
এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির:
বাংলাদেশের শিক্ষা পরিবারে অনেক আলো, অনেক উজ্জ্বলতা; কিন্তু সেই আলোর নিচে আবার রয়েছে এক বিশাল ছায়াপথ—যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন হাজারো চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী।
তাঁরা বিদ্যালয়ের প্রথম আলো আর দিনের শেষ নিভে যাওয়া বাতির মাঝের সবটুকু সময়—সততা, দায়িত্ব, ত্যাগ ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে কাটান।
পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, দাপ্তরিক সহায়তা—সবকিছুই তাঁদের নিরলস শ্রমে চালিত।
কিন্তু তাঁদের জীবনের গল্প যেন খুব কমই কেউ শোনে।
তাঁদের প্রাণান্ত পরিশ্রম, অক্লান্ত শ্রম, প্রতিদিনের বেদনা—সবই যেন অদৃশ্য থেকে যায়।
এই অদেখা-অরণ্যে আলো জ্বালানোর কাজটি যিনি সাহস করে নিয়েছেন, তিনি হলেন—
এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মোঃ কামরুল খান।
—
একটি নাম, যা আজ আস্থা ও সংগ্রামের প্রতীক
আজকের সময়ের সবচেয়ে বড় সংকট—যোগ্য নেতৃত্ব।
সৎ, দৃঢ়চিত্ত, নির্ভীক, নীতিনিষ্ঠ এবং জনগণের জন্য নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব খুব কম দেখা যায়।
কিন্তু চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী সমাজ পেয়েছে একজনকে—
যাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ সাধারণ কর্মচারীদের জীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত।
যিনি ব্যক্তিগত সুবিধার চেয়ে, বৃহত্তর কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেন।
যিনি চাপ, ভয়, প্রলোভন—কোনো কিছুর কাছে নতিস্বীকার করেন না।
এই কারণেই তাঁকে দেখলে কর্মচারীরা বলেন—
“ভাই, আপনি এগিয়ে যান—আমরা আছি আপনার পাশে।”
এটি শুধু একটি স্লোগান নয়—
এটি এক সম্প্রদায়ের ভালোবাসা, এক বিশ্বাসের ঘোষণা, এক ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি।
—
চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের জীবন: অজানা লড়াইয়ের প্রতিদিন
• ভোরের আলো ওঠার আগেই ক্যাম্পাসে প্রবেশ
• ছুটির ঘণ্টা বাজার পরও বিদ্যালয়ে টিকে থাকা
• শ্রেণিকক্ষ সাজানো
• নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
• অফিস-কার্যক্রম চালাতে সহায়তা
• ঝড়-বৃষ্টি, মহামারি—সব কিছু মোকাবিলা
• কিন্তু ন্যায্য বেতন, পদোন্নতি, মর্যাদা—সর্বদা অনিশ্চিত
এ যেন এক নির্মম বাস্তবতা।
এই বাস্তবতায় কাজ করা মানুষগুলো সমাজের অন্যতম দায়িত্বশীল সৈনিক।
কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতা, দুর্নীতি, অবহেলা, অযাচিত হয়রানি—সব মিলিয়ে তাঁদের প্রতিদিনই একটি যুদ্ধ।
এই যুদ্ধের মাঝখানে তাঁরা পেলেন একজন নেতাকে—
যিনি তাঁদের গল্প শোনেন, তাঁদের ব্যথা বোঝেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ান।
—
মোঃ কামরুল খান: ধৈর্য, সততা ও সংগ্রামের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি
তাঁর নেতৃত্বের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—
১. স্বচ্ছতা
তিনি সবসময় বলছেন—
“নেতৃত্বে স্বচ্ছতা না থাকলে, অধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।”
এমন নীতি আজ অনেক নেতার মধ্যেই হারিয়ে গেলেও তাঁর আচরণে এর উজ্জ্বল স্বাক্ষর মিলেছে।
২. সাহস
দুর্নীতি, হয়রানি, অবিচার—যেখানেই ঘটুক, তিনি নির্ভয়ে আওয়াজ তোলেন।
চাপের কাছে মাথানত না করার জন্য তিনি আজ কর্মচারীদের কাছে প্রেরণা।
