শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন এমপি প্রার্থী তালহা আলম বড়হাতিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষের সমথর্নে গণসংযোগ নিয়ামতপুরে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা মধ্যনগরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার আধুনিক ও উন্নত সেবার অঙ্গিকার নিয়ে যাত্রা শুরু লোহাগাড়ায় রয়েল কেয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক বহিষ্কারাদেশের চিঠি পেয়ে আমি ব্যথিত নই; বরং আমি আনন্দিত: শফিকুল ইসলাম রাহী শিরক-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান খুলনা আর্ট একাডেমির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি অর্জনে গর্বিত প্রতিষ্ঠান মানবিকতার আলোকবর্তিকা স্পেশাল ব্রাঞ্চের মানবিক সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে ক্লাসিক চেস্ ক্লাবের সম্মাননা কবিতাঃ জীবন কবিতা

নুপুর রায় এর একগুচ্ছ কবিতা

Coder Boss
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭৪ Time View

 

বৃষ্টি

ঝরে ঝরে ঝর্‌ ঝর্‌ ধারা,
অশ্রুর মতো স্নিগ্ধ তারা,
মেঘের ডাকে বাজে গান—
ভিজে ওঠে অশান্ত প্রাণ।

তটিনীর ঢেউ দুলে যায়,
পল্লব ভিজে ছায়া ছায়া,
মাটির গন্ধ জাগে হঠাৎ,
মনে ভেসে ওঠে প্রভাত।

শিশুরা নাচে ভিজে ঘাসে,
চঞ্চল হাওয়ার খেলার পাশে,
কৃষকের মুখে হাসি ফুটে—
ধানের ক্ষেতে জল ঢুকে।

আকাশ জুড়ে রঙের খেলা,
বজ্রের সুরে ভেসে মেলা,
জীবন স্নিগ্ধ হয় যে তাতে,
বৃষ্টি মেশে ভালোবাসাতে।

দিগন্ত জুড়ে নাচে আলো,
বিদ্যুৎ-এর ঝলক যেন ভালো,
অন্ধকারের বুক ভেদ করে
নতুন আশা আসে ঘরে।

ভিজে গলির পথের ধারে,
ভালোবাসা ছোঁয়া তারে,
বৃষ্টিধারার স্নিগ্ধ সুরে
প্রাণ মিশে যায় অনন্ত নূরে।

স্বপ্নজাল কবি

আমি বুনি শব্দের জাল,
স্বপ্নের রঙে রঙিন সকাল।
ছন্দের স্রোতে ভাসাই মন,
প্রাণে জ্বলে কবিতার প্রদীপগণ।

আমার কলম আঁকে আলো,
অন্ধকারে ফোটায় ভালো।
বেদনার ভাঁজে রাখি গান,
অশ্রুর ভিতর জাগাই প্রাণ।

আমি নুপুর—শব্দের রায়,
স্বপ্নজালে বুনি পরিচয়।
কবিতার ডানায় উড়ি নির্ভীক,
আমার নামেই জাগে সঙ্গীত।

স্বপ্নে বাঁধি আলোর পথ,
কণ্ঠে জ্বলি বিদ্রোহ-শপথ।
যতদিন বাজে ধ্বনি-তরী,
“নুপুর রায়—স্বপ্নজাল কবি।”

তোমায় ঘিরে সাজাবো স্বপন

দুচোখ ভরা মায়া আমার
মনে আছে আশা,
তোমায় ঘিরে সাজাবো সখি
স্বপ্নরঙের বাসা।

ঝড় হাওয়ায় ভাঙবে না গো
আমার ছোট ঘর,
তোমায় নিয়ে থাকবো সেথায়
আজন্মদিন পর।

কথা দাও গো প্রাণের সাথী
যাবে না তো ছেড়ে,
তুমি ছাড়া শুন্য বুকের
প্রাণপাখি যায় উড়ে।

জানি নারে কেন তুমি
হৃদয়েতে আপন,
তোমায় হারাবার ভয়েতে
মনে জাগে কাঁপন।

তবু যদি যাও হারিয়ে
আমায় একলা করে,
প্রেমের শিখা জ্বলে উঠবে
সাধের কুঁড়ে ঘরে।

তখন হয়তো পড়ে রবে
আমার নীথর দেহ,
পথিক ছাড়া কেহ নাহি
দেখবে তখন কেহ।

তবু তোমায় দোষ দেবো না
প্রাণের মাঝে রবে,
মনের বেদনায় বিদায় নেব
শান্তি পাবো তবু।

শীতের পিঠা

​শীতের শেষে কুয়াশা যখন
সরে যায় একটু দূর,
খেজুর গুড়ের গন্ধ তখন
পাক করে মনের সুর।
​আঙিনাতে সব পিঠা হয় তৈরি,
মা-দিদিরা জোটে পাড়ে,
ভাপা পুলি আর চিতইয়ের বড়ি
খেতে চায় বারে বারে।
​গরম পিঠাটি মুখে যেই পড়ে
জুড়িয়ে যায় সেথা প্রাণ,
রসে ডুবিয়ে  খেলে মজা করে
গাই শুধু খুশির গান।
​কাক পক্ষী সব আসে উঁকি মেরে
চায় যদি একটুখানি,
সবার তরে তাই পিঠা দেবো বেড়ে
শীতকালের এই শনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102