
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির প্রভাতে, বকুল তলাতে
বলেছিলে তুমি, মোর কপাল চুমি, ভালোবাসি তোমায়!
লাজুক আঁখি, চোখ নিচে রাখি, পায়ের বৃদ্ধ আঙুলে খুড়লে মাটি
বলেছিলাম, বুকে তব টানি, হোক যত জানা জানি, ভুলনা আমায় !
আঁখি ছলছল, বুকে নিয়ে বল, করে প্রতিজ্ঞা, বলেছিলে “জো আজ্ঞে!”
আজো কি আছে সেকথা মনে, আছো কোথা, কার সনে?
কেমন তোমার বর, কোথা তারঘর, সন্তান-সন্ততি ক’জন
তুমি আমার সাত রাজার ধন, ছিলো কি সে স্বজন, কেমনে ধরলো তারে মনে?
তোমার আকাশে, বৃষ্টির প্রাচুর্য আছে, এখানকার মত শ্রাবন –
নদী পাহাড় আকাশ মাটি, দেখতে কি পাও, এমন সব প্রকৃতি খাঁটি?
মানব-প্রকৃতি আচার-আচরণ, নিষ্ঠুরতার কি একই ধরন
গর্ভবতী ধান ক্ষেত, খাল নদী বিল সবুজ উদ্যান, তথা কি আছে?
আছে কি সেথা যাহা আছে হেথা বাউল কি শোনায় একতারায় গান
কবির গান জুড়ায় প্রান হয় কি কড়চা গান যাহা জুড়ায় শ্রোতার প্রান?
আছে কি সে দেশে রোজ আসে ভেসে, নেতাজীর “জয় হিন্দ” হুংকার
যায় কি শোনা নয় হাতে গোনা “মুজিবের জয়বাংলা” বেশুমার?
যায় কভু দেখা পথে ঘাটে হাটে সাঁওতাল বাগদি ডোম মেয়ে
হাঁটু অবধি শাড়ী তুলি মাথায় নিয়ে ঝুড়ি, তরকারি বেঁচে বাজারে যেয়ে?
বহে কি সেথা মধুমতী আড়িয়াল খাঁ যমুনা শান্ত বয়ে চলে
অশান্ত পদ্মা হয়ে ওঠে প্রমত্তা ধ্বংস রূপ তার বর্ষা কালে!
যেথা থাকো ভালো থাকো, পরো শাড়ী কিম্বা জিন্স প্যান্ট হাফ
ভালো বাসার এইতো পরিনাম জীবন হয়ে যায় নিলাম, মনে রেখ করে দিয়েছি সব মাফ!