শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
খুলনা আর্ট একাডেমির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি অর্জনে গর্বিত প্রতিষ্ঠান মানবিকতার আলোকবর্তিকা স্পেশাল ব্রাঞ্চের মানবিক সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে ক্লাসিক চেস্ ক্লাবের সম্মাননা কবিতাঃ জীবন কবিতা নিয়ামতপুরে সরস্বতী পূজা উদযাপিত জগন্নাথপুরে গণভোটের পক্ষে উৎসাহিত করলেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক গ্রেটার ইসরায়েল শখ মুছে গেলো! জগন্নাথপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের গণসংযোগ, ভোটারদের ব্যাপক সাড়া বিদ্যুৎ ফাউন্ডেশন: মানবতার আলোর পথে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহবান শোডাউনের মধ্যদিয়ে প্রচারণা শুরু করলেন তুহিন মোরেলগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত ভিপিকে গণসংবর্ধনা, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন- অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম

নিয়ামতপুরে জমিতে জৈব সারের ব্যবহার বাড়ছে

Coder Boss
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৮ Time View

 

এস এম রকিবুল হাসান
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

বরেন্দ্র অঞ্চলে হিসেবে পরিচিত নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা।
ধান উৎপাদনে বিশেষ খ্যাতি রয়েছে এ উপজেলার । আর কিছু দিনের মধ্যে উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ শুরু হবে।
তার আগে জমিতে জৈব সার দেওয়া শুরু করেছেন কৃষকেরা। স্থানীয়ভাবে এটাকে ‘পাউস’ বলা হয়।
কৃষকেরা বলছেন, কৃষি জমিতে এই সার ব্যবহারে মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি ফসলের উৎপাদন বাড়ে। এতে খরচ কমার সঙ্গে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জৈব সার তৈরির জন্য কৃষকেরা বাড়ির পাশে একটি নিদিষ্ট জায়গায় মাটি কেটে নিচু করেন। সেখানে সারাবছর গরু-ছাগলের মলমূত্র, খড়কুটো, গৃহস্থালির আবর্জনা জমা করেন। এগুলো পঁচে গিয়ে জৈব সার তৈরি হয়।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ২৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভাবিচা গ্রামের কৃষক দেবব্রত প্রামানিক বলেন, জমিতে জৈব সার দিলে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক তুলনামূলক কম লাগে। এতে করে আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী হওয়া যায়।

একই গ্রামের কৃষক উজ্জ্বল সরকার জানান, তিনি বোরো মৌসুমে জমিতে জৈব সার দেন। এতে রাসায়নিক সার কম লাগে ও ফসলের রোগবালাই কম হয়। তিনি বিঘা প্রতি দুই ট্রলি করে জৈব সার দিয়েছেন।

আরেক কৃষক নিতাই বৈরাগী বলেন, ‘আগে আমরা গরুর গাড়িতে করে জমিতে এই পাউস(জৈব সার)দিতাম । সময়ের বিবর্তনে সেই জায়গা এখন দখল করেছে ইঞ্জিন চালিত ট্রলি। ট্রলিতে করে সবাই জমিতে ‘পাউস’ দিচ্ছে।

ট্রলি চালক মো. গোলাম রাব্বানী
বলেন, দূরত্বভেদে প্রতি ট্রলি ২০০-৩০০ টাকা করে জমিতে ‘পাউস’ পৌছে দিচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, জমিতে জৈব সার ব্যবহার করা অবশ্যই ভালো। কৃষকেরা বাড়ির পাশেই প্রাকৃতিকভাবে এই সার তৈরি করতে পারেন। জৈব সারের উপস্থিততে জমির মাটিতে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, পানি সেচ কম দিতে হয়। জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলন বেশি হয়। জৈব সার ব্যবহারের ফলে রাসায়নিক সার কম লাগে। কৃষকের আর্থিক সাশ্রয় হয়। আমরা সব ফসলের জমিতে জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে থাকি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102