
সৃষ্টির আলোকিত শ্রেয়তম প্রথম আশ্রমে জন্ম তোমার অদৃশ্যতা থেকে জ্যোতির্ময় জ্যোতি,
আলোর পথে পৃথিবীতে অজস্র মানুষের প্রিয়জন হয়ে সংসার কাননে ফুটেছিল কুসুম কেয়া,,
শত শতাব্দীর বহু পুরাতন গ্রহে প্রাণের স্পন্দন শুনতে শুনতে নিরুৎকীর্ণ প্রথম ও শেষ মানুষের আশির্বাদ পাওয়া।
মানবের শ্রেষ্ঠ সভ্যতায় সৎ ও অসৎ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যুগান্তরের ইতিহাস তুমি শ্রুতি প্রতিশ্রুতি।।
জীবনের দীর্ঘ ছায়ায় আচ্ছন্ন নিবাসনে কত প্রেম ভালোবাসার চিহ্ন পড়ে আছে,
মায়াবী আকর্ষণ শতাব্দী শেষ হলে
কোন এক বিকেলের ভীতরে মৃত্যুর শব্দ শুনে হাসে,,
তবুও বিশ্বাস ভ্রষ্ট পথিকের আর্তনাদ আর পড়ন্ত সূর্যের মতো প্রতিভাত প্রতিভায় স্বপ্ন অভিলাষে –
সময় সুখ্যাত মহাবিশ্বে সৃষ্টির সত্যদর্শী মুখশ্রীর সুখ, দুঃখ ক্লান্তি জন্মেছে প্রাণের কাছে।।
জীবনের প্রথম প্রহরে – প্রাণের ভোরে, সূর্য সুন্দরে যে আলোয় ভরেছিল প্রাণ,
যে ভালোবাসা পরিচিত স্মৃতির অন্তর অন্ত্রে দৈবের বিস্ময়ে অভিভূত ও উদবোধিত করে,,
তুমি সেই প্রাণ- যে গাছের প্রস্ফুটিত কেয়া ফুটে আছে হাজারো গাছের শাখা ভরে।
আজ এই অচেনা সময়ের কাছে সুপারিশ করি- অনন্ত যুগ সম্ভারে শতায়ু করুক দান।।