
মেঠোপথের ভোর
বাড়ির পাশে মেঠো পথে
আঁকা বাঁকা রাস্তা
সকাল হলে শিশির জমে
মনে মেলে আস্থা
ধানের ডগার শীষে জাগে
বিন্দু বিন্দু কণা
ভোরের আলো ফোটার মতো
চোখে খেলে লোনা
পাখির ডাকে কাঁপে হাওয়া
রোদে ঝিলিক দেয় ধান
মেঠো পথে হারায় যেতে
ইচ্ছে ভীষণ মন প্রাণ
হেলে দুলে ধানের ডগায়
ভরে নতুন গন্ধে
বাতাস মাঝে শিষের শব্দ
সুর যে তোলে ছন্দে
মেঠো পথে হেঁটে যেতে
ইচ্ছে বহু দূরে
সঙ্গী ছাড়া স্বাদের হাঁটা
মনে কি আর ধরে
দিগন্ত জুড়ে সবুজের মাঠ
চোখে দেয় প্রশান্তি
সুন্দর দেশের সোনার ফসল
দেখলে মিটে ক্লান্তি
বিষণ্নতার চাঁদ
তোমার বিষণ্নতা আজ
চাঁদের আলোকেও মলিন করে দিয়েছে।
চারদিকে কোলাহল, অথচ
তোমার অভাব বিষণ্নতায় ছেয়ে গেছে।
চাঁদের সেই স্নিগ্ধ, লাজুক স্বভাবের
মিষ্টি আলো আজ মনে
কোন আনন্দ দোলা দিচ্ছে না।
মিটিমিটি হাসছে যেন চাঁদটা,
তবুও লাগছে গম্ভীর—
যেন জিজ্ঞেস করছে,
“বিষণ্নতায় তুমি কি একদম চৌচির?”
পুবালি হাওয়া
পুবের হাওয়া ভেসে চলে,
ও পুবালি হাওয়া,
মনে আমার উদাস আসে,
করে আসা যাওয়া।
পাতার ভাঁজে ভেসে যাবে
ফিরে দেখা অতীত,
ভিজায় দিও চোখের কণা,
হারানো সেই আমীত।
বাতাসের সেই শিরশির শব্দে
ঠেলো অতীত দূরে,
ঝিরি ঝিরি বৃষ্টির মাঝে
হৃদয় ডাকে তারে।
পুবের মিষ্টি মাখা বাতাস
মনে জাগায় স্বপ্ন,
গাছের নাচে গানের তালে
কাটে বহু লগ্ন।
পাতার সাথে খেলে হাওয়া,
ফিরে আনে স্মৃতি,
চোখে আনে রঙিন স্বপ্ন,
জাগে প্রেমের প্রীতি.