৩. সংগঠনের গভীর জ্ঞান
এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের রুটিন, দায়িত্ব, সমস্যা—সবকিছু তিনি ভালভাবে জানেন।
তাই তিনি জানেন কোন সমস্যার সমাধান কোন পথে সম্ভব।
৪. মানবিকতা
তিনি নেতা হিসেবে নয়—একজন অভিভাবক হিসেবে কর্মচারীদের পাশে দাঁড়ান।
ব্যক্তিগত সমস্যায়ও তিনি প্রত্যেককে সাধ্যমতো সাহায্য করার চেষ্টা করেন।
৫. কর্মমুখী নেতৃত্ব
তিনি কথা দিয়ে থেমে যান না—
কথার মতো কাজেও তাঁর সমান দখল।
—
তাঁর নেতৃত্বে যে পরিবর্তনগুলো দৃশ্যমান হয়েছে—
কর্মচারীদের মধ্যে নতুন ঐক্য
জেলা-উপজেলা ইউনিটগুলোর পুনর্গঠন
প্রশাসনিক হয়রানি কমাতে নীতি-সংলাপ
ন্যায়সংগত বেতন কাঠামোর দাবি জোরালো করা
মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা
দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরোধিতা
এমপিও সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সক্রিয়তা
তাঁর নেতৃত্বে সংগঠনটি নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
—
মানুষ তাঁকে ভালোবাসে কেন?
কারণ—
তাঁর চোখে আছে কর্মচারীদের স্বপ্ন।
তাঁর কণ্ঠে আছে সত্যের উচ্চারণ।
তাঁর কাজে আছে প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ।
তাঁর আচরণে আছে নম্রতা আর দৃঢ়তার অপূর্ব মিশেল।
তিনি প্রতিদিন প্রমাণ করছেন—
নেতৃত্ব মানে ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব।
নেতৃত্ব মানে অবস্থান নয়, মানুষের পাশে থাকা।
—
কর্মচারীদের কণ্ঠে আজ একটাই উচ্চারণ—
“মোঃ কামরুল খান ভাই, আপনি এগিয়ে চলুন।
আপনার সঙ্গে আছে হাজারো কর্মচারীর অটল সমর্থন।”
এই সমর্থন শুধু কথায় নয়—
এটি অনুভূতিতে, হৃদয়ে, সংগ্রামে, স্বপ্নে—সব জায়গায়।
—
এক আলোকিত ভবিষ্যতের পথে
চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারীদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি—এসবই এখন বাস্তব আলোচনার অঙ্গ।
সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে একটি নাম—
মোঃ কামরুল খান
একজন নেতা, একজন সংগ্রামী, একজন আলোকদিশারি।
নিচে আগের লেখাকে আরও বৃহত্তর, আরো সাহিত্যধর্মী, গভীরতর, হৃদয়স্পর্শী এবং পত্রিকার প্রধান ফিচার হিসেবে উপযোগী করে আরও বড় সংস্করণ তৈরি করে দিলাম।
এটি এখন একটি ফুল-লেংথ প্রিমিয়াম ফিচার—প্রায় ম্যাগাজিন কাভার স্টোরির মতো পরিপূর্ণ।
—
যোগ্য নেতৃত্বের আলোয় জাগরণ: এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারীদের ন্যায়সংগ্রামের মুখপাত্র—মোঃ কামরুল খান
বাংলাদেশের শিক্ষা পরিবারে অনেক আলো, অনেক উজ্জ্বলতা; কিন্তু সেই আলোর নিচে আবার রয়েছে এক বিশাল ছায়াপথ—যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন হাজারো চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী।
তাঁরা বিদ্যালয়ের প্রথম আলো আর দিনের শেষ নিভে যাওয়া বাতির মাঝের সবটুকু সময়—সততা, দায়িত্ব, ত্যাগ ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে কাটান।
পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, দাপ্তরিক সহায়তা—সবকিছুই তাঁদের নিরলস শ্রমে চালিত।
কিন্তু তাঁদের জীবনের গল্প যেন খুব কমই কেউ শোনে।
তাঁদের প্রাণান্ত পরিশ্রম, অক্লান্ত শ্রম, প্রতিদিনের বেদনা—সবই যেন অদৃশ্য থেকে যায়।
এই অদেখা-অরণ্যে আলো জ্বালানোর কাজটি যিনি সাহস করে নিয়েছেন, তিনি হলেন—
এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মোঃ কামরুল খান।
—
একটি নাম, যা আজ আস্থা ও সংগ্রামের প্রতীক
