
এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির
—
ভূমিকা: উপকূল—যে দেশকে রক্ষা করে চুপচাপ
বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূল যেন এক বর্ণিল ক্যানভাস—নদীর জল, জোয়ার-ভাটা, সূর্যের ঝিলিক, আর নোনা–হাওয়ায় লুকিয়ে থাকা সংগ্রামের গল্পে পরিপূর্ণ।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই জনপদ মানুষের অদম্য সাহস ও মাটির প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রমাণ বহন করে এসেছে। কিন্তু প্রকৃতির সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করে টিকে থাকতে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সহায় ছিল—এবং এখনও আছে—উপকূলীয় বেঁধিবাঁধ, যা সত্যিকার অর্থেই মানুষের জীবনরক্ষায় শেষ প্রাচীর।
তবে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও সেই প্রাচীর আজও দুর্বল, ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনেক জায়গায় বারবার ভেঙে পড়ছে। যেদিন দক্ষিণ উপকূলের বাঁধ ভাঙে, সেদিন ভেঙে যায় হাজারো মানুষের ঘর, ভেঙে যায় তাদের স্বপ্ন, ভেঙে পড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও সামাজিক জীবন।
এই ব্যর্থতা শুধু প্রকল্প বাস্তবায়নের নয়—এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বছাড়, এটি নীতিনির্ধারণের গাফিলতি, এটি উন্নয়ন পরিকল্পনার দীর্ঘমেয়াদী ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি।
তাই এই লেখার কেন্দ্রীয় প্রশ্ন—
স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পরেও কেন দক্ষিণ উপকূল টেকসই বাঁধ পেল না?
এখন কী করণীয়?
এবং আমরা কি সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই সমাধান গ্রহণ করতে পারব?
এই প্রশ্নগুলিই আজ জাতীয় ইস্যু।
—
১. উপকূলের ভৌগোলিক বাস্তবতা: একদিকে সাগর, অন্যদিকে সুন্দরবন
বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা পৃথিবীর অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল, কারণ—
১) এটি সমুদ্রের সর্বনিম্ন উচ্চতার এলাকায় অবস্থিত।
অনেক জায়গা মাত্র ২–৩ মিটার উঁচু।
২) জোয়ার-ভাটার উচ্চতা ক্রমশ বাড়ছে।
৩) ঘূর্ণিঝড়ের বেগ প্রতি দশকে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৪) নদী-মোহনার পরিবর্তন দ্রুত ঘটছে।
৫) লবণাক্ততা বাড়ছে স্থায়ীভাবে।
এ বাস্তবতার কারণে দক্ষিণাঞ্চল টিকে থাকতে পারে শুধুমাত্র একটি উপায়ে—
বাঁধকে শক্তিশালী রেখে।
এ অঞ্চলের ওপরে দাঁড়িয়ে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য—সুন্দরবন, যা বাংলাদেশের জন্য—
প্রাকৃতিক ঢাল
ঘূর্ণিঝড়-বাফার জোন
জীববৈচিত্র্যের কেন্দ্র
অক্সিজেনের উৎপাদক
জলবায়ু স্থিতিশীলতার ভিত্তি
সুন্দরবন যে আঘাত সয়, উপকূলের বাঁধ সেটি সামলে নিতে না পারলে পুরো এলাকা নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে।
—
২. স্বাধীনতার পরে ৫৪ বছরে কী হলো আর কী হলো না
স্বাধীনতার ৫৪ বছরে বহু পরিকল্পনা এসেছে—
কিন্তু কোনটাই স্থায়ীভাবে ঝুঁকিমুক্ত করতে পারেনি দক্ষিণ উপকূল।
ক) কোস্টাল এমব্যাংকমেন্ট প্রজেক্ট (CEP)
১৯৬০–৭০ দশকে নির্মিত মূল বাঁধসমূহই আজও অধিকাংশ এলাকায় ব্যবহৃত—প্রায় ৫০–৬০ বছর পুরোনো!
