে আজ,
সভা করলো শেষ।
বলছে এবার দারুণ হয়েছে,
লাগছে বেশ বেশ।
গয়না গাটি কাপড় চোপড়,
করলো কেনা কাটা।
মেকাব বক্স কসমেটিক যে,
শিয়াল পণ্ডিতের আটা।
খরচাপাতি গয়না গাটি,
সবে হলো কেনা।
সবাই দিলো টাকা করি,
নাই তো আর দেনা।
দিন ঘনিয়ে আসলো এবার,
আশ্বিনের ত্রিশ তারিখ।
শিয়াল পণ্ডিতের এই বিয়েতে,
হলো সবাই আজ শরিক।
ডিজে পাটি ব্যান্ড পাটি,
ঢোল তবলা যতো।
নাচছে আর গাইছে সবাই,
আনন্দ তার কতো।
শেষ হলো শিয়াল পণ্ডিতের
স্বপ্ন সাধের বিয়ে।
বরণ করে নিলো তবে,
ময়ুর ময়না টিয়ে।