আজকের সময়ের সবচেয়ে বড় সংকট—যোগ্য নেতৃত্ব।
সৎ, দৃঢ়চিত্ত, নির্ভীক, নীতিনিষ্ঠ এবং জনগণের জন্য নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব খুব কম দেখা যায়।
কিন্তু চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী সমাজ পেয়েছে একজনকে—
যাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ সাধারণ কর্মচারীদের জীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত।
যিনি ব্যক্তিগত সুবিধার চেয়ে, বৃহত্তর কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেন।
যিনি চাপ, ভয়, প্রলোভন—কোনো কিছুর কাছে নতিস্বীকার করেন না।
এই কারণেই তাঁকে দেখলে কর্মচারীরা বলেন—
“ভাই, আপনি এগিয়ে যান—আমরা আছি আপনার পাশে।”
এটি শুধু একটি স্লোগান নয়—
এটি এক সম্প্রদায়ের ভালোবাসা, এক বিশ্বাসের ঘোষণা, এক ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি।
—
চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের জীবন: অজানা লড়াইয়ের প্রতিদিন
• ভোরের আলো ওঠার আগেই ক্যাম্পাসে প্রবেশ
• ছুটির ঘণ্টা বাজার পরও বিদ্যালয়ে টিকে থাকা
• শ্রেণিকক্ষ সাজানো
• নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
• অফিস-কার্যক্রম চালাতে সহায়তা
• ঝড়-বৃষ্টি, মহামারি—সব কিছু মোকাবিলা
• কিন্তু ন্যায্য বেতন, পদোন্নতি, মর্যাদা—সর্বদা অনিশ্চিত
এ যেন এক নির্মম বাস্তবতা।
এই বাস্তবতায় কাজ করা মানুষগুলো সমাজের অন্যতম দায়িত্বশীল সৈনিক।
কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতা, দুর্নীতি, অবহেলা, অযাচিত হয়রানি—সব মিলিয়ে তাঁদের প্রতিদিনই একটি যুদ্ধ।
এই যুদ্ধের মাঝখানে তাঁরা পেলেন একজন নেতাকে—
যিনি তাঁদের গল্প শোনেন, তাঁদের ব্যথা বোঝেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ান।
—
মোঃ কামরুল খান: ধৈর্য, সততা ও সংগ্রামের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি
তাঁর নেতৃত্বের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—
১. স্বচ্ছতা
তিনি সবসময় বলছেন—
“নেতৃত্বে স্বচ্ছতা না থাকলে, অধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।”
এমন নীতি আজ অনেক নেতার মধ্যেই হারিয়ে গেলেও তাঁর আচরণে এর উজ্জ্বল স্বাক্ষর মিলেছে।
২. সাহস
দুর্নীতি, হয়রানি, অবিচার—যেখানেই ঘটুক, তিনি নির্ভয়ে আওয়াজ তোলেন।
চাপের কাছে মাথানত না করার জন্য তিনি আজ কর্মচারীদের কাছে প্রেরণা।
৩. সংগঠনের গভীর জ্ঞান
এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের রুটিন, দায়িত্ব, সমস্যা—সবকিছু তিনি ভালভাবে জানেন।
তাই তিনি জানেন কোন সমস্যার সমাধান কোন পথে সম্ভব।
৪. মানবিকতা
তিনি নেতা হিসেবে নয়—একজন অভিভাবক হিসেবে কর্মচারীদের পাশে দাঁড়ান।
ব্যক্তিগত সমস্যায়ও তিনি প্রত্যেককে সাধ্যমতো সাহায্য করার চেষ্টা করেন।
৫. কর্মমুখী নেতৃত্ব
তিনি কথা দিয়ে থেমে যান না—
কথার মতো কাজেও তাঁর সমান দখল।
—
তাঁর নেতৃত্বে যে পরিবর্তনগুলো দৃশ্যমান হয়েছে—
কর্মচারীদের মধ্যে নতুন ঐক্য
জেলা-উপজেলা ইউনিটগুলোর পুনর্গঠন
প্রশাসনিক হয়রানি কমাতে নীতি-সংলাপ
ন্যায়সংগত বেতন কাঠামোর দাবি জোরালো করা
মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা
দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরোধিতা
এমপিও সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সক্রিয়তা
তাঁর নেতৃত্বে সংগঠনটি নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
—
মানুষ তাঁকে ভালোবাসে কেন?