রক্ষণাবেক্ষণ নেই বললেই চলে।
খ) পাউবো (BWDB)-র প্রকল্প
নকশা, মান, স্বচ্ছতা—সবকিছুতেই প্রশ্ন।
গ) আন্তর্জাতিক সহযোগী প্রকল্প
ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, এডিবি, জাইকা—সবাই বিভিন্ন সময় প্রকল্প নিয়েছে, কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ফলাফল নেই।
ঘ) ডেল্টা প্ল্যান ২১০০
অত্যাধুনিক, গবেষণানির্ভর, বিশ্বমানের পরিকল্পনা—
কিন্তু বাস্তবায়নের গতি অত্যন্ত ধীর।
ঙ) স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণের অভাব
বাঁধ ভাঙে কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকায় বসে।
যারা সবচেয়ে বেশি জানে—স্থানীয় কৃষক, মৎস্যজীবী, বাঁধপাড়ের মানুষ—তাদের প্রস্তাব প্রায়ই উপেক্ষিত।
ফলে বাস্তব সংকট থেকে সমাধান ক্রমেই দূরে।
—
৩. জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: উপকূল যেন ধ্বংসের প্রান্তে
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
বিশ্বব্যাপী গড়ে ৩.২ মিমি হারে সমুদ্রপৃষ্ঠ বাড়ছে।
বাংলাদেশ উপকূলে এর প্রভাব আরও বেশি—প্রায় ৪–৫ মিমি পর্যন্ত।
ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি
আগের তুলনায় ঘূর্ণিঝড়ের—
গতি বেড়েছে
পানিবাহিত জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা বেড়েছে
সময়কাল দীর্ঘ হয়েছে
ঘনত্বও বেড়েছে
উচ্চ জোয়ারের স্তর ২০০০–২০২৪: বৃদ্ধি ২৫–৩০ সেমি
এর মানে, পূর্বের বাঁধগুলো আর উপযোগী নয়।
নদীবাহিকার পরিবর্তন
খুলনা–সাতক্ষীরা অঞ্চলে নদীর গতিপথ বদলে স্রোতের শক্তি বেড়েছে।
বাঁধে চাপও বেড়েছে।
লবণাক্ততা বৃদ্ধি
বিশেষ করে শ্যামনগর, আশাশুনি, দাকোপ, কয়রা এলাকায় লবণাক্ততা এখন ২/৩ মাস নয়— প্রায় সারা বছর।
এই জলবায়ু পরিবর্তন প্রক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে—
২০৫০ সালে দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল অংশ প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি
২০৭০ সালে বহু গ্রাম স্থায়ীভাবে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা
২১০০ সালের আগে ১ মিটার সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধির সম্ভাবনা
অর্থাৎ টেকসই বাঁধ ছাড়া দক্ষিণ উপকূল বাঁচবে না।
—
৪. দক্ষিণ উপকূলের সবচেয়ে বিপন্ন অঞ্চল: কয়রা–দাকোপ–শ্যামনগর
আইলার ক্ষত এখনো রয়ে গেছে
২০০৯ সালের আইলা উপকূলের ইতিহাস পাল্টে দিয়েছে।
প্রায় ১ বছর জলবন্দি জীবন
পানির নিচে রাস্তা–ঘাট
ভেঙে যাওয়া বাড়ি
লবণাক্ততার ভয়াবহতা
১ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত
আম্পান ধ্বংসের নতুন অধ্যায়
২০২০ সালের আম্পান আবার দেখিয়ে দিল—বাঁধ কতটা দুর্বল।
৪০+ পয়েন্টে বাঁধ ভাঙে
ফসলহানি
ঘেরের কোটি টাকা ক্ষতি
লবণাক্ততা আরও বেড়ে যায়
অবৈধ ঘের: বাঁধের সরাসরি শত্রু
অনেক এলাকায় চিংড়ি ঘের মালিকরা—
বাঁধ কেটে পানি নেয়
ড্রেনেজ সিস্টেম নষ্ট করে
বাঁধের পায়ের অংশ দুর্বল করে
এগুলো রাষ্ট্রীয় নজরদারির বাইরে থাকে।
পরিবেশগত শোকাবহ পরিবর্তন
লবণাক্ততা বাড়ায়—
কৃষিতে ধস
নারী-শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি
বিশুদ্ধ পানির সংকট
মাছের উৎপাদন ধস
মানুষের স্থানচ্যুতি বৃদ্ধি
