মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভৈরবে দরিদ্র পরিবারের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন মো. শরিফুল আলম তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত আইন করার দাবিতে ২০ হাজার নাগরিকের আবেদন তিস্তা নদীতে অবৈধভাবে মেশিনে পাথর উত্তোলন: ৫ শ্রমিক আটক নিয়ামতপুরে দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত বকশিবাজার দরবারে ১১ মার্চ বিশেষ ফাতিহা খানি ও ইফতারি মেহফিল ডিমলায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত জগন্নাথপুরে বিশিষ্ট আলেম মাওলানা আলী হোসেনের জানাজা সম্পন্ন: হাজারো মানুষের শোকাতুর বিদায় কবিতাঃ সুখের প্রকোষ্ঠ নিয়ামতপুর-১ ও মান্দা-২ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নতুন এলাকা পরিচালক মুশফিকুর রহমান একটি মিসাইল সব বিশ্বাস নাড়িয়ে দিচ্ছে

ডিমলায় এলপিজি গ্যাস সংকট বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ

Coder Boss
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮০ Time View

 

মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় দীর্ঘ প্রায় এক মাস ধরে তীব্র এলপিজি গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। হাটবাজার ও খুচরা দোকানগুলোতে গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না বললেই চলে। কোথাও পাওয়া গেলেও তা বিক্রি হচ্ছে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি দামে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ এলপিজি বিক্রয়কেন্দ্রেই সিলিন্ডার নেই। যেসব দোকানে সামান্য কিছু পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার কিনতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ভোক্তারা।
গ্যাসের অভাবে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে কাঠ, খড়, শুকনো পাতা ও মাটির চুলায় রান্নায় ফিরতে শুরু করেছেন। এতে যেমন সময় বেশি লাগছে, তেমনি বাড়ছে খরচ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের খাবার প্রস্তুত করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গৃহিণীরা।
ডিমলা পৌর এলাকার গৃহিণী রওশন আরা বলেন,
হঠাৎ করে গ্যাস না থাকায় প্রতিদিন রান্না করাই একটা যুদ্ধ হয়ে গেছে। অতিরিক্ত দামে কিনলে সংসারের অন্য খাতে কাটছাঁট করতে হয়।
একই ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রবীণ সাংবাদিক সরদার ফজলুল হক। তিনি জানান,
“অনেক দোকান ঘুরে শেষ পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ টাকায় একটি সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে। এটা স্পষ্টই ভোক্তাদের সঙ্গে অন্যায়।”
এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোম্পানি থেকে নিয়মিত সরবরাহ না পাওয়াতেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ অনেক কম থাকায় বাজারে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান বলেন,
এলপিজি সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা দ্রুত এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ন্যায্যমূল্যে গ্যাস না পেলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102