কারণ—
তাঁর চোখে আছে কর্মচারীদের স্বপ্ন।
তাঁর কণ্ঠে আছে সত্যের উচ্চারণ।
তাঁর কাজে আছে প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ।
তাঁর আচরণে আছে নম্রতা আর দৃঢ়তার অপূর্ব মিশেল।
তিনি প্রতিদিন প্রমাণ করছেন—
নেতৃত্ব মানে ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব।
নেতৃত্ব মানে অবস্থান নয়, মানুষের পাশে থাকা।
—
কর্মচারীদের কণ্ঠে আজ একটাই উচ্চারণ—
“মোঃ কামরুল খান ভাই, আপনি এগিয়ে চলুন।
আপনার সঙ্গে আছে হাজারো কর্মচারীর অটল সমর্থন।”
এই সমর্থন শুধু কথায় নয়—
এটি অনুভূতিতে, হৃদয়ে, সংগ্রামে, স্বপ্নে—সব জায়গায়।
—
এক আলোকিত ভবিষ্যতের পথে
চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারীদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি—এসবই এখন বাস্তব আলোচনার অঙ্গ।
সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে একটি নাম—
মোঃ কামরুল খান
একজন নেতা, একজন সংগ্রামী, একজন আলোকদিশারি।
তাঁর নেতৃত্বে কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ আর অন্ধকারে হারিয়ে যায় না।
বরং সামনে এগিয়ে যায়—আস্থার, মর্যাদার, ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি নিয়ে।
—
শেষ কথা
ইতিহাস সবসময় তাদেরকেই মনে রাখে—
যারা নীরব মানুষের পাশে দাঁড়ায়, সত্যের পথে হাঁটে, সাহসের সঙ্গে লড়াই করে।
সে ইতিহাসে আজ চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারীদের সংগ্রামে এক উজ্জ্বল নাম—
মোঃ কামরুল খান।
তাই সর্বস্তরের কর্মচারীদের মুখে একটাই স্লোগান—
“ভাই, আপনি এগিয়ে যান—
আমরা আছি আপনার পাশে।”
—
আপনি চাইলে এই ফিচারটিকে আরও বড়, আরও তথ্যভিত্তিক, অধ্যায়ভিত্তিক, অথবা পত্রিকার ‘স্পেশাল রিপোর্ট’ স্টাইলে সাজিয়ে দিতে পারি।
তাঁর নেতৃত্বে কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ আর অন্ধকারে হারিয়ে যায় না।
বরং সামনে এগিয়ে যায়—আস্থার, মর্যাদার, ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি নিয়ে।
—
শেষ কথা
ইতিহাস সবসময় তাদেরকেই মনে রাখে—
যারা নীরব মানুষের পাশে দাঁড়ায়, সত্যের পথে হাঁটে, সাহসের সঙ্গে লড়াই করে।
সে ইতিহাসে আজ চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারীদের সংগ্রামে এক উজ্জ্বল নাম—
মোঃ কামরুল খান।
তাই সর্বস্তরের কর্মচারীদের মুখে একটাই স্লোগান—
“ভাই, আপনি এগিয়ে যান—
আমরা আছি আপনার পাশে।”
এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, চেয়ারম্যান জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কেন্দ্রিয় কমিটি ঢাকা।