এই তিন উপজেলাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বিপজ্জনক ‘জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল’ হিসেবে পরিচিত।
—
৫. বাঁধ ভাঙলে মানুষের জীবনে যে দুর্ভোগ নেমে আসে
অর্থনীতিতে বিপর্যয়
ধান, ডাল, তরমুজ, কলা—সবচাষ নষ্ট
জমিতে লবণ ঢুকলে ৩–৭ বছর ফলন হয় না
মাছ মারা যায় thousands tons
ঘের ভেসে গেলে পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়
পানীয় জলের সংকট
সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যা—মিষ্টি পানির অভাব।
অনেক পরিবার ৩–৫ কিমি দূর থেকে পানি আনে
টিউবওয়েলে লবণ উঠে আসে
নারী-শিশুর ওপর বাড়তি মানসিক-শারীরিক চাপ
শিশুর শিক্ষা বিপর্যস্ত
বাঁধ ভাঙলে—
স্কুল বন্ধ
বই-খাতা নষ্ট
অনেক শিশু স্কুল ছেড়ে নদীতে শ্রমে যুক্ত হয়
স্বাস্থ্যঝুঁকি
নোনা পানি—
উচ্চ রক্তচাপ বাড়ায়
ত্বক রোগ সৃষ্টি করে
প্রেগন্যান্সিতে জটিলতা বাড়ায়
পানিজনিত ব্যাধি বাড়ায়
সামাজিক বিপর্যয়
বসতভিটা হারালে পরিবার ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে।
অনেক পরিবার শহরমুখী হয়—এটি “ক্লাইমেট মাইগ্রেশন”।
বাংলাদেশে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে ১.৩ কোটি মানুষ জলবায়ু অভিবাসী হতে পারে—বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস।
—
৬. প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা: কেন বাঁধ টেকে না?
একটি টেকসই বাঁধ তৈরির জন্য যে ৮টি বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড রয়েছে—
বাংলাদেশে প্রায় ৫টিরও অভাব দেখা যায়।
টেকসই বাঁধের মূল মানদণ্ড—
1. জিও-টেক্সটাইল বেস (বাংলাদেশে খুব সীমিত ব্যবহার)
2. আরসিসি স্লোপ প্রটেকশন
3. উচ্চতা অন্তত +৬ মিটার হতে হবে
4. ১০ বছরের ঝড়ের ডেটা বিশ্লেষণ
5. স্লুইস গেটের বৈজ্ঞানিক নকশা
6. জলাধার সংরক্ষণ
7. পরিবেশগত বাফার জোন
8. বার্ষিক রিপেয়ার ফান্ড
বাঁধ ভেঙে যাওয়ার প্রধান কারণ—
অস্থায়ী বাঁধ
মাটি ফেলে বানানো
সঠিক উচ্চতা নয়
নকশা ত্রুটি
দুর্নীতি
মনিটরিং নেই
বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ উপকূল হওয়া সত্ত্বেও এখনো বিশ্বমানের বাঁধ প্রযুক্তি পুরোপুরি প্রয়োগ হয়নি।
—
৭. ডেল্টা প্ল্যান ২১০০: স্বপ্ন বড়, বাস্তবায়ন ছোট
ডেল্টা প্ল্যান ২১০০–তে উপকূল রক্ষায়—
পোল্ডার শক্তিশালীকরণ
নদী খনন
বন্যা নিয়ন্ত্রণ
বনায়ন
জিও-ইঞ্জিনিয়ারিং
কমিউনিটি ভিত্তিক ম্যানেজমেন্ট
এসব পরিকল্পনা রয়েছে।
নথিতে সবই আছে।
অর্থ বরাদ্দও কিছুটা হচ্ছে।
তবে—
বাস্তবায়নের গতি কম
প্রশাসনিক অদক্ষতা
প্রকল্পে দেরি
টেন্ডার জট
মাঠ পর্যায়ে তদারকির অভাব
এসবের কারণে পরিকল্পনা এখনো স্বপ্নের কাগজেই বেশি।
—
৮. সুন্দরবন: বাঁধের উপর নির্ভরশীল এক মহাবিশ্ব
সুন্দরবন টিকে আছে—
স্বাদুপানির প্রবাহে
নদীর স্থিতিশীলতায়
উপকূলের বাঁধের স্থায়িত্বে
বাঁধ ভাঙলে—
লবণাক্ততা বেড়ে যায়
গেওয়া, কেওড়া, সুন্দরী ক্ষতিগ্রস্ত হয়
নদীর পানি মিঠা থাকে না
বাঘসহ বন্যপ্রাণির খাদ্য-বাসস্থান সংকুচিত হয়
বনের প্রজনন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়
সুন্দরবন তাই বাঁধের স্থায়িত্বের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল।
সুন্দরবন বিপন্ন হলে—
বাংলাদেশের পরিবেশ, অর্থনীতি, জলবায়ু ভারসাম্য—সবকিছুই হুমকির মুখে পড়বে।
—
৯. বিশ্বে উপকূল রক্ষা: আমরা কত পিছিয়ে?
নেদারল্যান্ডস
সমুদ্রের নিচে বসবাস—তবু শক্তিশালী বাঁধের জন্য নিরাপদ।
জাপান
সুনামি প্রতিরোধে ৮–১০ মিটার উঁচু কংক্রিট সী-ওয়াল।
ভিয়েতনাম
মেকং ডেল্টায় টেকসই পোল্ডার সিস্টেম।
বাংলাদেশ
এখনো মাটির বাঁধ, বালুর বস্তা—টেকসই নয়।
আমাদের বড় হওয়া উচিত—
নেদারল্যান্ডসের মতো প্রযুক্তি
জাপানের মতো স্থিতিশীল সী-ওয়াল
ভিয়েতনামের মতো নদীব্যবস্থাপনা
—
১০. উপকূলবাসীর দাবি: “আমাদের বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিন”
স্থানীয় মানুষের সবচেয়ে বড় দাবি—
১) টেকসই বাঁধ দাও
২) নদী খনন করো
৩) ঘেরমালিকদের বাঁধ কাটায় কঠোর শাস্তি
৪) দুর্নীতি বন্ধ করো
৫) স্থানীয় কমিটির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করো
৬) বাঁধের জন্য আলাদা বার্ষিক বাজেট
তারা বলছে—
> “আমরা বারবার ঘর হারাই। কিন্তু আমরা হাল ছাড়ব না।
শুধু শক্ত বাঁধটা চাই, তাতেই আমরা বাঁচব।”
—
১১. আগামী ৫০ বছর: সময় এখনই, নাহলে সব হারাব
২০৫০ সালের বাংলাদেশ যদি টিকে থাকতে চায়—
খাদ্য নিরাপত্তা
শিল্পায়ন
জনসংখ্যা
নগরায়ণ
পরিবেশ
—সব কিছুই দক্ষিণাঞ্চলের স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভরশীল।
দক্ষিণ উপকূল ভেঙে পড়লে—
বার্ষিক ৩–৫% জিডিপি ক্ষতি হবে
লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে
কৃষি উৎপাদন ৩০–৪০% কমবে
সুন্দরবন হারাতে বসবে
আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে
এটা আমরা কোনোভাবেই চাই না।
—
১২. উপসংহার: স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও প্রশ্ন—“বাঁধ কি এবার টিকবে?”
এই প্রশ্নের উত্তর আজো নিশ্চয়তার সাথে কেউ দিতে পারে না—এটাই সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।
একটি রাষ্ট্রের মানুষের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
এখনই প্রয়োজন—
টেকসই বাঁধ
বৈজ্ঞানিক নকশা
দুর্নীতিমুক্ত প্রকল্প
ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন
পরিবেশবান্ধব বনায়ন
স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ
উপকূল রক্ষা মানে শুধু একটি অঞ্চল রক্ষা নয়—
এটি পুরো বাংলাদেশের জীবন, অর্থনীতি, পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ রক্ষা।
সুতরাং—
সুন্দরবন উপকূলকে রক্ষা করুন।
বাংলাদেশকে রক্ষা করুন।
—
এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির
চেয়ারম্যান, জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম
কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা
মোবাইল: ০১৭১১-৩৭৭৪৫০
ই-মেইল: smsaifulpress24@gmail.com